• ই-পেপার

ব্র্যাড পিটকে চুমু খেতে দৃশ্য বদলে ফেললেন অভিনেত্রী!

বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়?

অনলাইন ডেস্ক
বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়?

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) পরাজয়ে রাজনৈতিক উথালপাতাল চলছে। হারের পর টিএমসিতে বিদ্রোহ, পদত্যাগ এবং দলত্যাগের খবর প্রায় শিরোনাম হচ্ছে। এরই মাঝে টলিউডে জোর গুঞ্জন, শাসকদল বিজেপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন ‘পদ্মশ্রী’ পদক পাওয়া টলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ও নির্মাতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি। 

দু’দিন আগেই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সফরে এসে প্রসেনজিতের বাড়িতে গিয়েছিলেন। যদিও সেদিন বেশিক্ষণ থাকেননি অমিত শাহ। 

তবে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করতে ‘নবান্নে’ হাজির হয়েছেন এই অভিনেতা। তার এই উপস্থিতি নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি গেরুয়া শিবিরের যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ? এমন গুঞ্জন জোরালো হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন সমস্যায় গুরুদায়িত্ব পালন করলেও সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে কখনো দেখা যায়নি তাকে। হঠাৎ তার বিজেপির শীর্ষ মহলের সঙ্গে বৈঠকে সব হিসাব পাল্টে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টিএমসির লোকসভার সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক পদত্যাগ করায় যে আসনগুলো খালি হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই তার ভোট। সেখানেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে পাঠাতে পারে ক্ষমতাসীনরা। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এদিকে ‘পদ্মশ্রী’ পদক পাওয়ার পর থেকে এই টালি তারকার সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের যোগাযোগ বেড়েছে। সেই আবহেই তার রাজনীতিতে আগমন নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠেছে।

এর আগে, ৪ মে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন ৯ মে। ওইদিন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি। 

কিংবদন্তি গায়িকা বনি টাইলার আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
কিংবদন্তি গায়িকা বনি টাইলার আর নেই
সংগৃহীত ছবি

‘টোটাল ইক্লিপস অব দ্য হার্ট’খ্যাত কিংবদন্তি ব্রিটিশ গায়িকা বনি টাইলার না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। ৭৫ বছর বয়য় এই গায়িকা মঙ্গলবার পর্তুগালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের বরাতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, পর্তুগালের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন বর্ষীয়ান এই সংগীতশিল্পী। মূলত অন্ত্রের জরুরি অস্ত্রোপচারের পর থেকে কোমায় ছিলেন এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৮০-এর দশকের বিশ্বজোড়া জনপ্রিয় গান ‘টোটাল ইক্লিপস অব দ্য হার্ট’-এর জন্য সর্বাধিক পরিচিত বনি টাইলার। তার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর এবং ‘হোল্ডিং আউট ফর আ হিরো’ ও ‘ইটস আ হার্টেক’-এর মতো বিখ্যাত সব গানের জন্য বিশ্বজুড়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সংগীতজগতে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ২০২২ সালে এমবিই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছিল। 

জানা গেছে, বনি টাইলারের মৃত্যুর মূল কারণ ছিল অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাওয়া এবং অন্ত্রের গুরুতর জটিলতা; যার কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যা জটিল আকার ধারণ করে।

পর্তুগালের আলগার্ভেতে নিজের বাড়িতে থাকাকালীন তিনি তীব্র পেটে ব্যথা অনুভব করেন। ফলে গত মে মাসের শুরুতে তাকে পর্তুগালের ফারো শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায় তার অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গেছে এবং অন্ত্র ছিদ্র হয়ে গেছে।

চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে তার অন্ত্রে জীবন রক্ষাকারী অস্ত্রোপচার করে। তারপরই তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসকেরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এরপর তার শরীরে মারাত্মক ইনফেকশন বা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। 

শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় এবং তার শরীরকে সুস্থ হতে সাহায্য করতে চিকিৎসকরা তাকে কৃত্রিম উপায়ে কোমায় পাঠান।

গত জুন মাসের মাঝামাঝিতে তিনি কোমা থেকে ফিরে এলেও অত্যন্ত দুর্বল ও অসুস্থ ছিলেন এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, এই অসুস্থতার জটিলতার কারণেই হাসপাতালের বিছানায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৫১ সালের ৮ জুন যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে গেইনর হপকিন্স নামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। একটি শ্রমজীবী পরিবারে বেড়ে ওঠা টাইলারের জীবনে ছোটবেলা থেকেই সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে স্থানীয় ক্লাবগুলোতে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৬৯ সালে একটি স্থানীয় প্রতিভা প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হওয়ার পর পেশাদার সংগীতশিল্পী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি বনি টাইলার নাম গ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ‘লস্ট ইন ফ্রান্স’ গানটি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তাকে প্রথম বড় সাফল্য এনে দেয়। এরপর ‘ইটস আ হার্টেক’ গানটির মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক তারকাখ্যাতি লাভ করেন।

বনি টাইলারের কর্কশ ও গভীর কণ্ঠ ছিল তার সবচেয়ে বড় স্বাতন্ত্র্য। ১৯৭৭ সালে স্বরযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়ায় তার কণ্ঠে স্থায়ী পরিবর্তন আসে। পরবর্তীতে সেই স্বতন্ত্র কণ্ঠই তার পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে এবং বিশ্বসংগীতে তাকে অনন্য মর্যাদা এনে দেয়।

শাহরুখের ‘কিং’ সিনেমার শুটিং কি শেষ?

বিনোদন ডেস্ক
শাহরুখের ‘কিং’ সিনেমার শুটিং কি শেষ?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কিং’ নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে কি না।

এখন পর্যন্ত ‘কিং’-এর শুটিং শেষ হয়নি। বর্তমানে ছবির শুটিং পুরোদমে চলছে। নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১৫০ দিন ধরে বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হবে এবং আগামী আগস্ট মাসে এর শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ।

এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে শাহরুখ খান ও তার মেয়ে সুহানা খানকে। তাই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও অনেক বেশি।

পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের এই সিনেমার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৪৫০ কোটি রুপি বলে জানা গেছে। তবে এই বাজেটের মধ্যে প্রচার-প্রচারণার খরচ এবং শাহরুখ খানের পারিশ্রমিক ধরা হয়নি।

নির্মাতারা জানিয়েছেন, ‘কিং’-এ থাকবে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকশন দৃশ্য এবং উন্নত ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (ভিএফএক্স)। ভিএফএক্সের কাজ করছে শাহরুখ খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।

এটি সুহানা খানের প্রথম বড় পর্দার সিনেমা হওয়ায় নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শাহরুখ। সিনেমাটি শুরুতে ছোট পরিসরে পরিকল্পনা করা হলেও পরে আরো বড় আকারে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘কিং’ শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় বাজেটের সিনেমা। এর আগে ‘জাওয়ান’ সিনেমার বাজেট ছিল প্রায় ৪০০ কোটি রুপি এবং ‘পাঠান’-এর বাজেট ছিল প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি।

সিনেমাটিতে শাহরুখ ও সুহানা ছাড়াও অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, রানি মুখার্জি, অনিল কাপুর, জ্যাকি শ্রফ এবং খরাজ মুখার্জি। সংগীত পরিচালনা করছেন সচিন-জিগর।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন?

বিনোদন ডেস্ক
অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন?
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সিঙ্গাপুরে নাকি গোপনে বিয়ে করেছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি এই অভিনেত্রী।

গুঞ্জনের মধ্যেই একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা।

তিনি জানান, অপু বিশ্বাসের বিয়ের খবর তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই জেনেছেন। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

গৌতম সাহা বলেন, ‘খবরটি সত্য হলে তিনি অপু বিশ্বাসকে শুভেচ্ছা জানাবেন। আর যদি এটি শুধুই গুঞ্জন হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।’

তার মতে, অপু বিশ্বাস নিজের যোগ্যতা, আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তা দিয়ে জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি আরো দাবি করেন, শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপু বিশ্বাস মানসিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। সে সময় তিনি অভিনেত্রীর পাশে ছিলেন এবং নিয়মিত কথা বলে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহ দিয়েছেন।

তবে এক পর্যায়ে তৃতীয় একজনের হস্তক্ষেপে তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় বলেও দাবি করেন গৌতম সাহা। যদিও সেই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি। বর্তমানে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার আগের মতো যোগাযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রীর কোরিওগ্রাফার মাহফুজ কাদরী।

তিনি বলেন, ‘গৌতম সাহা অনেক বছর ধরেই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করছেন না। এমন একটি বিষয়ে মন্তব্য না করাই তার জন্য ভালো হতো। কারণ, তিনি অপু বিশ্বাসের বর্তমান ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অবগত নন।’

মাহফুজ কাদরী আরো বলেন, কাজের প্রয়োজনে অপু বিশ্বাসকে প্রায়ই দেশের বাইরে যেতে হয়। ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে কোথাও ভ্রমণে গেলে সেটিও শাকিব খান ও তার পরিবারের জানা থাকে।

তার কথায়, ‘অপু বিশ্বাস এখন পুরোপুরি ছেলে জয় এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই ব্যস্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে অপু বিশ্বাস নিজেই সবার সঙ্গে বিষয়টি ভাগ করে নেবেন।’

এদিকে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত অপু বিশ্বাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

ব্র্যাড পিটকে চুমু খেতে দৃশ্য বদলে ফেললেন অভিনেত্রী! | কালের কণ্ঠ