• ই-পেপার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লার সড়ক, নৌকা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পারাপার

কুমিল্লা প্রতিনিধি
বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লার সড়ক, নৌকা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পারাপার
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরীর প্রধান সড়ক, অলি-গলি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ অনেক বাসা-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। স্কুল-কলেজ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে পানি ঢুকে নাকাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে নগর জীবনে। শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। বিশেষ করে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

রবিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬ থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিপাতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের রাস্তা, পুলিশ লাইন, বাগিচাগাও, তালপুকুরপাড়, ফয়েজুন্নেসা স্কুল রোড, ডিসি রোড, ছোটরা, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, মহিলা কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজ, জিলাস্কুল রোড, ঝাউতলা, মনোহরপুর, হোটেল সালাউদ্দিন মোড়, সদর হাসপাতাল রোড, স্টেডিয়াম মার্কেট, মনোহরপুর, দক্ষিণ চর্থা ইপিজেড রোড, ঠাকুরপাড়া, রেইসকোর্স, ২য় মুরাদপুর, বিসিক এলাকা, রানীরবাজার, গোয়ালপট্টি, ছাতিপট্টি, হাউজিং এস্টেট, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।

নিচু এলাকার বাসা-বাড়িতে পানি উঠে এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। জলমগ্ন সড়কে চরম ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের। নৌকা ও কোমর সমান পানি মাড়িয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেখা গেছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের।

নাফিজা আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘মহিলা কলেজের মতো উঁচু এলাকায়ও কোমর সমান পানি। অনেক শিক্ষার্থী আজ ড্রেনে পরে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারছে না। অনেকেই নৌকায় ছড়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে। কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘ দিনের এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন। কারণ সামান্য বৃষ্টি হলেই আমরা দেখি রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

কুমিল্লা সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ড্রেন ও খালের পানি প্রবাহ ধীর গতির কারণে রাস্তায় পানি জমে গেছে। ভোর থেকে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা পানি অপসারণে কাজ করছে। আমি নিজেও পরিদর্শনে বের হয়েছি। যেখানে যেখানে পানি বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে সেখানেই তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিনের পানিবদ্ধতার সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসনের জন্য সমস্যা চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।’

কুমিল্লা আবহাওয়া কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত কুমিল্লায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে এবং আরো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

কুমিল্লা

নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

কুমিল্লা প্রতিনিধি
নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

ভারি বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরীর প্রধান সড়ক, অলিগলি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক বাসা-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। স্কুল-কলেজ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে পানি ঢুকে নাকাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি চরমে। বিশেষ করে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। নৌকায় চড়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেখা গেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের। গতকাল রবিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬ থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিপাতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের রাস্তা, পুলিশ লাইন, বাগিচাগাও, তালপুকুরপাড়, ফয়েজুন্নেসা স্কুল রোড, ডিসি রোড, ছোটরা, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, মহিলা কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজ, জিলাস্কুল রোড, ঝাউতলা, মনোহরপুর, হোটেল সালাউদ্দিন মোড়, সদর হাসপাতাল রোড, স্টেডিয়াম মার্কেট, মনোহরপুর, দক্ষিণ চর্থা ইপিজেড রোড, ঠাকুরপাড়া, রেইসকোর্স, ২য় মুরাদপুর, বিসিক এলাকা, রানীরবাজার, গোয়ালপট্টি, ছাতিপট্টি, হাউজিং এস্টেট, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

নিচু এলাকার বাসা-বাড়িতে পানি উঠে এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। জলমগ্ন সড়কে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের।

নাফিজা আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, মহিলা কলেজের মতো উঁচু এলাকায়ও কোমর সমান পানি। অনেক শিক্ষার্থী আজ ড্রেনে পরে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারছে না। অনেকেই নৌকায় চড়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে। কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘ দিনের এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন। কারণ সামান্য বৃষ্টি হলেই আমরা দেখি রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।  

এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, অতি ভারি বৃষ্টির কারণে ড্রেন ও খালের পানি প্রবাহ ধীর গতির কারণে রাস্তায় পানি জমে গেছে। ভোর থেকে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা পানি অপসারণে কাজ করছে। আমি নিজেও পরিদর্শনে বের হয়েছি। যেখানে যেখানে পানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সেখানেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসনের জন্য সমস্যা চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।

কুমিল্লা আবহাওয়া কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, রবিবার সকাল ৬ থেকে ৯টা পর্যন্ত কুমিল্লায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অতিভারি বৃষ্টি হয়েছে এবং আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

কেন্দুয়ায় ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
কেন্দুয়ায় ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ইয়াবা-গাঁজাসহ রিপন মিয়া (২২) এবং রুকন মিয়া (৪০) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার রিপন উপজেলার রোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের তহুর মিয়ার ছেলে এবং অন্যজন রুকন সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা গ্রামের নবাব আলীর ছেলে।

কেন্দুয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা গ্রামে রিপন ও রুকন নামে দুজনকে মাদকসহ স্থানীয় এলাকাবাসী আটক করে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এসময় তাদের কাছে ১২ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজা ছিল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে কেন্দুয়া থানায় মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ছাতকে বিপৎসীমার ওপর সুরমা নদীর পানি

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতকে বিপৎসীমার ওপর সুরমা নদীর পানি
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের ছাতকে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানায়।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টার পরিমাপ অনুযায়ী ছাতক পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৮৫ মিটার, যা নির্ধারিত বিপৎসীমা ৮.৭০ মিটার থেকে ০.১৫ মিটার (১৫ সেন্টিমিটার) বেশি। 

রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় ছাতক পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৮.৭২ মিটার। সোমবার সকাল ৬টায় তা বেড়ে ৮.৮৩ মিটার এবং সকাল ৯টায় আরো বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৮৫ মিটারে পৌঁছায়। একই সময়ে ছাতক এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 

নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি এবং নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পাশাপাশি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।