• ই-পেপার

মুন্সীগঞ্জের ২ থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদ হস্তান্তর

পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪
সংগৃহীত ছবি

পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ জনে।
মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গুরুতর আহত শিশু নাফিস (৭) কে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল তিনটার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।

এর আগে রাজশাহী নেওয়ার পথে নাটোরে পৌঁছার পর বেলা ১১টার দিকে ছলিম প্রামানিক (৬৫) নামে একজন মারা যান। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামানিকের ছেলে। এর আগে সকালে দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮)।

এ ঘটনায় আহত দুইজন ছলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের লাশ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্স চালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানী বুলু খাতুন নিহত হন। এ সময় আরো ৪ জন গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা নিহতদের লাশ উদ্ধার করে এবং  আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেইসঙ্গে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

নিখোঁজের একদিন পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের একদিন পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিখোঁজের একদিন পর পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মোহাম্মদ সাঈদ (৬) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১০টার দিকে উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করেন।

নিহত সাঈদ ওই এলাকার মো. আবদুর রহিমের ছেলে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থাকা অবস্থায় সাঈদ নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে মাইকে নিখোঁজের ঘোষণা দেন।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী দল স্থানীয় আবদুল গফুরের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

পরে লাশটি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মৌলভীবাজারে উচ্ছেদ অভিযানে সংরক্ষিত বনের ৫ একর ভূমি উদ্ধার

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারে উচ্ছেদ অভিযানে সংরক্ষিত বনের ৫ একর ভূমি উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রেঞ্জের অধীন আদমপুর বিটের কালিন্জি বসতি এলাকায় যৌথ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করেছে বন বিভাগ। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা বিভিন্ন বাগান, স্থাপনা ও একটি অবৈধ পুকুর অপসারণের মাধ্যমে ভূমিটি পুনরায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বন বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও কমলগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিয়াজ মাহমুদ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে সেখানে মাল্টা, আনারস, লেবু ও সুপারির বাগান গড়ে তুলে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে আসছিল। যৌথ অভিযানে এসব অবৈধ চাষাবাদ সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা হয়।

অভিযানের সময় অবৈধভাবে নির্মিত দুটি বাঁশ ও পলিথিনের শেড এবং একটি ওয়াচার শেড ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলের একটি প্রাকৃতিক জলাশয়ে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা অবৈধ পুকুরের পাড় কেটে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনঃস্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করে বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে নতুন করে কেউ যাতে বনভূমি দখল করতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।

রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) প্রীতম বড়ুয়া বলেন, উদ্ধার হওয়া বনভূমি পুনরায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী বন মামলা (পিওআর) দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। 

তিনি বলেন, ‘বনভূমি দখল ও ধ্বংসের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরো জানান, দখলমুক্ত স্থানে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি’ বৃক্ষরোপণের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের মাধ্যমে বনায়ন সৃজন করা হবে।

পরিবেশবিদদের মতে, সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করার এ ধরনের উদ্যোগ বন সংরক্ষণ, জলাধার রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বনভূমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে অবৈধ দখল অনেকাংশে কমে আসবে।

রায় কার্যকর চান শহীদ আবু সাঈদের মা-বাবা ও সহযোদ্ধারা

নজরুল ইসলাম রাজু, রংপুর
রায় কার্যকর চান শহীদ আবু সাঈদের মা-বাবা ও সহযোদ্ধারা
ছবি : কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদের আত্মত্যাগের দুই বছর পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)। ২০২৪ সালের এই দিনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। পুলিশের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে বুক উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের সেই দৃশ্য দেশ-বিদেশে আলোড়ন তোলে এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)বিকালে আবু সাঈদের বাড়িতে বাবা-মা-ভাইয়ের সাথে কথা হয়। তাদের দাবি অতিদ্রুত রায় কার্যকর হোক’-আবু সাঈদের মা-বাবা ও সহযোদ্ধাদের।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গত ৯ এপ্রিল রায় ঘোষণা করে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। তবে রায় ঘোষণার কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা-মা, পরিবারের সদস্য এবং তার সহযোদ্ধারা। তাদের একটাই দাবি-দ্রুত রায় কার্যকর করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। 

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ছেলের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘দুই বছর হয়ে গেল, ছেলেটা আর নেই। আজ ওর কথা খুব বেশি মনে পড়ছে। ছেলেকে তো আর ফিরে পাব না। আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেটা যদি বেঁচে থাকতে কার্যকর হতে দেখতাম, তাহলে অন্তত কিছুটা শান্তি পেতাম। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, তাদের সবার সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত কার্যকর হোক।’

মা মনোয়ারা বেগমের কণ্ঠেও একই বেদনা। তিনি বলেন, ‘‘দুই বছর হয়ে গেল। প্রতিদিন ছেলের কবরের কাছে যাই। মনে হয়, এই বুঝি ফোন দিয়ে বলবে, ‘মা, কেমন আছো?’ কিন্তু সেই ডাক আর আসে না। সংসারের হাল ধরার কথা ছিল আমার বাবাটার। দেশের জন্য নিজের জীবন দিয়ে গেল। যারা আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” 

আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সবার আগে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা সিয়াম আহসান আয়ান বলেন, ‘নিজের পরিবার, বাবা-মা কিংবা নিজের জীবনের কথা না ভেবে আবু সাঈদ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। মামলার রায় হতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। এখন সেই রায় দ্রুত কার্যকর করতে কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চাই। সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা-বিচার যেন দ্রুত বাস্তবায়ন হয়।’

শহীদ আবু সাঈদের সহযোদ্ধা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পার হয়ে গেল। প্রথম শহীদের মামলার রায় হয়েছে, কিন্তু তা এখনো কার্যকর হয়নি। ন্যায়বিচারের পূর্ণতা আসবে তখনই, যখন রায় বাস্তবায়ন হবে। আমরা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানাই।’

আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমাদের পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে,তা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়। তবে রাষ্ট্র যদি দ্রুত বিচার কার্যকর করে, তাহলে অন্তত মনে হবে আবু সাঈদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে।’’

বড় ভাই রমজান আলী বলেন, ‘আবু সাঈদ শুধু আমাদের পরিবারের সদস্য ছিল না, সে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে। আমরা চাই, বিচার দ্রুত কার্যকর হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও গুলি ছোড়া হয়। উত্তেজনাপূর্ণ সেই মুহূর্তে আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক উঁচিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশের ছোড়া গুলিতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় শোক আর হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে তাকে দাফন করা হয়। দুই বছর পরও সেই কবরের পাশে প্রতিদিন জড়ো হয় স্বজনদের দীর্ঘশ্বাস। আর তাদের কণ্ঠে আজও একই আবেদন-আবু সাঈদকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না, কিন্তু ন্যায়বিচারের শেষ ধাপ হিসেবে আদালতের রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।

মুন্সীগঞ্জের ২ থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদ হস্তান্তর | কালের কণ্ঠ