• ই-পেপার

বন্ধ কুমিল্লা চিড়িয়াখানা, চলছে শাক-সবজির চাষ

কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত থেকে বুধবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক, লে. কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মঈনপুর ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল ও খাড়েরা বিওপির টহলদল অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরো জানান, এ সময় বাসমতি চাউল, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, ফুসকা, গরু, চকলেট, চিংড়ি মাছের রেনু, অলিভ অয়েল, শাড়ি, গাঁজা, মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

হবিগঞ্জের দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২
ছবি: কালের কণ্ঠ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে এক বাসচালক নিহত হয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজন যাত্রী মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার এলাকায় আকিজ ভেঞ্চার কম্পানির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ইউনিক বাসচালক কিশোরগঞ্জের দড়ি চরিয়াকোনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে তাজুল ইসলাম রুবেল (৫১) এবং ইউনিক বাসের যাত্রী সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাদ্দাম হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ডুবাঐ বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী লাকি পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। অপরদিকে লাকি পরিবহনের বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকে। পরে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ও বাহুবল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ইউনিক পরিবহনের বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার করেন এক দুর্ঘটনাকবলিত লাকি পরিবহনের বাস সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইউনিক পরিবহন ও লাকি পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউনিক পরিবহনের বাসচালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজন মারা গেছেন।’

হবিগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ২০

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ২০
ছবি: কালের কণ্ঠ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক বাসচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন যাত্রী। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার এলাকায় আকিজ ভেঞ্চার কম্পানির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকাল ৮টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ডুবাঐ বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী লাকি পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। অপরদিকে লাকি পরিবহনের বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের বাসচালক নিহত হন। গুরুতর আহত হন লাকি পরিবহনের বাসচালকসহ উভয় বাসের অন্তত ২০ জন যাত্রী। স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। নিহত বাসচালক কিশোরগঞ্জের দড়ি চরিয়াকোনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে তাজুল ইসলাম রুবেল (৫১)।

দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ও বাহুবল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ইউনিক পরিবহনের বাস চালকের মরদেহ উদ্ধার করেন এক দুর্ঘটনাকবলিত লাকি পরিবহনের বাস সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইউনিক পরিবহন ও লাকি পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউনিক পরিবহনের বাসচালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’

টাকা যেন জীবাণুর কারখানা, পোড়া নোটের নেপথ্যে কী?

নজরুল ইসলাম, গফরগাঁও
টাকা যেন জীবাণুর কারখানা, পোড়া নোটের নেপথ্যে কী?
ফাইল ছবি

লিটল ফকির একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পান সিগারেটের ছোট একটি দোকান চালান। প্রতিদিন তাকে ছেঁড়া-ফাড়া খুচরা টাকা নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে ঝগড়া করতে হয়।

তিনি বলেন, ‘সব খুচরা টেহাই ছিঁড়া-ফাড়া। কোনা-কানায় আগুনে পুড়া। হারাদিনে ৩০/৪০জন কাস্টমারের লগে ছিঁড়া-ফাড়া টেহা লইয়া কাইজ্জা করুন লাগে। মিজাজ কিবায় ভালা থাকব?’

মহির খারুয়া গ্রামের রিকশাচালক মনির উদ্দিন বলেন, ‘ছিঁড়া-ফাড়া টেহা লইয়া যাত্রীগর লগে হারা দিনই কাইজ্জা হরুন লাগে। যাত্রীরাও দেয় ছিঁড়া-ফাড়া টেহা। হিব্বার ভাংতি ফেরত দেওয়ার সময় আমিও দেই ছিঁড়া টেহা। কোনো ভালা খুচরা টেহা নাই।’

শুধু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লিটল ফকির বা রিকশাচালক মনির উদ্দিন নয় বাজারে প্রচলিত ছেঁড়া-ফাড়া, ময়লাযুক্ত খুচরা টাকা নিয়ে সব শ্রেণির পেশার মানুষই ভুক্তভোগী। শুধু ছেঁড়া-ফাড়া, ময়লাযুক্ত অনেক টাকার গায়ে আছে মাদকের ক্ষত। বিশেষ করে ১০, ২০, ৫০ টাকার নতুন নোটের কোনা আগুনে পোড়া থাকে। আগুনে পোড়া টাকা কেউ নিতে চায় না। মাদকসেবীরা খুচরা নতুন টাকার ওপর মাদক রেখে আগুনে পুড়িয়ে মাদক সেবন করে বলে জানা গেছে।

বাজারে প্রচলিত এসব ছেঁড়া-ফাড়া, ময়লাযুক্ত খুচরা টাকা ব্যাংক নেয় না। বিকল্প না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে এসব ছেঁড়া-ফাড়া ময়লাযুক্ত টাকা ব্যবহার করে। ফলে এসব টাকা লেনদেন করার সময় সর্বত্র ঝগড়া-ফ্যাসাদ, বাহাস ও তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তারচেয়েও ভয়ংকর বিষয় হলো এসব ছেঁড়া-ফাড়া ময়লাযুক্ত টাকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন চর্ম রোগ, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ পেটেরপীড়া। ক্রমে এসব রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরকারি এক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এই সমস্যার ভুক্তভোগী আমি নিজেও। প্রচলিত ছেঁড়া-ফাড়া ময়লাযুক্ত টাকার আদান-প্রদান অবশ্যই সমস্যা। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবছর প্রচলিত ছেঁড়া-ফাড়া ময়লাযুক্ত টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে এই নম্বরের নতুন টাকা বাজারে ছাড়ার কথা। কিন্তু আমার জানা মতে কয়েক বছর ধরে নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হচ্ছে না।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘ছেঁড়া-ফাড়া ময়লা যুক্ত টাকার মাধ্যমে স্ক্যাবিস, একজিমা, এলার্জিসহ বিভিন্ন চর্মরোগ ও ডায়রিয়া, আমাশয়, পেটের পীড়া হতে পারে।’

বন্ধ কুমিল্লা চিড়িয়াখানা, চলছে শাক-সবজির চাষ | কালের কণ্ঠ