বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অস্ট্রেলিয়া এখন উচ্চ শিক্ষার অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বহু বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় স্কলারশিপের কারণে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দেশটিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করছেন।
অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার এসব সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দিতে আগামী ১ আগস্ট রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’।
বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ ভিসা সফলতা অর্জনকারী এডুকেশন কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোড এ এক্সপোর আয়োজন করছে।
সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই এক্সপোতে অস্ট্রেলিয়ার ৩০টিরও বেশি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এর মধ্যে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাককুয়ারি, অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
এক্সপোতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে ভর্তি প্রক্রিয়া, কোর্স নির্বাচন, টিউশন ফি, স্কলারশিপ, স্টুডেন্ট ভিসা, ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ, স্নাতক শেষে ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে ফ্রি কাউন্সেলিং, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, কোর্স বাছাই, ডকুমেন্ট মূল্যায়ন এবং অন-স্পট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ। এক্সপো চলাকালীন আবেদনকারীরা কোনো অ্যাপ্লিকেশন ফি ছাড়াই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।
এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভর্তি, স্টুডেন্ট ভিসা, কোর্স নির্বাচন এবং পড়াশোনার সময় খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগসহ উচ্চশিক্ষার পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং তাদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা আরও সহজ হবে।
এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের ডিরেক্টর সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছাড়াই সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’





