• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীকে পারুল আক্তার

ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে সন্তানদের লেখাপড়ায় অর্থনৈতিক জোগান দিতে পারছি

লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ২ আসামি গ্রেপ্তার

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ২ আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

নাটোরের লালপুরে পৃথক অভিযানে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালপুর থানাধীন আব্দুলপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. রুস্তম আলী সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় অর্থ ঋণ আইনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এস এম নাদিম মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  তিনি লালপুর উপজেলার সাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। এ ছাড়া ৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার আরেক আসামি মো. শিশির বৈদ্যনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘আইনের আওতায় এনে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করতে আমরা নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সীতাকুণ্ডে ২ শতাধিক বাড়িঘর প্লাবিত, আবুল খায়ের স্টিল মিলকে দুষছেন স্থানীয়রা

অনলাইন ডেস্ক
সীতাকুণ্ডে ২ শতাধিক বাড়িঘর প্লাবিত, আবুল খায়ের স্টিল মিলকে দুষছেন স্থানীয়রা
সংগৃহীত ছবি

টানা বৃষ্টি ও পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ঢলে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি এলাকায় ২০০টিরও বেশি বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। এই বিপর্যয়ের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা সীতাকুণ্ডে অবস্থিত আবুল খায়ের স্টিল মিলকে দায়ী করছেন। 

ভুক্তভোগী মানুষের অভিযোগ, কম্পানিটি তাদের শিল্পাঞ্চলের চারপাশের প্রাকৃতিক খাল ও জলাধারের গতিপথ বদলে দিয়েছে এবং পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে পাহাড়ের পানি সরাসরি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। 

এদিকে এই জলাবদ্ধতা দূর এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতের দাবিতে গতকাল রবিবার (১২ জুলাই) সকালে কারখানার প্রধান ফটকে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শত শত বাসিন্দা।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সারা রাতের ভারি বর্ষণে সোনাইছড়ি ও খামারবাড়ি গ্রামের বাগুলা বাজার থেকে খামারবাড়ি এলাকা পর্যন্ত প্রায় দেড়শ পরিবারের বাড়িঘর ডুবে গেছে। এর মধ্যে নিকটবর্তী ত্রিপুরা আদিবাসী বসতির আরো ৫০টি পরিবার চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ঘরের ভেতরে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় আসবাবপত্র, খাবার ও গৃহস্থালীর জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। 

শনিবার (১১ জুলাই) রাত থেকে অনেক পরিবার রান্নার সুযোগ পাননি। তারা ঘরে আটকে আছেন। এর ওপর বন্যার পানি আর ঘন কাদার কারণে পুরো এলাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা এক প্রকার ভেঙে পড়েছে।

এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, এটি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং একটি ‘মানবসৃষ্ট বন্যা’। অতীতে এই এলাকায় কখনো এমন বন্যা হয়নি। কিন্তু আবুল খায়ের শিল্প কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণের সময় রেললাইনের পাশের একটি সরকারি খালের গতিপথ বদলে দেওয়া হয় এবং পানি যাওয়ার নালাগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলা হয়। এমনকি শনিবার রাতে কারখানার ভেতরে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ পানি স্থানীয় জনবসতির দিকে ছেড়ে দিয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ করে তোলা হয়েছে। এছাড়া কারখানার ভারী ট্রাক ও লরি চলাচলের কারণে সামনের প্রধান সড়কটিতে গভীর কাদার স্তর তৈরি হয়েছে, যা পথচারী ও স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। পাশাপাশি কারখানার কারণে শুষ্ক মৌসুমে বায়ুদূষণ এবং বর্ষায় বন্যার কারণে স্থানীয়দের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘদিনের এই ক্ষোভ থেকে রবিবার ভোরে বাসিন্দারা কারখানার রাস্তায় ব্যারিকেড সৃষ্টি করলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে এলাকাবাসী সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে ১৫ দফা দাবি জমা দেন। এসব দাবির মধ্যে ছিল ভরাট করা খাল ও নালা খনন করা, পাহাড় কাটা বন্ধ করা, রাসায়নিক বর্জ্য ও ধূলিকণা ছড়ানো বন্ধ করা এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দেওয়া। 

যদিও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই সংক্রান্ত কোনো লিখিত চিঠি এখনো তার দপ্তরে পৌঁছেনি। পরে অবরুদ্ধ কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিলে বাসিন্দারা অবরোধ তুলে নেন। তবে স্থায়ী সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

অন্যদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল খায়ের স্টিল প্ল্যান্টের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ইমরুল কায়েস ভূঁইয়া বলেন, এটি তাদের কারণে সৃষ্ট কোনো মানবসৃষ্ট বন্যা নয়। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো সোনাইছড়িতে তাদের কারখানার ভেতরের অনেক অংশও পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে খালের গতিপথ পরিবর্তন বা পুকুর ভরাটের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে কম্পানিটি আলাদা কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। 

এই বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ঘটনাস্থলে একটি তদন্ত দল পাঠানো হচ্ছে এবং কারখানার কারণে এই বন্যা হয়েছে বলে প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লার সড়ক, নৌকা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পারাপার

কুমিল্লা প্রতিনিধি
বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লার সড়ক, নৌকা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পারাপার
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরীর প্রধান সড়ক, অলি-গলি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ অনেক বাসা-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। স্কুল-কলেজ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে পানি ঢুকে নাকাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে নগর জীবনে। শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। বিশেষ করে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬ থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিপাতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের রাস্তা, পুলিশ লাইন, বাগিচাগাও, তালপুকুরপাড়, ফয়েজুন্নেসা স্কুল রোড, ডিসি রোড, ছোটরা, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, মহিলা কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজ, জিলাস্কুল রোড, ঝাউতলা, মনোহরপুর, হোটেল সালাউদ্দিন মোড়, সদর হাসপাতাল রোড, স্টেডিয়াম মার্কেট, মনোহরপুর, দক্ষিণ চর্থা ইপিজেড রোড, ঠাকুরপাড়া, রেইসকোর্স, ২য় মুরাদপুর, বিসিক এলাকা, রানীরবাজার, গোয়ালপট্টি, ছাতিপট্টি, হাউজিং এস্টেট, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।

নিচু এলাকার বাসা-বাড়িতে পানি উঠে এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। জলমগ্ন সড়কে চরম ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের। নৌকা ও কোমর সমান পানি মাড়িয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেখা গেছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের।

নাফিজা আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘মহিলা কলেজের মতো উঁচু এলাকায়ও কোমর সমান পানি। অনেক শিক্ষার্থী আজ ড্রেনে পরে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারছে না। অনেকেই নৌকায় ছড়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে। কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘ দিনের এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন। কারণ সামান্য বৃষ্টি হলেই আমরা দেখি রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

কুমিল্লা সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ড্রেন ও খালের পানি প্রবাহ ধীর গতির কারণে রাস্তায় পানি জমে গেছে। ভোর থেকে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা পানি অপসারণে কাজ করছে। আমি নিজেও পরিদর্শনে বের হয়েছি। যেখানে যেখানে পানি বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে সেখানেই তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিনের পানিবদ্ধতার সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসনের জন্য সমস্যা চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।’

কুমিল্লা আবহাওয়া কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত কুমিল্লায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে এবং আরো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

কুমিল্লা

নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

কুমিল্লা প্রতিনিধি
নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

টানা তিন ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরীতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। সকালে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি অনেক পরীক্ষার্থী। কেউ কেউ আবার নৌকায় চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে পৌনে ১০টায় কুমিল্লা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শিক্ষার্থী সামিয়া আলম বলেন, দেশজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে। এ পরিস্থিতে বোর্ড পরীক্ষা অন্তত স্থগিত রাখার উচিত ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে পুরো পথ পানি মাড়িয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে এসছি। রাস্তা থেকে পরীক্ষার হলে যে পারছিনা। কয়েক জন ভাইয়ে সহযোগীতায় পৌকায় কেন্দ্র প্রবেশ করেছি। হলের মধ্যে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীকে জামা-কাপড়ে ভেজা।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাসার কালের কণ্ঠকে বলেন, এ কেন্দ্রে আটটি কলেজের ২১০০ পরীক্ষার্থী আছে। মাঠে পানি থাকলেও রুমের ভেতর পানি নেই। যে সকল পরীক্ষার্থী একটু দেরিতে কেন্দ্রে এসেছে তাদের অতিরিক্ত সময় দিতে বোর্ড থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, বোর্ডের অধীন ৬ জেলায় ভারি বর্ষণে কেন্দ্রের সামনে ও রাস্তায় জলাবদ্ধতা দেখা দিলেও কক্ষের ভেতর কোথাও পানি ঢোকেনি। যেসব পরীক্ষার্থী কিছুটা বিলম্বে কেন্দ্রে গেছে তাদের বিষয়টি সহানুভূতির সাথে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দিতে সমস্যা হবে না।

কুমিল্লা সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, অতি ভারি বৃষ্টির কারণে ড্রেন ও খালের পানি প্রবাহ ধীর গতির কারণে রাস্তায় পানি জমে গিয়েছে। ভোর থেকে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা পানি অপসারণে কাজ করছে। আমি নিজেও পরিদর্শনে বের হয়েছি। যেখানে যেখানে পানি বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে সেখানেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিনের পানিবদ্ধতার সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসনের জন্য সমস্যা চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।

কুমিল্লা আবহাওয়া কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান বলেন, সোমবার সকাল ৬ থেকে ৯টা পর্যন্ত কুমিল্লায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তাছাড়া গত রোববার দুপুর ১২টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লায় ১৩৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। দিনভর আরও ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।