• ই-পেপার

ইসকনের মতবিনিময়

জগন্নাথদেবের রথযাত্রা বৃহস্পতিবার

ঢাকার বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ ছাড়া বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা হালকা বাড়তে পারে। 

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। 

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।

১৬ জুলাই ঢাকায় ‘নিউজিল্যান্ড এডুকেশন এক্সপো’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ জুলাই ঢাকায় ‘নিউজিল্যান্ড এডুকেশন এক্সপো’

উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী ১৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে ‘নিউজিল্যান্ড এডুকেশন এক্সপো ২০২৬’। প্রথমবারের মতো এ আয়োজন করছে নিউজিল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার, ঢাকা।

রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শিল্পী রানী দাস। এ সময় বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার জুনায়েদ জামানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এক্সপোতে নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ, ভর্তি ও ভিসা-সংক্রান্ত পরামর্শ, কোর্স নির্বাচন, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার পর্যন্ত স্কলারশিপ বিষয়ে তথ্য জানার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া স্বামী/স্ত্রী ও সন্তানসহ আবেদন, ভিসা প্রত্যাখ্যাত আবেদন পুনর্মূল্যায়ন এবং উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হবে।

ফাউন্ডেশন, ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও মাস্টার্স পর্যায়ে পড়তে আগ্রহীদের জন্য এক্সপোটি উন্মুক্ত থাকবে। ১৬ জুলাই সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে।

বন্যায় কোনো মানুষ খাবারের অভাবে কষ্ট পাবে না : ডিসি ফরিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যায় কোনো মানুষ খাবারের অভাবে কষ্ট পাবে না : ডিসি ফরিদা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বন্যা পরিস্থিতিতে কোনো মানুষ যেন খাদ্যের অভাবে কষ্ট না পায়, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর ভাষানটেক এলাকার ধামালকোট উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘একটি মানুষকেও ক্ষুধার অভাবে মরতে দেওয়া যাবে না। সরকার বন্যাকবলিত মানুষের পাশে রয়েছে। যাদের প্রয়োজন, তাদের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের সব কর্মকর্তা নিরলসভাবে কাজ করছেন।’

তিনি বলেন, ‘বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। কোনো এলাকায় ত্রাণের সংকট বা সহায়তা বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফরিদা খানম আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে চান। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, নিরাপদ সুপেয় পানি, স্যানিটেশন এবং শিশু, নারী ও বয়স্কদের বিশেষ প্রয়োজনের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রাখা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা, স্যানিটেশন ও শিশু খাদ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো দুর্গত পরিবার যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।’