• ই-পেপার

অপহরণ রোধে পদক্ষেপের আশ্বাসে ৯০ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থী

রহস্য উদঘাটন

বিয়ের চাপের জেরে প্রেমিকের হাতে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিয়ের চাপের জেরে প্রেমিকের হাতে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া খুন

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাক (২৫) তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। ঘটনার ১০ দিনের মধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পিবিআই জানায়, গত ১২ জুলাই রাত ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ১৩ জুলাই রাত ১০টার মধ্যে যেকোনো সময়ে সাদিয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়। প্রথমদিকে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী কর্তৃক হত্যার অভিযোগে নিহতের বড় ভাই মো. রিয়াজ মোল্লা বাদী হয়ে ১৫ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মামলায় নিহতের স্বামী মো. ইব্রাহিম (২৭), তার বাবা মহি উদ্দিন, মা তাসলিমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

পরে ১৬ জুলাই পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান পুলিশ উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. রিয়াজ উদ্দিন রনি।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জুলাই ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে ২২ জুলাই তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্তে জানা গেছে, নিহত সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১ জুলাই থেকে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। ১২ জুলাই সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ভাড়া বাসায় রেখে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ওমরাহর পথে সড়কে ঝরল প্রবাসী মা-মেয়ে-ছেলের প্রাণ

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ওমরাহর পথে সড়কে ঝরল প্রবাসী মা-মেয়ে-ছেলের প্রাণ
সংগৃহীত ছবি

ওমরাহ পালন করতে যাওয়ার পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক পরিবারের মা, মেয়ে ও ছেলে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পুঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত নাজিমুদ্দিন মোল্যার সেজো মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার মেয়ে জারা আক্তার (১৫) ও ছেলে তাসবিক (২০)। আহত হয়েছেন রিনার স্বামী শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে তানিয়া তাহমিনা রিনার ভাই তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদ বলেন, আমার ভগ্নিপতি শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। তিনি প্রায় ২৬ বছর ধরে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে আমার ভগ্নিপতি, বোন ও তাদের সন্তানরা রিয়াদ থেকে একটি প্রাইভেট কারে মক্কায় ওমরাহ পালনের উদ্দেশে রওনা হন। পথে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটিকে পেছন থেকে অন্য একটি বড় গাড়ি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার বোন, ভাগ্নে ও ভাগ্নি নিহত হয়। আহত হয় ভগ্নিপতি শফিকুল ইসলাম ও বড় ভাগ্নে নাবিল। তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেশবাসী দেখেছে : কামরুল হুদা

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেশবাসী দেখেছে : কামরুল হুদা
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, আমরা ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতাবিরোধীরা যুদ্ধের সময় মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে এখনও তা করছে। আপনারা দেখেছেন, জামায়াতের একজন এমপির কাছে নাতনির বয়সী অসহায় মেয়ে চাকরি জন্য গিয়ে ইজ্জত হারিয়েছে। জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেশবাসী দেখেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনের উন্নয়নসহ সকল বিষয়ে তদারকি নিয়ে উপজেলার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কামরুল হুদা বলেন, চৌদ্দগ্রামে বিএনপির অনেক নেতা আছেন, যাদের সন্তান জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত, আবার কারো কারো বউও জামায়াত করেন। আপনি বিএনপির নেতা হয়ে মঞ্চে বসবেন, ছেলেকে জামায়াত করার সুযোগ দেবেন, আপনার বউ জামায়াত করবেন, আপনাকে রান্না করে খাওয়াবেন, দয়া করে এমন নেতারা বিএনপির অনুষ্ঠানে আসবেন না। দলের ক্ষতি করবেন না।

তিনি বলেন, চৌদ্দগ্রামে জামায়াত উন্নয়নের নামে খোকাবাজি শুরু করেছে। আপনারা দেখেছেন যে রাস্তা নির্বাচনের ৪ মাস আগে কাজ শেষ হয়েছে। ওনি নির্বাচনের ৩ মাস পরে গিয়ে উদ্‌বোধন করেন। চৌদ্দগ্রামের জনগণ আপনাদের খোকাবাজি বুঝে গেছে।

মতবিনিময় সভায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুনর রশীদ মজুমদার, সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান মুক্ত, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, আক্তার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি গাজী শহিদ, উপজেলা বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম দুলাল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চুট্টু, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি গুলশান আরা পুতুল, পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি মরিয়ম আক্তার শিখা, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শাহ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল হাসান, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল অনিক।

দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের উন্নয়নে ঢাকায় ঐক্যের প্রত্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের উন্নয়নে ঢাকায় ঐক্যের প্রত্যয়

মাত্র পাঁচ মাসে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে যে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে, তা স্বাধীনতার পরে আর হয়নি। দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে উপজেলা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ এলাকার পুরোচিত্র পাল্টে যাচ্ছে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। উন্নয়নের এই ধারবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী পাঁচ বছরে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না। একইসঙ্গে এলাকাকে করতে হবে মাদকমুক্ত। দক্ষিণ গফরগাঁওকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও শিল্পায়নে সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নতুন উপজেলা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির কার্যক্রম আরো দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা ফোরাম’ আয়োজিত ‘দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতি’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

একুশে টেলিভিশনের বার্তা প্রযোজক আনোয়ারুল কাইয়ুম কাজলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সহকারী এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আশরাফ-উজ-জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-দক্ষিণ গফরগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। এতে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. সিরাজুল হক, যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, তিতাস গ্যাসের সাবেক জিএম ফয়জুল বারী গোলাপ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার হাম্মাদ হোসেন নয়ন এবং বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সভাপতি ও ইউএনবির ডেপুটি এডিটর মাসউদুল হক প্রমুখ।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, আগামী ৫ বছর নয়, তিন বছরের মধ্যেই অবহেলিত গফরগাঁও ও দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের চিত্র পাল্টে যাবে। আগামী প্রজন্মের জন্য সবাইকে নিয়ে আমরা মানবিক, আধুনিক ও বাসযোগ্য গফরগাঁও তৈরিতে কাজ করতে চাই। এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তদবির করে যাচ্ছি।

গফরগাঁও পৌরসভার চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে মোহম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, বর্তমানে পৌরসভায় ৩২ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। এর বাইরে আরো ১৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ইতিমধ্যে অনুমোদন হয়েছে, যা শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে। এ ছাড়া অতিরিক্ত ৫০ কোটি টাকার বরাদ্দেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গফরগাঁওয়ের জন্য আলাদা উন্নয়ন প্রকল্প করা হয়েছে জানিয়ে এমপি বাচ্চু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ বরাদ্দের অনুরোধ জানালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় গফরগাঁও ও দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের জন্য পৃথক প্রকল্প প্রণয়ন করেছে এবং ইতিমধ্যে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাস্তা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত পাঁচ মাসে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাস্তা পাকাকরণ, এইচবিবি ও ইট সোলিংয়ের কাজ হয়েছে। যেসব এলাকায় মাটির রাস্তার দাবি এসেছে, বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সেখানে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে রাস্তা বসে যাওয়ার পর পরবর্তী সময়ে স্থায়ী উন্নয়ন করা যায়।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, বর্তমান এমপি মাত্র চার মাসের মাথায় দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ করেছেন। তিনি নির্মোহ ব্যক্তি; তিনি এটা ঝুলিয়ে রাখতে পারতেন, নির্বাচনের আগে করতে পারতেন। আর জায়গা কোনো ফ্যাক্টর নয়। যে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে এটিই উপযুক্ত। উপজেলা ভবন বা অন্যান্য প্রকল্পের কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি যেন না হয়, বর্তমান এমপি সেদিকে লক্ষ রাখবেন বলে মনে করছি। এখন অনেক রাস্তার কাজ চলমান, এটি আগে হয়নি।

সাবেক সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, উপজেলা ভবনের স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইগো বা আঞ্চলিকতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে সামষ্টিকভাবে যা ভালো, তাই মেনে নেওয়া উচিত। কোনো এলাকার জন্য কোনটি ভালো—তার একটি দার্শনিক সংজ্ঞা রয়েছে; যা সবচেয়ে বেশি মানুষের কাজে আসে, সেটাই প্রকৃত অর্থে ভালো। নয়াবাড়ী বা কান্দিপাড়ায় যে স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে, তা দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থেই সবচেয়ে উপযুক্ত ও যৌক্তিক। সামষ্টিক কল্যাণের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি।

বিজিএপিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মতি বলেন, সরকার যে জায়গা স্থান নির্ধারণ করেছে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্মাণের জন্য, স্থানটি আমাদের দৃষ্টিতে যথাযথ হয়েছে। আমরা চাই এই উপজেলা সদরের সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের সঙ্গে কানেক্টিভিটি হোক, সেটি হলে সরকারি সেবা গ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না।

সাবেক সহকারী এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আশরাফ-উজ-জামান বলেন, গফরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে উপজেলার উন্নয়ন, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।