• ই-পেপার

সদস্যদের সুরক্ষায় বিজেসির উদ্যোগ

স্বাস্থ্য বীমার চেক পেলেন ১৮ সাংবাদিক

স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিতে প্যাকেটের সামনে সতর্কবার্তার দাবি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিতে প্যাকেটের সামনে সতর্কবার্তার দাবি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের
রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এফওপিএল বিষয়ক গণমাধ্যম প্রচারাভিযান শীর্ষক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি কর্মশালায় অতিথিরা।

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভোক্তার তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে দ্রুত ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ ও গণমাধ্যমকর্মীরা। একই সঙ্গে এসডিজি ৩.৪ অর্জনে গণমাধ্যমকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানানো হয়।

রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আয়োজনে ‘বাংলাদেশে প্যাকেটজাত খাদ্যের সামনের অংশে লেবেলিং (এফওপিএল) বিষয়ক গণমাধ্যম প্রচারাভিযান’ শীর্ষক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি কর্মশালায় বক্তারা এ আহ্বান জানান। 

বক্তারা বলেন, ‘বর্তমানে প্যাকেটজাত খাদ্যের পুষ্টিগত তথ্য সাধারণ ভোক্তার জন্য সহজে বোঝা যায় না। ফলে অনেকেই অজান্তেই অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করছেন। প্যাকেটের সামনের অংশে সহজ ও স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকলে স্বাস্থ্যকর খাদ্য বেছে নেওয়া সহজ হবে।’

কর্মশালায় বক্তারা জানান, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এফওপিএল কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বাংলাদেশেও এটি চালু হলে ভোক্তারা সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও আরো স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমবে।

বক্তারা আরো বলেন, ‘বর্তমানে প্রস্তাবিত এফওপিএল বিধিমালার খসড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনাধীন রয়েছে। নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্ত করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে প্রমাণভিত্তিক সংবাদ ও ধারাবাহিক গণমাধ্যম প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।’

কর্মশালার শেষে বাংলাদেশে কার্যকর এফওপিএল বাস্তবায়নে ইতিবাচক জনমত গড়ে তোলা এবং নীতিমালা প্রণয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে গণমাধ্যম, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গ্রহণের কারণে আগামীকাল বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উত্তরার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া। এ সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করে আলটিমেটাম দেন। পরে বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সড়ক থেকে সরে যান তারা।

এদিকে একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস এলাকায় বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। এখন মুখোমুখি অবস্থানে আছে দুই পক্ষ। ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত থেকে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে পুলিশও অবস্থান করছে। পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে এক পাশে আছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও।

এর আগে টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে গতকাল সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় এক ঘণ্টা অবরোধ করেন। পরে তারা টিএসসি হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যান। ভিসি চত্বরের সামনে দুপুর সোয়া ১টার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এর পরই শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত থেকে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নেন।

রাজধানীর একাধিক স্থানে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর একাধিক স্থানে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়সহ একাধিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার এবং সায়েন্সল্যাব মোড়ে পরীক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভ থেকে তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গ্রহণের কারণে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভোগান্তির কারণে তারা এ দাবি তোলেন।

ঢাকার বাইরে রাজশাহী, বরিশাল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম বোর্ডের সামনেও অবরোধ ও বিক্ষোভ করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুল এবং প্রশ্নের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যদিও গতকাল সোমবার রাতে বোর্ড এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চলমান এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কোনো ভুল থাকলে পুরো নম্বর দেওয়া হবে।

এতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ওঠা অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পর্যালোচনায় যদি সংশ্লিষ্ট কোনো প্রশ্নে ত্রুটি বা অসংগতি প্রমাণিত হয়, তবে প্রচলিত মূল্যায়ন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের প্রধান তিনটি দাবি হলো—পরীক্ষা নেওয়ার উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নের ভুলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করা। এসব দাবি মেনে না নেওয়া হলে তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

এআই ক্যামেরার পর ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি

বাসস
এআই ক্যামেরার পর ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরো জোরদার করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বর্তমানে ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার সঙ্গে তুলনামূলক কম খরচের ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমা বলেন, ‘ডিএমপি আশা করছে, এসব ক্যামেরার মাধ্যমে কম খরচে রাজধানীর আরো বেশি এলাকায় নজরদারির আওতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন আরো কার্যকর হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

ভবিষ্যতে যানজট নিরসনে নতুন কোনো প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাফিকের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সে দিকটি নিয়েই কাজ করছি। ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ নামে একটি নতুন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। বর্তমানে এআই প্রযুক্তির যে ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলো কার্যকর হলেও তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। কিন্তু ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের জন্য খুব দ্রুত আমাদের নজরদারির আওতা বাড়ানো প্রয়োজন। সে কারণেই আমরা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ নামে নতুন ধরনের ক্যামেরা নিয়ে আসছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এসব ক্যামেরার দাম তুলনামূলকভাবে কম হলেও আমাদের উদ্দেশ্য পূরণে কার্যকর হবে। এসব ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো গেলে আশা করি, ট্রাফিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করতে ভবিষ্যতে নতুন পদ্ধতি গ্রহণের পরিকল্পনা সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি সবসময়ই নগরবাসীর প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। কারণ আমাদের এআই ক্যামেরার এই নতুন পথচলা মাত্র দুই মাসের হলেও ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নগরবাসী এতটা দৃশ্যমান সহযোগিতা করবেন, শুরুতে তা আশা করিনি। তারা ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন, সিগন্যাল অনুসরণ করছেন এবং আধুনিক উদ্যোগগুলোর প্রশংসাও করছেন। এর অর্থ, কাউকে জোর করে আইন মানানো হচ্ছে না। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিয়ম মেনে চলছেন।’

মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ মিশ্র যানবাহন। এ শহরে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন একসঙ্গে চলাচল করে। অটোরিকশা এখন আরেকটি বড় সমস্যা। বর্তমানে এটি সবার জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ যানবাহনের ওপর চালকের কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। অন্যদিকে, একটি শহরের যানবাহন ধারণক্ষমতার নির্দিষ্ট সীমা থাকে। কিন্তু এই মহানগরে যানবাহনের সংখ্যা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে। এটি কোথায় গিয়ে থামবে, সেটিও বলা কঠিন।’

এ ছাড়া রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক আনফিট গাড়ি চলাচল করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এই মেগাসিটির জন্য এখনো উন্নত কোনো গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ভালো গণপরিবহন ব্যবস্থা না থাকলে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত কখনোই সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।’

আনিছুর রহমান বলেন, ‘পথচারীদের চলাচলের ধরনও সমস্যা সৃষ্টি করছে। প্রায়ই দেখা যায়, অনেকে যত্রতত্র রাস্তা পারাপার করেন। তাদের নিয়মের মধ্যে আনা কঠিন। আমরা এখন কিছু জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করেছি। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, একটি গাড়ি হয়তো এক মিনিট ২০ সেকেন্ডের জন্য সবুজ সংকেত পেয়েছে, অথচ এই স্বল্প সময়ের জন্যও পথচারীরা অপেক্ষা করতে চান না। তারা হাত তুলে রাস্তা পার হতে শুরু করেন।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়েই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শুধু গাড়ির চালক, মালিক বা ট্রাফিক পুলিশের ওপর নির্ভর করে না। এর বড় একটি অংশ নির্ভর করে সড়ক ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে পথচারীদের মানসিকতা ও আচরণগত অভ্যাসের ওপর। আমাদের বাস্তবতায় সেই পরিবর্তন এখনো পুরোপুরি আসেনি।’

এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তাই ঢাকা মহানগরীর কোথায়, কখন যানজট বেশি হয়, সে বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। কোথাও পিক আওয়ার, আবার কোথাও অফ-পিক আওয়ার থাকে। সে অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। এলাকা ও যানজটের মাত্রা বিবেচনায় কোথাও কম, কোথাও বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।’

তিনি বলেন, ‘রাজধানীর প্রায় ২৫টি পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। কারণ সেখানে সার্বক্ষণিক যানবাহনের চাপ থাকে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকেও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শুধু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন এভাবে কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়।’