• ই-পেপার

মুক্তি পেল জয়া আহসানের সেই সিনেমা

জিতের ছবি মুক্তির ঘোষণা, পিছিয়ে গেল দেবের সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক
জিতের ছবি মুক্তির ঘোষণা, পিছিয়ে গেল দেবের সিনেমা
সংগৃহীত ছবি

টালিউডে স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে বদলে গেল মুক্তির সমীকরণ। জিত অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তির দিন ঘোষণা হতেই আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে দেব অভিনীত ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’র মুক্তি।

জানা গেছে, পরিচালক পথিকৃৎ বসু নির্মিত ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অন্যতম নায়ক অনন্ত সিংহের জীবন অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল।

Keu Bole Biplobi, Keu Bole Dakat (2026) - IMDb

অন্যদিকে, একই সময়ে দেব অভিনীত ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে দেব লিখেছেন, ‘প্রতিটি যাত্রার একটা নিজস্ব সঠিক সময় থাকে। আপনাদের কাছে যাতে এই ছবি ভালোভাবে পৌঁছে দিতে পারি, তাই আপাতত ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

ভক্তদের উদ্দেশে তিনি আরো লেখেন, ‘আমি জানি, আপনারা এই ছবি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু আরও কিছু দিন ধৈর্য ধরতে হবে। এই অপেক্ষা আপনাদের জন্য সুখেরই হবে।’

Bike Ambulance Dada (2026) - IMDb

দুটি ছবিরই প্রযোজক প্রদীপ কুমার নন্দী। মুক্তির তারিখ পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবির সব ধরনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়েই এটি মুক্তি পাচ্ছে। তবে ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’র পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ এখনও চলমান। সেই কারণেই ছবিটির মুক্তি আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, টালিউডে একই সময়ে একাধিক বড় বাজেটের ছবি মুক্তি এড়িয়ে চলার বিষয়ে প্রযোজক ও পরিবেশকদের মধ্যে আগে থেকেই একটি সমঝোতা রয়েছে। কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, মুক্তির সূচি এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যাতে কোনো ছবির ব্যবসা অন্য ছবির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। 

দেবের ছবির মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে সেই সমঝোতারও প্রভাব রয়েছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি।

এ মাসেই ঢাকায় আসছেন আতিফ আসলাম

বিনোদন প্রতিবেদক
এ মাসেই ঢাকায় আসছেন আতিফ আসলাম
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ঢাকায় কনসার্ট করতে আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। ‘মেইন স্টেজ ফিচারিং আতিফ আসলাম’ শিরোনামের বহুল প্রতীক্ষিত এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই রাজধানীতে।

বুধবার (৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে ঢাকার কনসার্টের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আতিফ আসলাম। 

পোস্টে তিনি শুধু লিখেছেন, ‘ঢাকা – জুলাই ২৪, ২০২৬’। একই সঙ্গে কনসার্টের টিকিট সংগ্রহের লিংকও শেয়ার করেন এই শিল্পী।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘মেইন স্টেজ’ জানিয়েছে, কনসার্ট আয়োজনের সব প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় অবস্থিত ক্রিকেটারস একাডেমিতে বসবে এই সংগীতের আসর। আতিফ আসলামের পাশাপাশি মঞ্চ মাতাবেন দেশের জনপ্রিয় দুই ব্যান্ড ‘মেঘদল’ ও ‘লেভেল ফাইভ’।

ইতোমধ্যে কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। দর্শকদের জন্য তিনটি ক্যাটাগরিতে টিকিট রাখা হয়েছে। 

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশদ্বার দুপুর ২টায় খুলে দেওয়া হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা ৬টার পর গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া কনসার্ট চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজের প্রতিনিধি কাজী রাফসান বলেন, ‘এটি চলতি বছরের সবচেয়ে বড় সংগীত আয়োজনগুলোর একটি। পুরো টিম, শিল্পী এবং দর্শকদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের বিশ্বাস, এটি শুধু একটি কনসার্ট নয়, বরং সংগীতপ্রেমীদের আবেগ, প্রত্যাশা ও ভালোবাসার এক মিলনমেলায় পরিণত হবে।’

এদিকে, ২০২৫ সালের ‘মেইন স্টেজ শো’-এর জন্য যারা টিকিট কিনেছিলেন কিন্তু রিফান্ড নেননি, তাদের নতুন করে টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না। তারা শুধু mainstage.show ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত ‘Re-Clam’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নামে নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং অতিরিক্ত কোনো অর্থ ছাড়াই হোম ডেলিভারির মাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, যারা টিকিটের অর্থ ফেরতের আবেদন করেছিলেন কিন্তু এখনও রিফান্ড পাননি, তারাও চাইলে একই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রিফান্ড আবেদন প্রত্যাহার করে টিকিট পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারবেন। যাচাই শেষে তাদের জন্যও নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

উল্লেখ্য, এই কনসার্টটি মূলত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। টিকিট বিক্রি ও অন্যান্য প্রস্তুতি শেষ হলেও জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়। 

তখন আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানটি বাতিল নয়; উপযুক্ত সময়ে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী ২৪ জুলাই অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই কনসার্ট।

১২টি কাটছাঁটের পর অবশেষে অ্যাডাল্ট সনদ পেল বিজয়ের সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক
১২টি কাটছাঁটের পর অবশেষে অ্যাডাল্ট সনদ পেল বিজয়ের সিনেমা
সংগৃহীত ছবি

তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের বহুল আলোচিত রাজনৈতিক ড্রামা ‘জন নায়গন’ অবশেষে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে প্রদর্শনের অনুমতি পেয়েছে। তবে ছাড়পত্র পেতে ছবিটিতে ১২টি পরিবর্তন আনতে হয়েছে। এসব সংশোধনের পর সিনেমাটিকে ‘এ’ (শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) সনদ দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সেন্সর সনদ পাওয়া ছবিটির মোট দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড (১৮৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড) বলে জানিয়েছে সিবিএফসি।

সেন্সর বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছবি থেকে বেশ কয়েকটি সংবেদনশীল দৃশ্য ও সংলাপে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকা মাটিতে পড়ে যাওয়ার দৃশ্য অপসারণ, সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি-সংক্রান্ত একটি সংলাপ মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করা, জেলা প্রশাসকের (ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর) কার্যালয়ের ব্যাজ অসম্মানজনকভাবে নিচে নামানোর দৃশ্য সংশোধন, একটি সম্পূর্ণ সংলাপ মিউট করা এবং শিশু পুড়িয়ে দেওয়ার একটি দৃশ্য বাদ দিয়ে বিকল্প দৃশ্য সংযোজন।

সব মিলিয়ে সিনেমাটি থেকে প্রায় ২০ সেকেন্ডের ফুটেজ বাদ দিতে এবং আরও ১০ সেকেন্ডের একটি অংশ পরিবর্তন করতে নির্দেশ দিয়েছে সিবিএফসি।

পরিচালক এইচ. বিনোথ নির্মিত ‘জন নায়গন’ শুরুতে ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি, পোঙ্গল উৎসব উপলক্ষে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। মুক্তির আগেই ছবিটি তামিল সিনেমার অন্যতম প্রতীক্ষিত প্রজেক্টে পরিণত হয়েছে।

এর অন্যতম কারণ, এতে অভিনয় করেছেন তামিলনাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয়। ২০২৪ সালে নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। পরে নির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

সেই কারণে রাজনৈতিক জীবনে পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার আগে অভিনেতা হিসেবে এটিই হতে যাচ্ছে বিজয়ের শেষ সিনেমা।

গঠিত হলো চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি, থাকছেন যাঁরা

বিনোদন প্রতিবেদক
গঠিত হলো চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি, থাকছেন যাঁরা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান প্রদানের জন্য নতুন কমিটি গঠন করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ১১ সদস্যের এই কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।

‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২৫ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী গঠিত এ কমিটিতে চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবকে (চলচ্চিত্র)।

সরকারি সদস্যদের পাশাপাশি কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রযোজক সরদার সানিয়াত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন এবং অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

এ ছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান বাছাই কমিটির সুপারিশ ও পর্যালোচনাপূর্বক, সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা ২০২৫ (সংশোধিত) এর আলোকে এই কমিটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনুদান প্রদান বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২ জুলাই প্রকাশিত এক সংবাদে জানানো হয়েছিল, প্রতিবছর জুন মাসের মধ্যেই সরকারি চলচ্চিত্র অনুদান ঘোষণার প্রচলন থাকলেও কমিটি গঠন না হওয়ায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের অনুদান ঘোষণা পিছিয়ে যায়। সেই আলোচনার মধ্যেই অবশেষে নতুন অনুদান কমিটি গঠনের ঘোষণা এলো।