ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানা পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, তারা গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মহাসড়কে পরিবহন থামিয়ে নিয়মিত অর্থ সংগ্রহ করছিলেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যার আগে সদর উপজেলার মুন্সিবাজার এলাকায় ফরিদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে তাদের কোতোয়ালী থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়। পরে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে, তারা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান।
আটকরা হলেন- মো. ফরহাদ হোসেন, মো. দিলু মিয়া, মো. জুলফিকার ও মো. মতি শেখ। তারা সদর উপজেলার বাসিন্দা ও শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ায়। পরে মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে অর্থ আদায়ের সময় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রতিটি বাস থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হয়েছিল। পরে জানা গেছে, তারা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। শ্রমিক সংগঠনের তহবিলে অর্থ জমা দেওয়া হয়। শ্রমিকদের কল্যানে সংগঠনটি কাজ করে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবহন থেকে টাকা উত্তোলনের সময় চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। পরে জানতে পারি চাঁদা আদায়কারীরা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। নিহত-আহত শ্রমিকদের কল্যাণে সংগঠনটি কাজ করে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় তাদের চারজনকে দেওয়া হয়েছে।’





