• ই-পেপার

পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু

অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট

বিনোদন ডেস্ক
অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট
সংগৃহীত ছবি

হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিটের ব্যক্তিগত জীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘদিন ধরেই গয়না ডিজাইনার ইনেস ডি র‍্যামনের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন চলছিল। এবার একটি তারকাবহুল অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তারা।

সম্প্রতি সংগীত তারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনকে একসঙ্গে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়। ছবিগুলোতে দুজনকে বেশ স্বচ্ছন্দ ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে দেখা গেছে।

ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনের সম্পর্ক নিয়ে প্রথম গুঞ্জন ওঠে ২০২২ সালে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেলেও তারা কখনোই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। ফলে সাম্প্রতিক এই উপস্থিতিকে অনেকেই তাদের সম্পর্কের সবচেয়ে প্রকাশ্য মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

এর আগে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে ব্র্যাড পিটের সম্পর্ক ছিল হলিউডের সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের গল্পগুলোর একটি। ২০০৫ সালে প্রেমের সূচনা হওয়ার পর ২০১৪ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। তবে দুই বছর পর, ২০১৬ সালে বিচ্ছেদের আবেদন করেন জোলি। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ছয় সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর সন্তানদের অভিভাবকত্ব, সম্পত্তি এবং আইনি বিরোধ নিয়ে বছরের পর বছর আলোচনায় ছিল এই সাবেক তারকা দম্পতি।

অন্যদিকে, ইনেস ডি র‍্যামন এর আগে অভিনেতা পল ওয়েসলির স্ত্রী ছিলেন। ২০১৯ সালে তাদের বিয়ে হলেও ২০২২ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে।

প্রায় চার বছর ধরে সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গেলেও এবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ায় ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন ব্র্যাড পিট।

আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে মিশরের জয় চান নায়িকা বর্ষা

বিনোদন প্রতিবেদক
আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে মিশরের জয় চান নায়িকা বর্ষা
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত প্রিয় দলের খেলা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। তবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভিন্ন এক বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।

আজ রাত ১০টায় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিশর। ম্যাচটি ঘিরে নিজের অবস্থান জানাতে গিয়ে বর্ষা জানান, প্রিয় দল হারলেও তার কষ্ট হবে না। কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেছেন ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বর্ষা লিখেছেন, ‘আজ প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হারলেও আমার মনে কষ্ট লাগবে না। কারণ মন থেকে চাই দুনিয়ার বুকে মুসলিমদের জয় হোক; আমিন।’

May be an image of text

বর্ষার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একদল অনুসারী তার অনুভূতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। আবার অনেকে মনে করছেন, খেলাধুলার সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়কে যুক্ত করা উচিত নয় এবং এ ধরনের মন্তব্য অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকে আফিয়া নুসরাত বর্ষাকে মূলত স্বামী অনন্ত জলিল প্রযোজিত ও অভিনীত সিনেমাগুলোতেই দেখা গেছে। গত বছর তারা অভিনয়জীবন থেকে সরে গিয়ে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ঘোষণা দিলেও পরে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনেন। 

বর্তমানে হাতে থাকা চলচ্চিত্রগুলোর কাজ শেষ করার পাশাপাশি নতুন কিছু প্রকল্পেও তাদের যুক্ত হওয়ার খবর রয়েছে। শিগগিরই ‘কিল হিম ২’-এর শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

‘খেলা জীবনের চেয়ে বড় নয়’, ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যুতে অপূর্ব

বিনোদন প্রতিবেদক
‘খেলা জীবনের চেয়ে বড় নয়’, ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যুতে অপূর্ব
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায়ের পর কুষ্টিয়ায় এক তরুণের মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রিয় দলের পরাজয় এবং তা নিয়ে কটাক্ষ সহ্য করতে না পেরে ওই তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। 

ঘটনাটি জানার পর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

সোমবার (৬ জুলাই) কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রতন (২১) ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। 

পরিবারের ভাষ্য, ব্রাজিলের পরাজয়ের পর বিভিন্ন কটাক্ষে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

নিজেও ব্রাজিলের সমর্থক হওয়ায় ঘটনাটি অপূর্বকে নাড়া দিয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি খেলাকে বিনোদনের জায়গায় রাখার আহ্বান জানান এবং জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।

অপূর্ব লিখেছেন, ‘ব্রাজিল হারায় কুষ্টিয়ার একটা ছেলে সুইসাইড করেছে, রেখে গেছে দুই মাসের শিশুসন্তান। এই নিউজটা দেখে ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। আপনারা খেলাকে বিনোদন হিসেবে নিন। এখানে হার জিত থাকবেই। প্রিয় দল জিতলে ভালো লাগবে, হারলে খারাপ লাগবে। তবে সেটা জীবনের থেকে যেন বড় না হয়। কারণ দিনশেষে এটা শুধু একটা খেলা।’

খেলাকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ট্রল থাকলেও তা যেন সীমা না ছাড়ায়, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

তার কথায়, ‘ট্রল খেলার অংশ। তবে অতিরিক্ত ট্রল, অপমান বা হেয় করাটাও বন্ধ করুন। আপনার কাছে এটা মজা হতে পারে, কিন্তু অন্য কারো জন্য সেটা মানসিকভাবে অনেক কষ্টের কারণ হতে পারে।’

সবশেষে জীবনকে খেলার চেয়ে বেশি মূল্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অপূর্ব লিখেছেন, ‘একটা দল হারলে আবার জিতবে, আজ ট্রফি না পেলে সামনে আবার পাবে। কিন্তু একটা জীবন চলে গেলে সেটা আর ফিরে আসে না।’

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পরিচালক এফ আই মানিক

বিনোদন প্রতিবেদক
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পরিচালক এফ আই মানিক
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নির্মাতা এফ আই মানিক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাতে রাজধানীর বেগুনবাড়ী মোড় থেকে হাতিরঝিল গোলচক্কর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা অর্পূব রানা।

তিনি জানান, রাতে নিকেতনে নিজের বাসায় ফিরছিলেন এফ আই মানিক। বেগুনবাড়ী মোড় পার হয়ে হাতিরঝিল গোলচক্কর থেকে নিকেতন রোডে ঢোকার সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

অর্পূব রানা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে, মানিক ভাইয়ের বাম হাত ভেঙে গেছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও ক্ষত রয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’

তিনি আরো জানান, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই পরিচালকের শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানা যাবে। শরীরের অন্য কোনো হাড় ভেঙেছে কি না, সেটিও পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে এফ আই মানিক দীর্ঘ সময় ধরে সফল নির্মাতা হিসেবে কাজ করেছেন। নব্বইয়ের দশক থেকে দুই হাজার দশকের শুরুর দিকে তিনি একের পর এক দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা নির্মাণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘চাচ্চু’ এবং ‘দাদীমা’।