• ই-পেপার

ইতিহাস গড়ল সামান্থার সেই সিনেমা

অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ে ঝড় বিজয়ের সিনেমার

বিনোদন ডেস্ক
অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ে ঝড় বিজয়ের সিনেমার
সংগৃহীত ছবি

মুক্তির আগেই দর্শকদের ব্যাপক সাড়া ফেলেছে তামিল সুপারস্টার বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়াগন’। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়ের এই ছবিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহের প্রতিফলন দেখা গেছে অগ্রিম টিকিট বিক্রিতেই।

সম্প্রতি ছবিটি ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রশংসাপত্র বোর্ড (সিবিএফসি) থেকে প্রদর্শনের অনুমতি পেয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে ‘জন নায়াগন’।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছে সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি। দেশটিতে ছবির পরিবেশক আহিমসা এন্টারটেইনমেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়ে জানিয়েছে, সিনেওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে দর্শকরা এখন টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। 

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিপুলসংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিবেশক সংস্থার দাবি, টিকিট বিক্রি শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই হাজার হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। 

তাদের মতে, বিজয়ের শেষ অভিনীত সিনেমাকে ঘিরে দর্শকদের যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, এই অগ্রিম বুকিং তারই স্পষ্ট প্রমাণ।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ‘জন নায়াগন’কে বিজয়ের শেষ সিনেমা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে ছবিটির মুক্তিকে ঘিরে দেশ-বিদেশে তার ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি উন্মাদনা।

প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় সমন জারি করেছেন আদালত। আগামী ১৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ নম্বর আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ সরকার।

মামলার নথি অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেওয়ার পর সেটির প্রচারণা এবং মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তানজিন তিশা। কিন্তু পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই অভিনেত্রী। এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি দাবি করেছিলেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।

বাদীপক্ষের দাবি, আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে আদালতে মামলা করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আদালত সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই এখন বিষয়টি আদালতেই নিষ্পত্তি হবে।’

এদিকে ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বর্তমানে শাকিব খানের বিপরীতে ‘সোলজার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন। ছবিটি এখনো মুক্তি না পেলেও আদালতের এ আদেশের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তার নাম।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরফান সাজ্জাদের

বিনোদন প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরফান সাজ্জাদের
সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হওয়া মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা জাতীয়ভাবে তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না বলে আক্ষেপ করেছেন তিনি। 

একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লিখেছেন, ‘আমার চট্টগ্রাম ভালো নাই...! বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, লোহাগাড়া, কক্সবাজার, বান্দরবান ভালো নাই! অথচ মেজর কোনো নিউজ নাই! কোনো আওয়াজ নাই! মানুষগুলো নীরবে মরে যাচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে, কবর থেকে লাশ ভেসে যাচ্ছে!’

নিজের পোস্টে অতীতের দুর্যোগে চট্টগ্রামের মানুষের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি। ইরফান লেখেন, ‘কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনীর বন্যার সময় এই চট্টগ্রামের মানুষজন যার যা কিছু ছিল তা নিয়ে তাদের উদ্ধার করতে গিয়েছিল। আজকে এই বন্যাপীড়িত মানুষগুলোকে উদ্ধারে মানুষের তেমন কোনো সাড়াশব্দ নাই, কোনো আওয়াজ নাই।’

পোস্টের শেষাংশে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ আপনি রহম করেন।’

শুধু ইরফান সাজ্জাদই নন, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তানজিম সাইয়ারা তটিনীও।সামর্থ্য অনুযায়ী সবাইকে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী।

তটিনী মনে করেন, সামর্থ্য অনুযায়ী এক প্যাকেট শুকনো খাবার কিংবা এক বোতল বিশুদ্ধ পানিও সংকটাপন্ন মানুষের জন্য বড় সহায়তা হতে পারে।একই সঙ্গে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার এবং অন্যদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

‘বারবার হৃদয় ভেঙেছে, তবু দল ছাড়িনি’

বিনোদন প্রতিবেদক
‘বারবার হৃদয় ভেঙেছে, তবু দল ছাড়িনি’
সংগৃহীত ছবি

প্রিয় ফুটবল দল আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে ওঠার আনন্দে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন দীর্ঘদিনের একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকের অনুভূতি, অপেক্ষা এবং ভালোবাসার গল্প।

স্বামী এফ এস নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে কানসাস স্টেডিয়ামে বসেই ম্যাচটি উপভোগ করেন নাদিয়া। স্টেডিয়াম থেকে তোলা ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘ভামোস আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালের পথে। গর্জে ওঠো আর্জেন্টিনা।’

একই পোস্টে স্টেডিয়ামটির বিশেষ স্মৃতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জানান, এই মাঠেই ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে হারিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা।

May be an image of text

ম্যাচের আগে দেওয়া আরেকটি দীর্ঘ পোস্টে নাদিয়া স্মরণ করেন আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও হতাশার দিনগুলোর কথা। 

তিনি লেখেন, ‘২০২২ সালের আগে আর্জেন্টিনার শেষ বিশ্বকাপ জয় ছিল ১৯৮৬ সালে। তাই এই দলের সমর্থক হতে হলে মনোবল সত্যিই শক্ত হতে হয়।’

এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের তিক্ত স্মৃতিগুলো একে একে তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘আমরা ২০০২-এর হতাশা দেখেছি, ২০০৬-এর আক্ষেপ দেখেছি, ২০১০-এর ব্যর্থতা দেখেছি, ২০১৪-এর ফাইনালে হৃদয়ভাঙা দেখেছি, ২০১৮-এর কষ্ট দেখেছি। তার পরও দল ছাড়িনি। অনেকেই ঠাট্টা করে আর্জেন্টিনাকে বলত, আরজেতেনা।’

‘এসব দেখেছি, তবু কখনো দল ছাড়িনি। বছরের পর বছর ধৈর্য, বিশ্বাস আর ভালোবাসা নিয়ে একই দলের পাশে থেকেছি। অবশেষে ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’ বললেন অভিনেত্রী

No photo description available.

নাদিয়ার কথায়, আর্জেন্টিনার প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই শুধু শিরোপানির্ভর ছিল না। তার কাছে এই দল ইতিহাস, ঐতিহ্য, জার্সি এবং আবেগের প্রতীক। তাই একটি দলের প্রতি সমর্থনকে কেবল ট্রফির সংখ্যায় মূল্যায়ন করা যায় না।

তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা আমাদের কাছে শুধু একটি ফুটবল দল নয়; এটি একটি অনুভূতির নাম। তাই আমাদের ভেঙে দেওয়া এত সহজ নয়।’

পোস্টের শেষাংশে বর্তমান সময়ের আর্জেন্টিনা দলকে নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্য সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস আরো দৃঢ় করেছে। ফলে সমালোচনা কিংবা বিদ্রুপ এখন আর তাদের বিশ্বাসকে নড়বড়ে করতে পারে না।