• ই-পেপার

হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

শেওড়াপাড়ায় বাসের ধাক্কায় রাইড শেয়ার চালকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেওড়াপাড়ায় বাসের ধাক্কায় রাইড শেয়ার চালকের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন শেওড়াপাড়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় সবুজ রহমান (৩০) নামের এক মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সবুজ নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার নাটাবাড়ী গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সবুজকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী সজিব খান জানান, রাতে তিনি অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে শেওড়াপাড়ায় নেমে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। সে সময় তিনি দেখতে পান স্থানীয় লোকজনের একটি জটলা। কাছে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত এক ব্যক্তিকে সিএনজিতে তুলে রাখা হয়েছে।

সজিব জানান, সবুজ মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিংয়ের কাজ করতেন। শেওড়াপাড়া রোড দিয়ে যাওয়ার সময় ‘হিমালয় পরিবহন’-এর একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে বাসের চাকা তার হাতের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং মাথায় থাকা হেলমেটটি ভেঙে যায়। তবে এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা যাত্রী তেমন কোনো আঘাত পাননি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শেরেবাংলানগর থানাকে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে এবং এর চালক ও হেলপারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ, নিভে গেল দগ্ধ ফাহিমারও জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ, নিভে গেল দগ্ধ ফাহিমারও জীবন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহিমা আক্তার (২১) নামের আরো একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনেরই মৃত্যু হলো।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, ফাহিমার শ্বাসনালিসহ শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যু হয়।

এর আগে একই দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে মারা যান ফাহিমার স্বামী আনোয়ার হোসেন শাহীন (২৫) এবং তার আট বছর বয়সী ভাগনি হাফসা আক্তার।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ভাটারা থানার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাড়ির নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরে থাকা একই পরিবারের তিনজনই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

নিহত আনোয়ারের বড় ভাই সোহেল জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায়। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার ছিলেন সবার ছোট। তিনি একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। ছয় মাস আগে ফাহিমাকে বিয়ে করে ভাটারার ওই বাসায় ভাড়া থাকতে শুরু করেন। দুর্ঘটনার কিছুদিন আগেই তাদের ভাগনি হাফসা বেড়াতে এসেছিল।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ডিএমপির ১৭৪৪ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ডিএমপির ১৭৪৪ মামলা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭৪৪টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। একই সঙ্গে ৫০৪টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ২৬৫টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮৬টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪৩টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৯৫টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৮৭টি মামলা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২১২টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৮২টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৫০টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৮৯টি মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযানে বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানীতে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ট্রাফিক আইন কার্যকর করতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দেশের ২০ শতাংশের বেশি এলাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা ভালো না : ডিএনসিসি প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক
দেশের ২০ শতাংশের বেশি এলাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা ভালো না : ডিএনসিসি প্রশাসক
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশে ২০ শতাংশের বেশি এলাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা ভালো না। দীর্ঘ ১৮ বছরের অব্যবস্থাপনাকে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে।

আজ রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে আশকোনা হাজী ক্যাম্পের পেছনের এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সংস্কার কাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি সব রাস্তার কাজ একসঙ্গে না ধরার আহবান করেন এবং ঠিকাদারদের রাস্তার উন্নয়নকাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

উন্নয়নকাজ চলাকালে দুর্ভোগ কমাতে সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথাও জানান উত্তরের প্রশাসক।