• ই-পেপার

চতুর্থবারের মতো টিএমজিবির শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ডিএমপির অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬২ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএমপির অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬২ জন গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. সেলিম মিয়া (৩২), মো. সজীব ওরফে মাসুম (৩৪), মোছা. কাকলী আক্তার (৩২), মাহফুজা আক্তার ওরফে সাথী ওরফে আয়না (২৬), রুবীনা আক্তার (২১), মো. জহুরুল (৩০), মোহাম্মদ দিদারুল আলম (৩১), মো. জাকিরুল ইসলাম (২৯), জুয়েল ইসলাম (২০), মো. আনোয়ার হোসেন (২৬), মো. রিপন হোসেন (৪০), মো. শুভ (১৮), মো. সাব্বির হোসেন (২৫), মো. সজীব (১৮), মো. শান্ত (১৯) ,মেহেদী হাসান (১৮), হাবিবুল্লাহ (৪০), মো. মাসুদ রানা (৩২), মো. আকতার হোসেন (৪২), মো. জাহাঙ্গীর, মো. মুক্তার হোসেন সিয়াম (১৯), মো. মাসুম কবির (২২), মো. মোশারফ (২০), মো. মনির হোসেন (১৯), মো. আরিফ (২৬), ইসমাইল (২৬), রাকিব সরদার (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২২), মো. ইমরান হোসেন (৩৬), মো. আবুল হোসেন রনি ওরফে কোম্পানী রনি ওরফে বাবু রনি (৩৪), মো. আসিফ (২১), মো. রায়হান (২৬), হায়দার আলী (৪০), মো. সাইদুল ইসলাম (৫১), মো. ওমর ফারুক (২৯)।

এ ছাড়া রয়েছেন, মো. মেহরাব হোসেন হাসিব (২৩), মো. রবিন হোসেন (২৫), মো. সোহান হাসান (২২), মো. জিহাদ আলী (২০), মো. নাহিদ হাসান (১৯), মো. নুরনবী (৩৮), প্লাবন হোসেন সাগর (২৩), মো. রায়হান রহমান (২৪), মো. শাহাদাত হোসেন (২৫), মো. মনোয়ার হোসেন (৩৬), মো. মিজানুর রহমান (৩৮), মো. মুজিব ব্যাপারী (৪০), মো. সামিরুল (৩৮), মো. ডালিম (২৭), মো. পারভেজ আলী (২৮), মো. শামীম ফকির (২২), মো. তানিম (২২), মো. খলিল আকন্দ (৪০), মো. হুমায়ুন কবির (৪০), মো. ওমর ফারুক দিপু (২২), মো. সুমন (২৬), মো. রোমান (২৭), মো. রাকিব হোসেন (২৯), সাইদুল ইসলাম (২০), লিটন বেপারী (৩২), মো. রাসেল (১৮) ও আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত একজন শিশু।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানা ৯ জন, শেরেবাংলা নগর থানা ৯ জন, মোহাম্মদপুর থানা ১৫ জন, আদাবর থানা ৭ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা ১০ জন ও হাতিরঝিল থানা ১২ জন।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৩৮৬ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৩৮৬ মামলা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৩৮৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। 

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ৪টি সিএনজি ও ১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৯টি মামলা করা হয়।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৩টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১টি কাভার্ড ভ্যান, ১৩টি সিএনজি ও ৪১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৪টি মামলা করা হয়।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৫টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ড ভ্যান, ৮২টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৯টি মামলা হয়।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৩টি বাস, ১৭টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ড ভ্যান, ২০টি সিএনজি ও ৩৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৬টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৬টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮০টি মামলা হয়।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮টি বাস, ১০টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ড ভ্যান, ১২টি সিএনজি, ৪৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৩টি মামলা হয়।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৯টি বাস, ৭টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৩০টি সিএনজি ও ৫২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৪টি মামলা করা হয়।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২০টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৮টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫১টি মামলা হয়েছে। 

এ ছাড়া অভিযানকালে মোট ৩৯৪টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩১৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে বিমানবাহিনীর সব মসজিদে দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে বিমানবাহিনীর সব মসজিদে দোয়া

গত বছরের এই দিনে ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে বিমানবাহিনীর সব ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে দুর্ঘটনায় নিহত কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষিকা, কর্মচারী, অভিভাবক এবং কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী বৈমানিক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

একই সঙ্গে মহান আল্লাহর নিকট নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য ধৈর্য, মানসিক শক্তি ও এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তাওফিক কামনা করা হয়। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় আহত যারা এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি, তাদের সবার দ্রুত আরোগ্য এবং সুস্থ, স্বাভাবিক ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া ও মোনাজাতে বিমান বাহিনীর সব ঘাঁটি ও ইউনিটের সব কর্মকর্তা, বিমানসেনা এবং অন্যান্য পদবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরী ও তরুণীদের ডিজিটাল সম্পৃক্ততা বিষয়ক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন

অনলাইন ডেস্ক
কিশোরী ও তরুণীদের ডিজিটাল সম্পৃক্ততা বিষয়ক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন

বাংলাদেশে কিশোরী ও তরুণীদের নিরাপদ, অর্থবহ ও সমতাভিত্তিক ডিজিটাল সম্পৃক্ততা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ডিজিটাল এনগেজমেন্ট অ্যান্ড নর্মস বিটুইন অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস অ্যান্ড ইয়াং উইমেন (এজিওয়াইইউ) অ্যান্ড দেয়ার ইনফ্লুয়েন্সার্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন এবং তা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময় সেমিনার।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার একটি হোটেলে এই গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও কিশোরী ও তরুণীরা এখনো ডিজিটাল প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার এবং অর্থবহ অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের উদ্যোগে ‘ডিজিটাল জেন্ডার নরমস’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত গবেষণার উল্লেখযোগ্য ফলাফল সেমিনারে উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় কিশোরী ও তরুণীদের ডিজিটাল সম্পৃক্ততায় প্রভাব বিস্তারকারী সামাজিক, আচরণগত ও কাঠামোগত বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হয়। পাশাপাশি নারীদের ডিজিটাল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পাইলট প্রকল্পের বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগের কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল দুনিয়াতে প্রবেশ করেছি, যেখান থেকে আর পেছনে তাকানোর কোনো অবকাশ নেই। আজকের প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল ডিভাইস বা মোবাইল হল নতুন যুগের বই। তাই আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল সেফটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের ইন্টারনেট থেকে দূরে না রেখে বরং তাদের সঠিক ও নিরাপদ ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে আরো বেশি বিচক্ষণ ও পারদর্শী করে গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি মনে করেন, ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য শক্ত আইন এবং নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে যখন কোনো শিক্ষার্থী বা নারীকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে হেনস্থা করা হয়, তখন তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ওপর জোর দেন।

মন্ত্রণালয় বর্তমানে ‘ওপেন ডোর পলিসি’ অনুসরণ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন বা অন্য উন্নয়ন সহযোগীদের সফল ও পরীক্ষিত মডেলগুলো সরকারের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান। তিনি আশা করেন, সকলের চেষ্টায় সুস্থ ও নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্যানেল আলোচনায় আরো অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মঈনুল হোসেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস কবিতা বসু, ইউএন উইমেন বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট দিলরুবা হায়দার এবং বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন।

চতুর্থবারের মতো টিএমজিবির শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ | কালের কণ্ঠ