• ই-পেপার

ফ্যাসিস্টদের পকেট ভরার সব রাস্তা বন্ধ করা হবে : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তিতাস নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
তিতাস নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, শাহরিয়া হাসান খান এবং মো. আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে নির্মিত কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করার দায়ে দুই ব্যক্তিকে মোট এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় দখল করে নির্মিত কয়েকটি দোকান ও জমির মালিককে বৈধ মালিকানার কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে তাদের স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন বলেন, ‘অভিযানে প্রাথমিকভাবে চারটি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিতাস নদী, কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

৪৮ ঘণ্টায় তিস্তায় বিলীন ৭৫ বসতভিটা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
৪৮ ঘণ্টায় তিস্তায় বিলীন ৭৫ বসতভিটা
ছবি : কালের কণ্ঠ

গাইবান্ধার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি চরে অন্তত ৭৫ ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। 

ভাঙনের মুখ থেকে বসতঘর সরিয়ে নিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন সেখানকার বাসিন্দারা। 

এদিকে পানি বাড়তে থাকায় তিস্তার চরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছে মানুষজন। তাদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত সরকারি দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেনি।

স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভোরের পাখি চর এলাকায় ৭৫ বসতভিটা, স্কুল, মসজিদ, চার শতাধিক একর ফসলি জমিসহ রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে ৫ শতাধিক বসতভিটা, শত শত একর ফসলি জমি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে উপজেলার কাপাসিয়া, হরিপুর, বেলকা, চন্ডিপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরেও ভাঙন চরম আকার ধারণ করেছে। চরাঞ্চলের ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো মাথাব্যথা নেই। কয়েকটি স্থানে ভাঙনরোধে নামমাত্র ফেলা হচ্ছে জিও ব্যাগ।

কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাঙনের মুখ থেকে বসতঘর সরিয়ে নিতে দিশেহারা চরবাসী। সরকারিভাবে নদী ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হলেও তা দিয়ে ভাঙনরোধ সম্ভব হচ্ছে না। এলাকাবাসী বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা রাত জেগে বসতভিটার, ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন।

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল হক বলেন, অনেক আগেই তিস্তার গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। সেই কারণে তিস্তা অসংখ্য শাখা নদীতে রূপ নিয়েছে। যার জন্য সময় এবং অসময়ে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। স্থায়ীভাবে নদী ভাঙনরোধ করতে না পারলে চরের মানুষের কষ্ট কোনোদিন দূর হবে না।

কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি চরে ৭৫টি বসতভিটা, হাজারও গাছপালা, স্কুল ও মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া লালচামার, ফুলমিয়ার মোড়, উজান বোচাগাড়ি, ভাটি বোচাগাড়ি এলাকায় ব্যাপক আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মুহূর্তেই ফসলি জমি, বসতভিটা, গাছপালা ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর কষ্টের সীমা নেই। তার ইউনিয়নের সবগুলো ওয়ার্ড নদীর চরে।

বিএনপির সাবেক উপজেলা সভাপতি মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান, ভারি বর্ষণের কারণে তার ইউনিয়নের কানিচরিতাবাড়ি গ্রামে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী খনন, ড্রেজিং, সংরক্ষণ, মেরামত এবং শাসন ছাড়া তিস্তার ভাঙনরোধ করা সম্ভাব নয়। নদী খনন ও ড্রেজিং করে নদীর গতিপথ একমুখী করলে নদীভাঙন কমে যাবে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও টিউব ও জিও ব্যাগ এখন কোনো কাজে আসছে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন, ভারি বর্ষণের কারণে কাপাসিয়া, হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। চেয়াম্যানদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ সাপেক্ষে বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া সরকারিভাবে অন্য কোনো সহায়তার সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, চরাঞ্চলে নদীভাঙন দেখা দিলে জিও টিউব, জিও ব্যাগ ফেলা এবং সরকারের ওপর মহলে তথ্য প্রদান ছাড়া আর কোনো কাজ নেই তাদের। নদী খনন, ড্রেজিং, শাসন এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা ছাড়া তিস্তার ভাঙনরোধ সম্ভব নয়।

গোদাগাড়ী

বছর না ঘুরতেই ইকোপার্কের ওয়াকওয়েতে ধস

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
বছর না ঘুরতেই ইকোপার্কের ওয়াকওয়েতে ধস
ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে সরমংলা ইকোপার্কের ওয়াকওয়ে ধসে পড়েছে। উদ্বোধনের পর বছর না ঘুরতেই গত মঙ্গলবার বৃষ্টিতে ধসে পড়ে সুরক্ষা দেয়ালসহ পার্কটির দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে। 

২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট প্রকল্পটির ভেতর থাকা লেকের ওয়াকওয়ে উদ্বোধন করা হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-এর ব্যবস্থাপনায় লেকে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কারকাজ করা হয়। কিন্তু টেকসই ও নিরাপদ সুরক্ষা দেয়াল না দিয়ে, নতুন মাটির ওপর জোড়াতালির কাঠামো নির্মাণ করায় সেটি ধসে লেকের ভেতর চলে গেছে। 

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা। যেকোনো মুহূর্তে পুরো কাঠামোটি খালের ভেতর বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা তাদের।

জানা গেছে, ২০০৩ সালে গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া মোড় থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার পূর্বে ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন করে পাশে গড়ে তোলা হয় ঘন বনায়ন। পরে সেখানেই গড়ে তোলা হয় সরমংলা ইকো পার্ক। আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ছায়ায় ঘেরা মনোরম পরিবেশের কারণে পর্যটকদের কাছে এটি ‘গ্রিন হাউস’ নামে পরিচিত।

পার্কের মূল আকর্ষণই হলো সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি) ও পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পদ্মা নদী থেকে ৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূ-গর্ভস্থ পাইপ লাইনের মাধ্যমে লেকে পানি সঞ্চালন। 

স্থানীয়দের ভাষ্য, দর্শনার্থীরা যেখানে লেকের পাড়ে বসে এই পানি আসার দৃশ্য ও ছায়াঘেরা পরিবেশ উপভোগ করতেন। কিন্তু এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসের চিহ্ন। 

​এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-এর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন, সৌন্দর্য বর্ধনের কাজে মূল প্রকল্পের কোনো বাজেট ছিল না। পাইপলাইনের কাজের সময় ঠিকাদারকে দিয়ে আলাদাভাবে আমরা এই কাজটি করিয়ে নিয়েছি।

ওয়াকওয়ে ও সুরক্ষা দেয়াল ধসে পড়ার কারণ হিসেবে উপজেলা প্রকৌশলী দাবি করেন, ভারি বৃষ্টির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে কাজে গাফিলতি ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

‘ঘরের সব ভেঙে শেষ করে দিছে, এখন আমাদের আর কিছুই রইল না’

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
‘ঘরের সব ভেঙে শেষ করে দিছে, এখন আমাদের আর কিছুই রইল না’
বৃদ্ধা রুমেলা খাতুন। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘একটা চক্রের ফাঁদে পইড়া ছেরাডা রাশিয়া যাইতে পাগল হইয়া গেছে। আজ আমারারে মাইর‌্যা ফেলতে চাইছিল। ঘরের সব ভেঙে শেষ করে দিছে, এখন আমাদের আর কিছুই রইল না।’ কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চামারুল্লাহ গ্রামের ভিক্ষুক রুমেলা খাতুন।

রাশিয়ায় পাঠানোর জন্য টাকা না পেয়ে বাবা-মাকে মারধর ও বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগে তাদের ছেলে জহিরুল ইসলামকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চামারুল্লাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহিরুল ইসলাম টিউবওয়েল মিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তার বাবা আব্দুস সালাম ও মা রুমেলা খাতুন ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রায় এক বছর আগে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে রাশিয়া যাওয়ার চেষ্টা শুরু করেন জহিরুল। একমাত্র ছেলের ইচ্ছা পূরণ করতে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা দালালকে দেন তার বাবা-মা। পাসপোর্ট ও মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও পরে আরো সাত লাখ টাকা দাবি করা হয়।

এ বিপুল অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারায় জহিরুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ পরিবারের। গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি বাবা-মায়ের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আসছিলেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার সকালে আবারও সাত লাখ টাকা দাবি করেন জহিরুল। টাকা দিতে না পারায় তিনি বাবা আব্দুস সালাম ও মা রুমেলা খাতুনকে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে ধারালো দা নিয়ে তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। প্রাণ বাঁচাতে বৃদ্ধ দম্পতি ঘর ছেড়ে স্থানীয় চামারুল্লাহ বাজারে আশ্রয় নেন।

এরপর জহিরুল দা হাতে ঘরের ভেতরে তাণ্ডব চালিয়ে আসবাবপত্র, হাঁড়ি-পাতিল, চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এমনকি পরিবারের পরিধানের কাপড়-চোপড়ও দা দিয়ে কেটে নষ্ট করে দেন বলে অভিযোগ।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে জহিরুলকে দা হাতে ঘরের ভেতরে দেখতে পান। পরে তারা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুমেলা খাতুন বলেন, ‘আমি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা করে অসুস্থ স্বামী আর এই ছেলেকে খাওয়াই। একটা চক্রের ফাঁদে পইড়া ছেরাডা রাশিয়া যাইতে পাগল হইয়া গেছে। আজ আমারারে মাইর‌্যা ফেলতে চাইছিল। ঘরের সব ভেঙে শেষ করে দিছে। এখন আমাদের আর কিছুই রইল না। আমরা জীবন শঙ্কায় আছি।’

তবে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের দাবি, পাশের এলাকার হুমায়ুনের পরামর্শে তিনি রাশিয়া যেতে চেয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছেন। বাবা-মাকে মারধর করেননি, ধাক্কাধাক্কিতে তারা সামান্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জহিরুলকে আটক করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।