• ই-পেপার

ভিন্ন ধর্মে বিয়ে ও ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন টম ক্রুজ

বিনোদন ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন টম ক্রুজ
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পর্দা নামছে আগামী ১৯ জুলাই। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের আগে অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠান, যেখানে বিশ্বসংগীত ও বিনোদন অঙ্গনের একঝাঁক তারকা অংশ নেবেন।

ফিফা জানিয়েছে, এবারের সমাপনী আয়োজনে পারফর্ম করবেন হলিউড তারকা টম ক্রুজ। শুধু তাই নয়, এবারের আসরে আরো দেখা যাবে ইতালীয় গায়িকা লরা পাউসিনি, মার্কিন গায়িকা নিকোল শেরজিঙ্গার, ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী রবি উইলিয়ামস এবং জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কনটেন্ট নির্মাতা আইশোস্পিডকে। 

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে ফাইনালের আগে এক জমকালো বিনোদনের আসর।

মঙ্গলবার সমাপনী অনুষ্ঠানের শিল্পীদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, ৪৮টি দল, তিনটি স্বাগতিক দেশ এবং ১৬টি আয়োজক শহরজুড়ে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের স্মরণীয় যাত্রাকে উদযাপন করতেই এই আয়োজন।

May be an image of text

তালিকায় আইশোস্পিডকে পারফর্মার হিসেবে রাখা হলেও টম ক্রুজকে ‘বিশেষ উপস্থিতি’র অতিথি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে গ্যালারিতে দেখা গেছে ‘মিশন : ইম্পসিবল’ তারকাকে। এ ছাড়া ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকের সমাপনী অনুষ্ঠানেও আলোচিত স্টান্ট পারফরম্যান্স করেছিলেন তিনি।

এ ছাড়া এমি, গ্র্যামি, অস্কার ও টনি—এই চার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারজয়ী শিল্পী জেনিফার হাডসন ফাইনালের আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন বলেও জানা গেছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানটি সৃজনশীল অংশীদার হিসেবে আয়োজন করছে বালিচ ওয়ান্ডার স্টুডিও। 

May be a graphic of text that says 'C 2 FIFA WORLDCUP 2026 JENNIFER HUDSON'

আয়োজকদের ভাষ্য, এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফুটবল, সংগীত ও সংস্কৃতির এক বৈশ্বিক উদ্‌যাপন তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অনুষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক আসরের স্মরণীয় যাত্রাকেও সম্মান জানানো হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হেইমো শিরগি বলেন, ‘কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যেভাবে বিশ্বকে স্বাগত জানানো হয়েছিল, সমাপনী অনুষ্ঠানও ঠিক সেভাবেই সংগীত, সংস্কৃতি ও ফুটবলের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক আসরের পূর্ণতা দেবে। এরপরই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত সেই ফাইনাল, যেখানে নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।’

ফিফার ভাষ্য অনুযায়ী, ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজিত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের সমাপ্তিকে স্মরণীয় করে তুলতেই এই তারকাখচিত আয়োজন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরো কয়েকজন শিল্পী ও বিশেষ অতিথির নাম ঘোষণা করা হবে।

জানা গেছে, সমাপনী অনুষ্ঠান শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে—অর্থাৎ ফাইনালের কিক-অফের ৯০ মিনিট আগে। দর্শকদের জন্য স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে সকাল ১১টায়। 

সমাপনী অনুষ্ঠান ছাড়াও দর্শকদের জন্য থাকবে বিভিন্ন বিশেষ আয়োজন, ইন্টারঅ্যাকটিভ কার্যক্রম, পুরস্কার এবং ম্যাচপূর্ব বিনোদনের ব্যবস্থা।
 

প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। 

প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানবিক আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘পথহারা মন’ শিরোনামের এই নাটকে জাহিদ হাসানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী ও দীপা খন্দকার। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা আক্তার মিঠু।

নির্মাতা মুহাম্মদ জানান, ‘পথহারা মন’ এমন একটি গল্প, যেখানে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং মানুষের অনুভূতির নানা দিক উঠে এসেছে। 

তার কথায়, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের আবেগের গল্প। দর্শক যেন নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি লেখা।’

জাহিদ হাসান ও রাজের শেষ কাজ ছিল ২০১৮ সালে। সে সময় বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচারিত সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘ছেলেমানুষি’তে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। প্রায় আট বছর পর এই জুটির পুনর্মিলন ঘটছে ‘পথহারা মন’-এর মাধ্যমে।

দীর্ঘদিন পর প্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে কাজ করার অনুভূতি জানিয়ে রাজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তার অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ শিল্পীদের সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

অন্যদিকে জাহিদ হাসানও নতুন এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সবসময়ই ভালো। অনেকদিন পর আবারও তার পরিচালনায় কাজ করছি, এটা আমার জন্য আনন্দের। গল্পটি খুব আন্তরিক। আমার অভিনীত চরিত্রটিও বেশ চ্যালেঞ্জিং। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ।’

নাটকটির গল্প লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা। চিত্রনাট্য করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই ইউটিউবের ‘সিনেমাওয়ালা’ চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন পর ওটিটিতে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। এই প্রত্যাবর্তনে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে। নির্মাতা জাহিদ প্রীতম পরিচালিত অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর মাধ্যমে নতুন এই জুটিকে পর্দায় দেখতে পাবেন দর্শক।

নির্মাতা জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। 

রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই চলচ্চিত্রে সম্পর্ক, আবেগ এবং বর্তমান প্রজন্মের মানসিক বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে।

ফিল্মটিতে আরিফিন শুভ অভিনয় করেছেন আনিস চরিত্রে। সাধারণত অ্যাকশনধর্মী কিংবা দৃঢ় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্রে দেখা গেলেও এবার তিনি হাজির হচ্ছেন একেবারেই ভিন্ন রূপে। স্বাধীনচেতা, আত্মনির্ভরশীল এবং একাকী জীবনযাপনে অভ্যস্ত এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।’

অন্যদিকে, কেয়া পায়েলকে দেখা যাবে অনামিকা চরিত্রে। উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনের আবহে বেড়ে ওঠা এই তরুণীর জীবন ঘিরে রয়েছে সামাজিক যোগাযো গমাধ্যম, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল দুনিয়ার মোহ। গল্পে আনিস ও অনামিকার দুই ভিন্ন জগতের সংঘাত এবং সম্পর্কের বিকাশই মূল আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন।’

জানা গেছে, এই ওয়েব ফিল্মটি খুব শিগগিরই দেশের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।

‘ওমকারা’র শুটিংয়ে নিজেকে প্রথম প্রকৃত অভিনেতা মনে হয় সাইফের

অনলাইন ডেস্ক
‘ওমকারা’র শুটিংয়ে নিজেকে প্রথম প্রকৃত অভিনেতা মনে হয় সাইফের
সংগৃহীত ছবি

বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত কালজয়ী সিনেমা ‘ওমকারা’ মুক্তির ২০ বছর পূর্ণ হলো। এই ছবিতে ‘ল্যাংড়া ত্যাগী’ চরিত্রে অভিনয় করে ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সাইফ আলি খান সম্প্রতি ছবিটির দুই দশক পূর্তিতে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন। সাইফ জানান, এই সিনেমার সেটেই প্রথম তার নিজেকে একজন ‘প্রকৃত অভিনেতা’ বলে মনে হয়েছিল

সাইফ স্মরণ করেন, কিভাবে পরিচালক থিয়েটার ও মূলধারার সিনেমা জগতের সেরা প্রতিভাদের এক ছাদের নিচে এনেছিলেন। তিনি বলেন, বিশাল ভরদ্বাজ ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার (এনএসডি) দক্ষ অভিনেতাদের সঙ্গে মূলধারার তারকাদের এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। অজয় দেবগন, কারিনা কাপুর, বিবেক ওবেরয়, বিপাশা বসু, নাসিরুদ্দিন শাহ ও দীপক ডোবরিয়ালের মতো সমৃদ্ধ কাস্টিং নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে একটি ‘জাদুকরী সময়’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাইফ। তিনি জানান, প্রত্যেকেই তখন একটি ভালো সিনেমা উপহার দিতে চেয়েছিলেন।

ল্যাংড়া ত্যাগী চরিত্রের জন্য সাইফের ছোট করে ছাঁটা চুল সে সময় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে এই চুল কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সাইফের জন্য সহজ ছিল না। তার মা-ও তাকে সতর্ক করে বলেছিলেন শুধু একটি সিনেমার কথায় নিজের সুন্দর চেহারা নষ্ট না করতে।

সাইফ চুল কাটার সিদ্ধান্তটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এড়াতে চেয়েছিলেন। অবশেষে শুটিংয়ের আগের দিন রাতে তার চুল কাটা হয়। সেদিন ছিল ঈদ। পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ তখন মজার ছলে সাইফকে বলেছিলেন, ‘চলো, কোরবানি করি। সিনেমার জন্য এটা করা যাক।’ দুই দশক পেরিয়ে গেলেও পুরো শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা সাইফের মনে আজও একেবারে তাজা।