• ই-পেপার

অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ১০ শ্রমিক

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ১০ শ্রমিক
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ হয়েছেন ১১ জন শ্রমিক। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। আহত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, কাজ করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে।

দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন, দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) ও সেলিম উদ্দিন (৩০)। এছাড়া আহসানুল হক (৪৫) নামে আরো এক শ্রমিক বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারজানা।

বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার মোহাম্মদ আজাহার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও এর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। তাই তাদের আর কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘কারখানার জেনারেটরে সংস্কারকাজ চলাকালে ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের সূত্রে দুটি এসি বিস্ফোরিত হলে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

কারখানার প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক মো. বোরহান উদ্দীন বলেন, ‘জেনারেটরের কাজ করার সময় অগ্নিকা-ে কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
 

শীতলক্ষ্যায় পড়ে নিখোঁজ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
শীতলক্ষ্যায় পড়ে নিখোঁজ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্য ও রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিক নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর ফায়ার জেটিতে এ ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 

নিখোঁজ সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ডুবুরি সদস্য ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ফায়ার জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চলছিল। এ সময় ডুবুরি সদস্য সাদিক, শামসুল এবং স্পিডবোট চালক সজল দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাজের একপর্যায়ে স্পিডবোট থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন সাদিক। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, সাদিক একজন দক্ষ, সাহসী ও দায়িত্বশীল ডুবুরি ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছেন তিনি। তাকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্পিডবোটের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি মো. সাদিক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর ফায়ার জেটিতে এ ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ নেভি ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ ডুবুরি সাদিককে উদ্ধারে কাজ অব্যাহত রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ফায়ার জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চলছিল। এ সময় ডুবুরি সদস্য সাদিক, শামসুল ও স্পিডবোট চালক সজল একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাজের এক পর্যায়ে সাদিক স্পিডবোট থেকে নদীতে পড়ে যান এবং মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন।

সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন আরো জানান, সাদিক একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল ডুবুরি ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছিলেন। নিখোঁজ ডুবুরিকে দ্রুত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

নিখোঁজ ডুবুরি সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের একজন অভিজ্ঞ ডুবুরি সদস্য। দক্ষতা, সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছিলেন।

বাস্তা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা

তফসিল হলেও হয়নি নির্বাচন, গোপনে কমিটি গঠনের অভিযোগ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
তফসিল হলেও হয়নি নির্বাচন, গোপনে কমিটি গঠনের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার মদনে বাস্তা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার অভিযোগ উঠেছে। ওই মাদরাসার চারজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, বাস্তা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার জন্য গত ১৫ জুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী বুধবার (১৫ জুলাই) নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাদরাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার ও একটি কুচক্রী মহল গোপনে কমিটি গঠন করেছে।

অভিভাবক পুতুল মিয়া বলেন, ম্যানেজিং কমিটি সদস্য হিসেবে আমি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। পরে শুনি নির্বাচন হবে না। মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার কয়েকজনকে নিয়ে গোপনে নাকি ম্যানেজিং কমিটি গঠন করেছে। এ জন্য আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত সুপার আহসান উল্লাহ বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ব্যাপারে আমার কোনো হাত নেই। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে আলোচনা করে সর্বসম্মতিতে চারজন সদস্য সিলেকশন করা হয়েছে। যারা অভিযোগ করেছে তারাও এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। কাগজে-কলমে সবকিছু ঠিক করেই কমিটি গঠন করেছি।’

দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জোসনা আক্তার বলেন, ‘বাস্তা মাদরাসার তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। এলাকার লোকজনের সিলেকশন করা চারজনের নাম সুপার আমাকে দিয়েছেন। ওই চারজনের নাম মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন আকারে পাঠানো হবে।’

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম বলেন, ‘নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলে অবশ্যই নির্বাচন হবে। গোপনে কমিটি গঠন করার কোনো সুযোগ নেই।’ 

ইউএনও বলেন, ‘এখনো অভিযোগ পাইনি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’