• ই-পেপার

১০০ হলে আসছে ‘ডেডবডি’

‘তুম্বাড় ২’-এ থাকছেন আলিয়া ভাট

বিনোদন ডেস্ক
‘তুম্বাড় ২’-এ থাকছেন আলিয়া ভাট
সংগৃহীত ছবি

বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘তুম্বাড় ২’-এ থাকছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিনেমাটির অভিনেতা ও প্রযোজক সোহম শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।

ইনস্টাগ্রামে আলিয়া ভাটের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে সোহম শাহ লিখেছেন, একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আলিয়া ভাটকে স্বাগত ‘তুম্বাড় ২’-এর জগতে। প্রলয় আসন্ন। দেখা হবে সিনেমা হলে।

আলিয়ার যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ আরো বেড়েছে। এর আগে নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, ২০২৭ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘তুম্বাড় ২’। মুক্তির তারিখ ঘোষণার আগে একটি মোশন পোস্টার এবং কয়েকটি রহস্যময় পোস্টের মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে কৌতূহল তৈরি করা হয়েছিল।

এর আগে সিনেমাটির পোস্টার প্রকাশ করে সোহম শাহ লিখেছিলেন, ‘এক পাপপূর্ণ অতীত, এক অশুভ ভবিষ্যৎ। ক্ষুধা বাড়ছে; লোভের উত্তরাধিকার অব্যাহত।’ এর মাধ্যমে সিনেমাটির অন্ধকার ও রহস্যময় জগতের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।

‘তুম্বাড় ২’ নিয়ে সোহম শাহ বলেন, ‘তুম্বাড়’ আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ একটি সিনেমা। এর দ্বিতীয় পর্বে আমরা সেই জগতকে আরো গভীর ও বড় পরিসরে তুলে ধরতে চাই। দর্শকরা প্রথম সিনেমার যে পৌরাণিক আবহ ও পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন, সেটিকে ভিত্তি করেই নতুন গল্প বলা হবে। পরিচিত অনুভূতি থাকলেও গল্প এগিয়ে নেওয়ার ধরন হবে সম্পূর্ণ নতুন।

‘তুম্বাড় ২’ পরিচালনা করছেন আদেশ প্রসাদ। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে সোহম শাহ ফিল্মস, পেন স্টুডিওসের সহযোগিতায়। পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে পেন মারুধর।

সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকীও। আলিয়া ভাট ও নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকীর যুক্ত হওয়ার কারণে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা আরো বেড়েছে।

'তুম্বাড় ২' মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ৩ ডিসেম্বর।

আমার হলো সারা, তোমার হলো শুরু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
আমার হলো সারা, তোমার হলো শুরু

অভিনয় ছেড়েছেন আগেই। রাজনীতিতে যোগ দিয়ে প্রথম সুযোগেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বনে গেছেন। কিন্তু সিনেমা তাকে এখনও ছাড়েনি। এই তিনি হলেন তামিল সুপারস্টার জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপাতি বিজয়। অনেক আলোচনা, সেন্সর জটিলতা, আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। আগামী ২৪ জুলাই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি। মুক্তির তারিখ ঘোষণার পর থেকেই ‘জন নায়াগান’ নিয়ে দর্শকদের বিপুল আগ্রহ। আগাম টিকেট ‍বিক্রিতে লাইন লেগেছে।

তবে বিজয়ের এই শেষ সিনেমার জন্য পিছিয়ে যাচ্ছে তার ছেলের প্রথম সিনেমার মুক্তি। বিজয়ের একমাত্র ছেলে জেসন সঞ্জয় তার সিনেমা ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন পরিচালনা দিয়ে। তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল আগামী ৩১ জুলাই। কিন্তু বাবার শেষ ছবির বিপুল প্রচারে আড়ালে পড়ে যেতে পারে ছেলের প্রথম পরিচালিত ছবি। তাই সিগমার মুক্তি আগস্টে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাবার শেষ ছবি, ছেলের প্রথম ছবি! এ যেন রিলে রেসের ব্যাটন হস্তান্তর। সিনেমার পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা।

চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম, বাবা সুপারস্টার; তবে জেসন সঞ্জয় হুট করে পরিচালনায় আসেননি। নিজেকে স্টার কিড হিসেবে গড়ে তোলেননি জেসন। বরং বাবা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের নাম থেকে বাবার নামের আদ্যাক্ষর ‘ভি’ সরিয়ে মায়ের নামের আদ্যাক্ষর ‘এস’ যুক্ত করেছেন। জেসন পরিচিত হতে চান নিজের যোগ্যতায়, নিজের কাজ দিয়ে। 

জেসন কানাডার টরন্টো ফিল্ম স্কুল থেকে ফিল্ম মেকিংয়ের ওপর ডিপ্লোমা করেছেন। এরপর লন্ডনের সেন্ট্রাল ফিল্ম স্কুল থেকে চিত্রনাট্য লেখার ওপর স্নাতক ডিগ্রি নেন। তার মানে বুঝে শুনে আটঘাট বেঁধেই মাঠে নেমেছেন জেসন।

জেসনের প্রথম সিনেমা সিগমা মূলত একটি হাই-এনার্জি অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার এবং ক্রাইম-কমেডি ধাঁচের ড্রামা। জেসন সঞ্জয়ের ভাষ্যমতে, সিনেমাটি সমাজের বেঁধে দেওয়া নিয়ম ভেঙে নিজের পথ নিজে বেছে নেওয়া এক নিঃসঙ্গ নেকড়ে বা ‘সিগমা মেল’এর চেতনাকে উদযাপন করে।

ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রোডাকশন হাউস লাইকা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিগমা প্রযোজনা করেছেন জিকেএম তামিল কুমারন। এই হাউস থেকেই অভিনয়েও অভিষেক হতে পারে জেসনের। এখন চলছে চিত্রনাট্য খোঁজার পালা।

সিগমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ, তার বিপরীতে আছেন ফারিয়া আবদুল্লাহ। এছাড়া রাজু সুন্দরম, সম্পথ রাজ, শিব পণ্ডিত, আনবু থাসান, যোগ জাপি, শীলা রাজকুমারসহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন এস থামান, ক্যামেরায় ছিলেন কৃষ্ণন বসন্ত। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হয়ে তামিলনাড়ু এবং থাইল্যান্ডের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে শ্যুটিং শেষে তৈরি হয় সিগমা।

জেসনের সঙ্গে কাজ করার চমৎকার অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন তার টিমের সদস্যরা। সুপারহিট ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ এর সিনেমাটোগ্রাফার কৃষ্ণন বসন্ত বলেছেন, ‘জেসন অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ। ফিল্মি পরিবার থেকে এলেও তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করার পেছনে শ্রম দিয়েছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল একদম নিখুঁত এবং মনেই হয়নি যে আমি কোনো প্রথম পরিচালকের সঙ্গে কাজ করছি।’

অভিনেতা সন্দীপ কিষাণও তার পরিচালক জেসন সঞ্জয়ের প্রশংসা করে তাকে ‘অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রমী’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ’তার থেকে ধৈর্যশীল হওয়ার অনেক কিছু শেখার আছে, যা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। ২৫ বছর বয়সী একজন মানুষের জন্য পরিচালনা করার সময় এতটা ধৈর্যশীল, শান্ত এবং নিজের চাওয়া সম্পর্কে স্পষ্ট থাকাটা সত্যিই চমৎকার ছিল। বর্তমান প্রজন্ম চলচ্চিত্রের গল্প বলার ধরনকে কীভাবে দেখে, এটি ছিল তারই একটি উদাহরণ।’

স্যাম নিলের বিদায়, প্রিয় অভিনেতাকে স্মরণ করছে ‘জুরাসিক পার্ক’ পরিবার

স্যাম নিলের বিদায়, প্রিয় অভিনেতাকে স্মরণ করছে ‘জুরাসিক পার্ক’ পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
স্যাম নিলের বিদায়, প্রিয় অভিনেতাকে স্মরণ করছে ‘জুরাসিক পার্ক’ পরিবার
‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমার কয়েকটি দৃশ্য

কালজয়ী অভিনেতা স্যাম নিলের আকস্মিক প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে এখনো কাটেনি শোকের রেশ। সিডনিতে ৭৮ বছর বয়সে তার মারা যাওয়ার পর হলিউড থেকে শুরু করে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিনোদন জগৎ এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা এই মহান অভিনেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছেন। ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জুরাসিক পার্ক’-এ স্যাম নিলের সহ-অভিনেতা, অভিনেত্রীরা তাদের প্রিয় ‘ডক্টর অ্যালান গ্রান্ট’-কে স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন।

পর্দায় তার সহ-অভিনেত্রী লরা ডার্ন বলেন, ‘তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের ও মহৎ ভদ্রলোক, আমার স্বপ্নের নায়কের প্রতিচ্ছবি। আমি আপনাকে চিরকাল ভালোবাসব, ডক্টর অ্যালান গ্রান্ট।’ সহ-অভিনেতা জেফ গোল্ডব্লাম স্যাম নিলের সঙ্গে একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তোমার পরবর্তী মহান অভিযান শুরু হলো। ভালোবাসা, সর্বদা এবং চিরকাল।’ সিনেমার পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ বলেন, ‘স্যাম ছিলেন অসম্ভব রকমের সহযোগী একজন মানুষ। আমাদের জুরাসিক পরিবার এবং তার কোটি কোটি ভক্ত তাকে কখনো ভুলবে না।’

স্যাম নিল ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির সঙ্গে লড়াই করেও জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বজায় রেখেছিলেন। ২০২৩ সালে রক্তে ক্যান্সার (নন-হজকিন্স লিম্ফোমা) ধরা পড়ার পর তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যুর সময় তিনি সম্পূর্ণ ক্যান্সারমুক্ত ছিলেন। নিজের আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি মরতে ভয় পাই না। আমি যা করতে চাই না তা হলো- জীবনযাপন বন্ধ করা, কারণ আমি বাঁচতে সত্যিই ভালোবাসি।’

উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া স্যাম নিল শৈশবেই নিউজিল্যান্ডে চলে যান। পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে তিনি ১৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। ‘জুরাসিক পার্ক’ ছাড়াও ‘দ্য পিয়ানো’, ‘দ্য হান্ট ফর রেড অক্টোবর’ ও জনপ্রিয় বিবিসি সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এ তার অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কেটে থাকবে। অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে নিউজিল্যান্ডের নাম উজ্জ্বল করায় ২০২২ সালে তিনি নাইটহুড (স্যার) উপাধিতে ভূষিত হন।নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন লিখেছেন, ‘আমরা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক রত্নকে হারালাম।’ বিদায়কালে স্যাম নিল তার চার সন্তান ও আট নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।

‘ডিগার’ সিনেমার ট্রেলারে অচেনা লুকে টম ক্রুজ

অনলাইন ডেস্ক
‘ডিগার’ সিনেমার ট্রেলারে অচেনা লুকে টম ক্রুজ

অস্কারজয়ী পরিচালক আলেহান্দ্রো গঞ্জালেজ ইনারিতুর বহু প্রতীক্ষিত নতুন সিনেমা ‘ডিগার’-এর প্রথম ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। এই সিনেমার মাধ্যমে হলিউড তারকা টম ক্রুজকে পর্দায় একেবারে নতুন ও অচেনা এক লুকে দেখা গেছে। ট্রেলারে ধূসর রঙের আঁচড়ানো চুল, ভুঁড়ি ও আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের টানে কথা বলতে দেখা গেছে এই অভিনেতাকে। আগামী অক্টোবর মাসের শুরুতে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

কমেডি-ড্রামা ঘরানার এই সিনেমায় টম ক্রুজ অভিনয় করেছেন ‘ডিগার রকওয়েল’ নামের এক তেল ব্যবসায়ীর চরিত্রে। নিজের তেল কম্পানির কারণে পৃথিবীতে একটি বড় পরিবেশগত বিপর্যয় নেমে আসে। এই মহাবিপর্যয় থেকে বিশ্বকে বাঁচাতে নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ’ দাবি করে এক মরিয়া অভিযানে নামেন তিনি। লস অ্যাঞ্জেলেসে এক অনুষ্ঠানে টম ক্রুজ বলেন, ‘এটি আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ। দর্শকরা পর্দায় একেবারে নতুন কিছু দেখতে পাবেন।’ সিনেমায় টম ক্রুজের সঙ্গে আরো অভিনয় করেছেন জন গুডম্যান, রিজ আহমেদ ও জেসি প্লেমন্সের মতো একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা।

২০১৫ সালে অস্কারজয়ী ছবি ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ বানানোর পরই পরিচালক ইনারিতুর মাথায় এই সিনেমার মূল ভাবনা আসে। তবে গল্পটি বলার সঠিক উপায় খুঁজে বের করতে এবং সিনেমাটি পর্দায় আনতে তার প্রায় ১০ বছর সময় লেগেছে। সিনেমাটির আরেকটি বিশেষত্ব হলো—এটি ১৯৫০-এর দশকের জনপ্রিয় অ্যানালগ হাই-ডেফিনিশন প্রযুক্তি ‘ভিস্তাভিশন’-এ ধারণ করা হয়েছে, যা দর্শকদের বড় পর্দায় ভিন্নধর্মী এক সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা দেবে।

১০০ হলে আসছে ‘ডেডবডি’ | কালের কণ্ঠ