• ই-পেপার

ডিএনসিসির সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

বাথরুমে সিগারেট ধরাতেই বিস্ফোরণ, দগ্ধ যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাথরুমে সিগারেট ধরাতেই বিস্ফোরণ, দগ্ধ যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর বংশালে বাথরুমে সিগারেট ধরানোর সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ দ্বীন ইসলাম সিয়াম (২০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঢামেক হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

গত ১২ জুলাই রাত ১টার দিকে বংশালের নাজিমউদ্দীন রোডে ভিকটিমের ঘরের বাথরুমে ঘটনাটি ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বংশাল থানার এসআই আবুল হোসেন বলেন, দ্বীন ইসলাম তার নিজ বাসায় বাথরুমে সিগারেট ধরানোর সময় বিস্ফোরণে আগুন লেগে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতারে তার মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

তিনি বলেন, বাথরুমে আগে থেকে কোনোভাবে গ্যাস ছিল। সেখানে গ্যাসলাইট জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হলে তিনি দগ্ধ হয়েছেন বলে স্বজনদের ধারণা।

শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের সেই ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের সেই ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে স্পিডবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ডুবুরি মো. সাদিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৩ মিনিটে তার মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আজ সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জ ফায়ার ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে স্পিডবোটের রক্ষণাবেক্ষণ ও কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চলাকালে ডুবুরি মো. সাদিক নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), বাংলাদেশ নৌবাহিনী (নেভি) এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়।

দিনভর যৌথ অভিযান চালানোর পর সন্ধ্যা ৭টা ৩ মিনিটে আরিচা স্থল-কাম নদী ফায়ার স্টেশন, মানিকগঞ্জে (সংযুক্ত টঙ্গী ফায়ার স্টেশন) কর্মরত ডুবুরি মেরাজ আলী নিখোঁজ সাদিককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

এর আগে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছিল, মো. সাদিকের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার কুমরাকান্দি গ্রামে। তিনি ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগ দেন এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনে ডুবুরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় তিনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও অর্জন করেছিলেন।

দাম্পত্য কলহ

তুরাগে আছাড় মেরে শিশুকন্যাকে হত্যা, বাবা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগে আছাড় মেরে শিশুকন্যাকে হত্যা, বাবা গ্রেপ্তার
নিহত রাফামণি।

তুরাগে দাম্পত্য কলহে সাত মাসের শিশুকন্যা রাফা মনিকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগে বাবা কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় কামারপাড়া সিরাজ মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাফাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পর দিন বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় রাফার মৃত্যু হয়। 

কবির হোসেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তুরাগের কামারপাড়ায় বসবাস করেন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে তুরাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. মেহেদী হাসান ফয়সাল বলেন, শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।এ ঘটনায় শিশুটির বাবা কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তিনি জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে বাবা তার একমাত্র কন্যাসন্তান রাফামণিকে হত্যা করেছেন। 

নিহতের মা লিমা বেগম বলেন, ‘বুধবার বিকেলে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে আমাকে মারধর করলে আমি সন্তানকে নিয়ে আমার বাবার বাড়ি চলে যাই। পরে সন্ধ্যায় তিনি (কবির হোসেন) আমাদের বাসা আসেন। পরে তার সাথে বাসায় যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে এসব নিয়ে রাস্তায় কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় তিনি রাফামণিকে আমার কোল থেকে নিয়ে আছাড় মেরে ফেলে দেন।’

নিহত রাফার নানি বলেন, ‘কবির পেশায় রিকশাচালক। নেশা করত। ঠিকমতো কাজ করত না। বিভিন্ন অজুহাতে আমার মেয়েকে মারধর করত। সংসারে অভাব-অনটন লেগে থাকত।’

ঢাকায় বর্ণাঢ্য রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বর্ণাঢ্য রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল
সংগৃহীত ছবি

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব পালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বিপুলসংখ্যক ভক্তের অংশগ্রহণে রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রম থেকে রথযাত্রা শুরু হয়।

রথযাত্রা স্বামীবাগ আশ্রম থেকে শুরু হয়ে জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলা মোড়, পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, হাইকোর্ট, রমনা কালীমন্দির অভ্যর্থনা, দোয়েল চত্বর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জগন্নাথ হল, পলাশী মোড় হয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে পৌঁছাবে।

এতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঢল নামে। রথ থেকে প্রসাদস্বরূপ ভক্তদের বিভিন্ন ফলমূল বিতরণ করা হয়। এর আগে আলোচনা অনুষ্ঠান, হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় ‘অগ্নিহোত্র যজ্ঞ’ করা হয়।

প্রতিবারের মতো এবারও ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাসনেস (ইসকন) এই রথযাত্রার আয়োজন করে। নানা আয়োজনে ৯ দিনব্যাপী শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব পালিত হবে।

উদযাপনের নবম দিন ২৪ জুলাই (শুক্রবার) উল্টোরথ যাত্রা শুরু হবে। ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে একই পথে পুনরায় ইসকনের স্বামীবাগ আশ্রমে রথযাত্রার সমাপ্তি ঘটবে।

মাঝের দিনগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত স্বামীবাগ আশ্রমে বিভিন্ন ধরনের আচার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে- মহাপ্রসাদ বিতরণ, জগন্নাথ লীলামৃত, শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত পাঠ, কীর্তন মেলা, পদাবলী কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ, ধর্মীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও ধর্মীয় নাটক মঞ্চায়নসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

এদিকে রথযাত্রা উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়া শোভাযাত্রাসহ উৎসব উপলক্ষে নিরাপত্তায় ইসকনের পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন।