• ই-পেপার

কওমি শিক্ষা বোর্ডে দ্বিতীয় জামিয়া রাব্বানিয়া মাদরাসা

টাঙ্গাইলে গ্যাস পাইপলাইনে ফাটল, ৬ সিএনজি স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে গ্যাস পাইপলাইনে ফাটল, ৬ সিএনজি স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের কাজ চলাকালে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকায় গ্যাস সঞ্চালন লাইনের মূল পাইপলাইনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় এলেঙ্গা-টাঙ্গাইল-চন্দ্রা রুটের ছয়টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্ডারপাস নির্মাণকাজের পাইলিং করার সময় এ ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চার লেন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্ডারপাস নির্মাণের জন্য ভারী যন্ত্র দিয়ে গভীর পাইলিংয়ের কাজ চলছিল। এ সময় মাটির নিচে থাকা গ্যাস সঞ্চালন লাইনের অবস্থান সঠিকভাবে চিহ্নিত না হওয়ায় পাইলিং যন্ত্রের আঘাতে মূল পাইপলাইনে ফাটল সৃষ্টি হয়।

ফাটলের পর উচ্চচাপের গ্যাস দ্রুত বের হতে শুরু করলে বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাসের তীব্র শব্দ ও গন্ধে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) হারুন অর রশিদ বলেন, আন্ডারপাসের পাইলিংয়ের সময় গ্যাসের মূল পাইপলাইন ফেটে যায়। ঘটনার পরপরই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্যাস কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন মেরামতের কাজ চলছে।

ঘটনার পর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

তিতাস গ্যাসের টাঙ্গাইল কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন মেরামতে সারারাত লেগে যেতে পারে। এ কারণে এলেঙ্গা-টাঙ্গাইল-চন্দ্রা রুটের ছয়টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে অন্য সব গ্যাস সংযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস সংযোগ দ্রুত সচল করতে মেরামতের কাজ চলছে।

টঙ্গীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
টঙ্গীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫
গ্রেপ্তার ৫ জনের মধ্যে ৪ জন। ছবি : কালের কণ্ঠ

গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিলের ঘটনায় ১২ জনকে শনাক্ত ও ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়। এ থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে দায়ের করা এই মামলার বাদী উপপরিদর্শক (এসআই) মনোহর আলী। 

গ্রেপ্তাররা হলেন টঙ্গী পূর্ব থানার শালিকচূড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪৩), মাছিমপুর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩২), পূবাইলের রবীন্দ্র কুমার দাসের ছেলে জীবন কুমার দাস (৩৫), বড় দেওড়ার সামসুদ্দিনের ছেলে খলিলুর রহমান (৫০) ও সাতাইশ এলাকার হাকিম আলীর ছেলে নিয়ামুল হাসান নাহিদ (১৮)। 

মামলার আসামিরা হলেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মো. আলাউদ্দিন সিপাই (৩৫),  ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতা পঙ্কজ, নাজমুল, নামিম বাবু, নিয়ামুল হাসান নাহিদ, আশরাফুল ইসলাম, শ্রাবন বেপারী, তানজীম আহমেদ তামিম, সাইফুল ইসলাম সজিব, শিশির আহমেদ অনিক, জীবন কুমার লালসহ অজ্ঞাতপরিচয়ের ৩০ থেকে ৪০ জন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে টহল ডিউটি করার সময় টঙ্গীর সাতাইশ বাগান বাড়ি রোডে মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেট সংলগ্ন হযরত শাহজালাল রোডের মাথায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকে। গাছা থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ গাজীপুর মহানগর শাখার ব্যানারে অনুষ্ঠিত মিছিলে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’-সহ বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দেওয়া হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান মামলা ও ৫ আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রবাসীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রবাসীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় তিনজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবাসী আব্দুল মতিন বাদি হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।  

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন এ ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বাতিসা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে সৌদি প্রবাসী আব্দুল মতিনের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আব্দুল গণির ছেলে আমিনুল হক তুহিনের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে আমিনুল হক তুহিনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল আব্দুল মতিনের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা আব্দুল মতিনের ভাই আব্দুল মমিন সুজনের তিনটি ঘরের টিনের চাল, বেড়া ও সিমেন্টের খুঁটি ভেঙে ফেলে এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এসময় আব্দুল মতিন, আব্দুল মজিদ সুজন ও আব্দুল মমিন সুজন তাদের বাধা দিলে তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানি করা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় প্রবাসী আব্দুল মতিন বাদী হয়ে গত ২৭ জুলাই চৌদ্দগ্রাম থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলাকারীরা পাশের আরো দুটি ঘরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

প্রবাসী আব্দুল মতিন বলেন, থানায় মামলা দায়েরের পরও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মাদারীপুরে ঘরে রাখা হাতবোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল টিনের চালা

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে ঘরে রাখা হাতবোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল টিনের চালা
সংগৃহীত ছবি

মাদারীপুর সদর উপজেলার একটি নির্মীয়মাণ বাড়িতে রাখা হাতবোমার বিস্ফোরণে ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিকরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটমাঝি ইউনিয়নের ঝিকরহাটি গ্রামের বাসিন্দা জালাল খানের নির্মীয়মাণ একটি ঘরে দুর্বৃত্তরা কয়েকটি হাতবোমা রেখে যায়। রাতের কোনো এক সময় সেগুলোর মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটলে বিকট শব্দে ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বাড়ির মালিক জালাল খান জানান, এটি তার পরিত্যক্ত নির্মীয়মাণ ঘর। শত্রুতার জেরে কে বা কারা সেখানে হাতবোমা রেখে গেছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিস্ফোরণের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কওমি শিক্ষা বোর্ডে দ্বিতীয় জামিয়া রাব্বানিয়া মাদরাসা | কালের কণ্ঠ