• ই-পেপার

লালপুর

পরীক্ষা কক্ষে নকলের মহোৎসব! ভিডিও ভাইরাল

কুলাউড়ায় অনলাইনে জুয়া খেলার সময় আটক ৪

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
কুলাউড়ায় অনলাইনে জুয়া খেলার সময় আটক ৪
সংগৃহীত ছবি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারে অনলাইন জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে চার জনকে আটক করেছে র‍্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল। এ সময় জব্দ করা হয়েছে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

র‍্যাব-৯, সিপিসি-২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটে র‍্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কম্পানি কমান্ডার এএসপি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে র‍্যাবের একটি দল রবিরবাজারস্থ দক্ষিণবাজারে অবস্থিত ব্রাদার্স টেলিকমে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে জুয়া খেলার সময় চারজনকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন পৃথিমপাশা ইউনিয়নের ইউসুফ সদর গ্রামের অজিত আলীর ছেলে মকবুল হোসেন (৩৮), পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (২৮), মৃত ফারুক মিয়ার ছেলে মো. সোয়েব আহমেদ (৩৮) ও টিলাগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ বিজলী গ্রামের আলিম উল্লাহর ছেলে আব্দুল বাসিত (৩৬)। প্রাথমিক তদন্তে মকবুল হোসেনকে এ চক্রের মূল হোতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

র‍্যাব জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। আটক আসামিদের শুক্রবার দুপুরে আদালত প্রেরণ করা হয়েছে। তাছাড়া জেলা পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় যেকোনো ধরণের জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

নেত্রকোনায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনা শহরে ট্রেনে কাটা পড়ে মুহিত খান রিফাত নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে শহরের রাজুর বাজার এলাকার রেললাইনের পাশে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মুহিত খান রিফাত মোহনগঞ্জ উপজেলার পাইকুড়া গ্রামের মইনুল কবীর খানের ছেলে। তিনি পেশায় পোশাককর্মী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সকালে রাজুর বাজার এলাকায় রেললাইনের পাশে একটি বিচ্ছিন্ন পা পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে। তবে মরদেহের বাকি অংশ পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পাশের একটি ডোবায় প্রায় আধা ঘণ্টা অভিযান চালান। পরে সেখান থেকে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়।

নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম খান বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেহের বিভিন্ন অংশ সংগ্রহ করে নেত্রকোনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ময়মনসিংহ থেকে মোহনগঞ্জগামী ট্রেন থেকে নামার সময় অথবা চলন্ত ট্রেনের খুব কাছাকাছি অবস্থান করায় তিনি ট্রেনের নিচে পড়ে যান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম তারা সম্পন্ন করবে।

মির্জাপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু, আহত ১১

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
মির্জাপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু, আহত ১১
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় তিন যুবক ও এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এসব দুর্ঘটনায় ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি সাতজন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া-চাকলেশ্বর বিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবক এবং বহুরিয়া ইউনিয়নের বুধিরপাড়া বিলে এক যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এছাড়া শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পাট জাগ দিতে গিয়ে গোড়াই ইউনিয়নের কোদালিয়া খালের পানিতে ডুবে বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন থলপাড়া-চাকলেশ্বর বিলে ইটভাটার শ্রমিক রংপুরের সাজ্জাত হোসেন (১৮) ও শেরপুরের পাকুরিয়া গ্রামের খুজাউরা গ্রামের হাসমত মিয়ার ছেলে জিকুল মিয়া (১৮), বুধীরপাড়া বিলে বহুরিয়া ইউনিয়নের বহুরিয়া মাঝিপাড়া এলাকার সুজন রাজবংশীর ছেলে সুশান্ত রাজবংশী (১৮) ও কোদালিয়া খালের পানিতে ডুবে কোদালিয়া এলাকার রুস্তম আলী ফরাজী (৭০)। তাদের মধ্যে সাজ্জাত ইটভাটা ও বাসে শ্রমিকের কাজ করতেন। জিকুল মিয়া বিডি ফুড কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তারা জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ২৮ থেকে ৩০ জন মিলে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের মহেড়া জমিদার বাড়িতে (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) বেড়াতে আসেন। মাগরিবের নামাজের পর বনভোজের নৌকাটি ফতেপুর স্কুল ঘাট থেকে নেচে-গেয়ে বিকট শব্দে গান বাজাতে বাজাতে ঝিনাই নদী হয়ে ভাওয়াল মির্জাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। পরে থলপাড়া সেতু পার হওয়ার পর নৌকার মাল্লা নদী থেকে বিচ্যুত হয়ে নৌকা নিয়ে থলপাড়া-চাকলেশ্বর এলাকার বিলে ঢুকে পড়ে।

এ সময় বিলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সঙ্গে ঘর্ষণে নৌকার সামনে থাকা কয়েকজন ছিটকে পড়ে আহত হয়। আহতদের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার এনায়েতুর রহমান সাজ্জাত ও জিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া রবিন মিয়া, লিপটন মিয়া, রানা আহমেদ ও মেহেদী হাসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে সুশান্ত রাজবংশীসহ আরো সাতজন প্রতিদিনের মতো নৌকায় বেড় জাল নিয়ে বুধিরপাড়া বিলে মাছ ধরতে যান। বিলের মাঝে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে সবাই ছিটকে পানিতে পড়েন। এ সময় রতন রাজবংশী, লিটন রাজবংশী, গোলক রাজবংশী, আশিক রাজবংশী, প্রদীপ রাজবংশী, লোকনাথ রাজবংশী ও প্রকাশ রাজবংশী আহত হন এবং সুশান্ত রাজবংশী পানিতে নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে প্রায় দুই ঘণ্টা উদ্ধারকাজ চালিয়ে টার দিকে সুশান্তর মরদেহ উদ্ধার করেন।

অন্যদিকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে গোড়াই ইউনিয়নের কোদালিয়া খালে পাট জাগ দিতে গিয়ে পানিতে ডুবে কৃষক রুস্তম আলী ফরাজী নিখোঁজ হন। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট উদ্ধার কাজ চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। 

বনভোজনের নৌকায় থাকা ইয়াছিন, সিয়াম ও আলম জানান, নৌকায় গান বাজনা চলছিল। ফতেপুর স্কুল ঘাট থেকে নৌকা ছাড়ার আধাঘণ্টা পর হঠাৎ বিদ্যুতের ঝলকানি দেখতে পান। পরে সহপাঠীদের চিৎকারে তারা কাছে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। রাত ৯টার দিকে আহতদের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর ফায়ার স্টেশনের ইন্সপেক্টর মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বুধিরপাড়া এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের লাইনের তার ঝুলে থাকায় উদ্ধার কাজে বিলম্বিত হয়েছে। অন্যদিকে কোদালিয়া এলাকায় উদ্ধার কাজ চালিয়ে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আইনি পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

কুড়িগ্রাম

৪৪৮ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধ্স, আতঙ্ক

রোকনুজ্জামান মানু, কুড়িগ্রাম
৪৪৮ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধ্স, আতঙ্ক
কু‌ড়িগ্রা‌মের চিলমারী উপ‌জেলার রা‌নীগঞ্জ ইউনিয়‌নের কাঁচ‌কোল সড়কটা‌রি এলাকা থেকে বাঁধ ধসের ছবি।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধ্স দেখা দিয়েছে। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় নতুন করে প্রায় ৬০ মিটার ব্লক পিচিং নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নদতীরবর্তী মানুষের মধ্যে ভাঙন-আতঙ্ক বেড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমেই বাঁধটির অন্তত ১৫০ থেকে ১৬০ মিটার এলাকায় ধসের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সরেজমিনে চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল এলাকার সড়কটারী অংশে গিয়ে দেখা যায়, বৃহস্প‌তিবার দুপু‌রে ব্রহ্মপুত্রের তীব্র স্রোতে ব্লক পিচিং ধসে নদীগর্ভে চলে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থান রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, বাড়ি বাঁধের পশ্চিম পাশে। বৃষ্টি না থাকলেও বৃহস্প‌তিবার দুপু‌রে হঠাৎ করেই ব্লক পিচিং ধসে পড়ে। খবর পাওয়ার পর শুক্রবার সকাল থেকে পা‌নি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলছে।

একই এলাকার বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম বলেন, বাঁধ নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তার অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণকাজের কারণেই নদীর পানি বাড়লেই একই স্থানে বারবার ধস দেখা দিচ্ছে। প্রতিবছর জরুরি মেরামত করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।

খয়বার আলী নামে আরেক বাসিন্দা জানান, উত্তর ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কাঁচকোল বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অ‌নেক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হ‌য়ে যা‌বে।

জানা গে‌ছে, ২০১৬ সালে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীররক্ষা প্রকল্পের আওতায় এ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের মাত্র দুই বছর পর, ২০১৮ সাল থেকেই প্রায় চার কি‌লো বাঁ‌ধের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিতে শুরু করে। প্রতিবারই জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। সর্বশেষ চলতি মাসের ১ জুলাই কাঁচকোল এলাকার তিনটি স্থানে প্রায় ১০০ মিটার ব্লক পিচিং ধসে যায়। তখন জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ১৫ দিনের মাথায় একই এলাকায় আবারও ধস দেখা দেয়।

কাঁচকোল এলাকার বাসিন্দা নুরজাহান বেগম বলেন, ‘এটে খা‌লি বারে বা‌রে ভা‌ঙে। খা‌লি ওমরা (পাউবো) আসি বস্তা ফেলায়। কিন্তু কো‌নো কাম হয় না। কুন‌দিন যে বা‌ড়িঘর ভাঙি নি‌য়ে যা‌বে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘২০১৬ সালে চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষায় চার কিলোমিটার ব্লক পিচিং বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। চলতি মাসের শুরুতে তিনটি স্থানে প্রায় ১০০ মিটার এবং বৃহস্পতিবার আরো প্রায় ৬০ মিটার এলাকায় ধ্স দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে শুক্রবার সকা‌ল থেকে ৪০০ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়ে‌ছে। পাশাপাশি আরো ১২ হাজার জিও ব্যাগের অনুমোদন পাওয়া গেছে। আগামী রবিবারের মধ্যে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।’