• ই-পেপার

বিচারপ্রার্থীদের ওপর খসে পড়ল আদালত ভবনের পলেস্তারা, আহত ৫

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি সেঁজুতি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি সেঁজুতি
সাতক্ষীরার সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আবারো একটি হত্যা মামলায় শোন গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সাতক্ষীরার সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আবারো একটি হত্যা মামলায় শোন গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরা অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক অনাথ মিত্রের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ১৪, তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জিআর নং ৪০৩/২৪ ধারা- দন্ডবিধির ৪৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জানা যায়, গত ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ২৫, তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ধারা: ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫(ডি) মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ১ জুন ২০২৫ তারিখে পুনরায় তাকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ৪৪, তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ জিআর ৯৬/২৫ ধারা- ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৮/৪৩৬/৪২৭/৩৮০/৫০৬ দন্ডবিধি মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট করা হয়। ১১ জুন ২০২৫ তারিখে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা নং ২০, জিআর ২৭৮/২৫ ধারা-১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫(ডি) মামলা দায়ের করা হয় এবং ২৫ জুন ২০২৫ তারিখে তাকে ঐ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতির পক্ষে অ্যাডভোকেট আল মাহামুদ পলাশ জানান, গত ৩ জুন ২০২৬ মহামান্য হাইকোর্ট সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সর্বশেষ মামলায় জামিন প্রদান করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোটের আ্যাপিলেট ডিভিশনের চেম্বার আদালতে জামিন স্থগীতের আবেদন জানালে নো-অর্ডার হয়। গত ১০ জুন ওই মামলায় জামিননামা সম্পাদনের পর ১৩ জুন তাঁকে পুনরায় জিআর ৩৯৯/২৪ ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৬৪/৩০২/২০১/৩৪ দন্ডবিধি মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট দেখানো হয়।

অ্যাডভোকেট পলাশ আরো জানান, ২০২৬ সালের ২৫ জুন সাতক্ষীরা দায়রা জজ আদালত লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে জিআর ৩৯৯/২৪ মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁকে পুনরায় জিআর ৪০২/২৪ ধারা ৩৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ দন্ডবিধি মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট দেখানো হয়। তিনি জানান, গত ৯ জুলাই ২০২৬, সাতক্ষীরা দায়রা জজ আদালত লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে জিআর ৪০২/২৪ মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ১৪, তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জিআর নং ৪০৩/২৪ ধারা- দন্ডবিধির ৪৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে সোমবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ মামলার বাদী সাতক্ষীরা সদর থানার কাশেমপুর গ্রামের মৃত নুর আলী সানার ছেলে মো. ইমাদুল হক। সাতক্ষীরা তৎকালীন এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী গত ২৮ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে সাতক্ষীরা ১ নং আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের আদেশে পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগটি এফআইআরভুক্ত করা হয়।

মামলায় বাদী জানায়, তার ভাই শহিদুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী। অপরদিকে ১ থেকে ৬ নং আসামী পুলিশে কর্মরত এবং অন্যান্য আসামীরা আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডার। ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এজাহারনামী ৩২জন আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন ৩টি কালো মাইক্রোবাস যোগে বাদীর ভাই শহিদুল ইসলাম এর বাড়ীতে আসে এবং তাকে জোরপূর্বক টানা হেছাঁড়া করে মাইক্রোতে সাতক্ষীরা সদর থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গভীর রাতে থানা থেকে যশোর পিকনিক কর্ণারের সামনে নিয়া যায়। সেখানে ১/২ নং আসামীর নির্দেশে ৩/৪/৫/৬ নং আসামী ভিকটিম শহিদুল ইসলামকে গুলি করে। ভিকটিম শহিদুল ইসলামকে বুকে পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির আঘাতে ঝাঝরা করে হত্যা করে লাশ পিকনিক কর্ণানের সামনে ফাঁকা স্থানে রেখে চলে যায়।

মামলায় বাদী আরো জানান, বিষয়টি তৎকালীন থানায় ইউডি মামলা রুজু পূর্বক ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়া ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করা হয়। লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের ঘটনা হলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ঘটনাটি ধামা চাপা দেন। ভিকটিম শহিদুল ইসলাম এর পরিবার পক্ষ তৎকালীন সময় হত্যা মামলা করার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানায় গেলে থানা মামলা নিতে অস্বীকার করে এবং বাদীকে মৃত্যুর হুমকি দেখায়। বর্তমান পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় কাগজপত্র সংগ্রহ সাপেক্ষে স্বাক্ষীদের সাথে আলোচনা করে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন।

তবে শহীদুল হত্যা মামলায় সাবেক সাংসদ লায়লা পারভিন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার দেখানো সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক অনাথ মিত্রের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, যাকে তাকে পুলিশ তার ভাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখাবে এটা ঠিক না। কারণ মামলা দায়ের করার সময় তিনি জেনে শুনেই নাম উল্লেখ করেছেন। তাহলে লায়লা পারভিন সেঁজুতিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর ব্যাপারে কেন তার মতামত নেওয়া হলো না সেটা তার বোধগম্য হয়নি। জানতে চাইলে তদন্তকারি কর্মকর্তা কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি। তাছাড়া এজাহার বহির্ভূত কোন আসামীর নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হলে তিনি তা মেনে নেবেন না। কারণ সরকার পরিবর্তন হলে এসবের প্রতিশোধ নিতে তাকেও মিথ্যা মামলার শিকার হতে হলে পুলিশ কি জবাব দেবে?

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক অনাথ মিত্রের কাছে জানতে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মাদকের প্রতিবাদ করায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, আটক ১

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
মাদকের প্রতিবাদ করায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, আটক ১
যুবদল নেতা আকরাম হোসেন ফেরদৌস। ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মাদকের প্রতিবাদ করায় আকরাম হোসেন ফেরদৌস (৫০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের দশালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আকরাম হোসেন ফেরদৌস ওই গ্রামের মৃত আহম্মদ উল্লাহর ছেলে। তিনি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা যুবদলের নেতা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে ছেলের মাদরাসায় খাবার দিতে যাওয়ার পথে দশালিয়া গ্রামের জহিরুলের বাড়ির সামনে পৌঁছালে কয়েকজন তার পথরোধ করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেরদৌসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত ফেরদৌসের অভিযোগ, হামলায় জহিরুল, আমীন, মাসুদসহ ৭-৮ জন অংশ নেয়। তিনি বলেন, ‘হামলার সময় জহিরুল চিৎকার করে বলে, ‘আমরার পোলাপানরে ডিস্টার্ব করস কেরে? তরে খতম করবাম।’ এই কথা বলেই তারা হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে আমাকে আঘাত করতে থাকে।’

স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাতে এলাকায় কয়েকজন যুবককে মাদক সেবনের সময় আটক করা হয়। খবর পেয়ে যুবদল নেতা ফেরদৌস ঘটনাস্থলে যান এবং মাদকসেবীদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন। পরে তারা আর কখনো মাদক সেবন করবে না এমন শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।এর আগে প্রায় এক মাস আগে এলাকাবাসী মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারির বাড়িঘরে ভাঙচুরও চালিয়েছিল। এরপর থেকে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার হয়।

হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে নান্দাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দশালিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে কিবরিয়াকে (৩৫) আটক করে।

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকবিরোধী অবস্থানের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

খুলনা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি

খুলনা অফিস
খুলনা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি
সংগৃহীত ছবি

খুলনা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (খুলনা ওয়াসা)-এর নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (পানি সরবরাহ-২ শাখা) থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর ধারা ৭ (১) অনুযায়ী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান পদে তিন বছর মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ কার্যকর হবে। 

কক্সবাজারে ফ্ল্যাট থেকে পৌনে ৩ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারে ফ্ল্যাট থেকে পৌনে ৩ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এই ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজার সদর থানাধীন জুমছড়ি সংলগ্ন এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন কক্সবাজার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকার একটি তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট রুমে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।