• ই-পেপার

কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২

ভোলায় লোকালয় থেকে চিত্রা হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলায় লোকালয় থেকে চিত্রা হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় লোকালয় থেকে একটি চিত্রা মাদি হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। পরে হরিণটি স্থানীয় বনে অবমুক্ত করা হয়। আনুমানিক ২৫ কেজি ওজনের হরিণটির বয়স দুই থেকে আড়াই বছর।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চরপাতিলার সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়। এর আগে দুপুরের দিকে হরিণটি উত্তর সাকুচিয়া বাতানখালি এলাকার লোকালয় থেকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাতানখালি মাদরাসার সামনে একটি হরিণ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা সেটিকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে বন বিভাগকে খবর দেন। পরে বন বিভাগের লোকজন গিয়ে সেটি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

বন বিভাগের মনপুরা রেঞ্জের পঁচাকোড়ালিয়া বিট অফিসার সজিব সরকার জানান, দুপুরের দিকে খবর পেয়ে হরিণটি উদ্ধার করে প্রথমে বিট অফিসে নিয়ে আসা হয়। পরে সেটি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় চরপাতিলার সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

মনপুরা বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার মো. রাশেদুল হাসান কালের কণ্ঠকে জানান, সাধারণত জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে হরিণ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে। গত কয়েক দিন ধরে অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে মনপুরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় হরিণটি নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে চলে এসেছে। হরিণটি উদ্ধার করে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেটি সুস্থ থাকায় পুনরায় সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগ সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

মধ্যরাতে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন টিকটকার তরুণী, গাড়িচাপায় মৃত্যু

নাটোর প্রতিনিধি
মধ্যরাতে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন টিকটকার তরুণী, গাড়িচাপায় মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নাটোরে অজ্ঞাত গাড়িচাপায় এম আফরিন জাহান (১৮) নামের এক তরুণী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২ তরুণ গুরুতর আহত অবস্থায় নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

জানা গেছে, দুই তরুণ রাতে বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাজারের ফলপট্টি এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে আফরিনকে নিয়ে গুরুদাসপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় আগ্রাণ সুতিরপাড় এলাকায় অজ্ঞাত গাড়িচাপায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন ওই তরুণী।

আহত দুজন হলেন গুরুদাসপুরের নাজিরপুর বটতলা এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে মেহেদী (১৮) ও একই এলাকার জলিলের ছেলে পলক (২০)।

আহত তরুণদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই তরুণীর ঠিকানা তাদের জানা নেই। টিকটক থেকে তাদের পরিচয় এবং মেসেঞ্জারে তাদের যোগাযোগ হতো।

এদিকে, টিকটিক প্রোফাইলে লেখা এম আফরিন জাহান নামে এই টিকটকারের ঠিকানা বা পরিবারের কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে কেউ চিনে থাকলে বনপাড়া হাইওয়ে থানাকে অবগত করতে ওসি অনুরোধ জানিয়েছেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত টিকটকারের পরিচয় জানতে পুলিশ কাজ করছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বৈদ্যুতিক চুলায় রান্না করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে গৃহবধূর মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
বৈদ্যুতিক চুলায় রান্না করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে গৃহবধূর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা ইউনিয়নে বৈদ্যুতিক চুলায় ভাত রান্না করার সময় বিদ্যুৎস্পর্শে নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নাসিমা বেগম ওই এলাকার শহিম উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে নাসিমা বেগম বৈদ্যুতিক চুলায় ভাত রান্না করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে গিয়ে তাকে ঘরের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সৌরভ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ঝিনাইদহে হঠাৎ ‘তেল নেই’ গুজব, পাম্পে উপচে পড়া ভিড়

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
ঝিনাইদহে হঠাৎ ‘তেল নেই’ গুজব, পাম্পে উপচে পড়া ভিড়
ছবি : কালের কণ্ঠ

​ঝিনাইদহে জ্বালানি তেল সংকটের ‘গুজব’ ছড়িয়ে পড়ায় পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে জেলার কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলার পেট্রল পাম্পগুলোতে পরিস্থিতি বেশি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। চার থেকে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছেন না বলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।

​বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই জেলাজুড়ে এই তেল নেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল চালক ভিড় করতে থাকেন। 

মোটরসাইকেল চালক সুবাস দাস বলেন, সংকটের কথা শুনে তেল নিতে এসেছি। খুব কষ্টে তেল নিতে পেরেছি।   

পাম্প মালিকরা জানান, সোশ্যাল মিডিয়া ও মুখে মুখে একটি ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। হঠাৎ করে কয়েক গুণ বেশি গাড়ি একসঙ্গে পাম্পে চলে আসায় সাময়িকভাবে লাইন দীর্ঘ হয়েছে। সবাইকে তেল দিতে কিছুটা সময় লাগছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তেল আছে, তাই আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ভিড় না জমানো এবং গুজবে কান না দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে গভীর রাত পর্যন্ত পাম্পগুলোতে তেল নেওয়ার দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।