• ই-পেপার

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক-সিআইডি-বিকাশের যৌথ ক্যাম্পেইন

মিরপুরে আকিজ মেডিপ্লেক্সে স্বয়ংক্রিয় ভাইটাল পরীক্ষা, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রযুক্তি

এক ছাদের নিচে নির্ভুল রোগ নির্ণয়

অনলাইন ডেস্ক
মিরপুরে আকিজ মেডিপ্লেক্সে স্বয়ংক্রিয় ভাইটাল পরীক্ষা, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রযুক্তি

আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। এ চাহিদা পূরণে উন্নত প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুর-১০-এ (শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের বিপরীত দিকে) যাত্রা শুরু করেছে আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ মেডিপ্লেক্স।

আকিজ মেডিপ্লেক্স আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রয়োজন অনুযায়ী এআই-সহায়ক (AI-assisted) প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষণ ব্যবস্থা পরীক্ষার ফলাফল আরো নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করতে সহায়তা করে, যা চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে চুড়ান্ত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়।

আকিজ মেডিপ্লেক্স লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার আবু জাফর ইকবাল আহমেদ বলেন, প্রযুক্তি কখনোই চিকিৎসকের বিকল্প নয়। বরং উন্নত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও এআই-সহায়ক প্রযুক্তি চিকিৎসকদের আরো নির্ভুল তথ্য ও বিশ্লেষণ প্রদান করে, যাতে তারা দ্রত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা করতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য প্রযুক্তি ও মানবিক সেবার সমন্বয়ে রোগীদের জন্য নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

আকিজ মেডিপ্লেক্স রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও জার্মানির সর্বশেষ প্রযুক্তির এমআরআই, সিটি স্ক্যান, ডিজিটাল এক্স-রে, ইকোকার্ডিওগ্রাম, আল্ট্রাসাউন্ডসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও অভিজ্ঞ প্যাথলজিস্ট এবং ল্যাব টেকনোলজিস্ট। রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অত্যাধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিনে ৮২ শতাংশ পর্যন্ত কম রেডিয়েশন ব্যবহার করে পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া প্রতিটা পরীক্ষার মান কঠোরভাবে পযবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

চিকিৎসক ও রোগীদের সুবিধার জন্য আকিজ মেডিপ্লেক্সে চালু হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ভাইটাল পরীক্ষা ব্যবস্থা। মাত্র কয়েক মিনিটে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগীর ৩৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সূচক পরিমাপ করা যায়। এসব তথ্য রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসককে দ্রুত প্রাথমিক ধারণা দেয় এবং রোগ নির্ণয় প্রক্রিয়ায় সহায়ক তথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এ ছাড়াও আকিজ মেডিপ্লেক্সে রয়েছে দেশের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেম্বার, ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড, অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট, অনলাইন রিপোর্টিং, ফার্মেসি এবং হোম স্যাম্পল কালেকশন সুবিধা। ফলে রোগীরা একই স্থান থেকে ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, রিপোর্ট এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

আকিজ রিসোর্সের স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের অংশ হিসেবে আকিজ মেডিপ্লেক্সে উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ চিকিৎসক এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য আরো সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পাশে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক
বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পাশে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী দিয়েছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ)। সম্প্রতি উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায় সংস্থাটি।

বাঁশখালী উপজেলার বাঁশখালা গ্রাম ও পুঁইছড়ি ইউনিয়নের প্রেমের বাজার এলাকার প্রায় ৩৫০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করেছে।

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী মাহির শাহরিয়ার রহমানের পরিচালনায় এ ত্রাণ অভিযান পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব অ্যাড. জিয়া হাবীব আহসান, ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক অ্যাড. সৈয়দ মো. হারুন, চট্টগ্রাম জেলা সেক্রেটারি অ্যাড. জসিমউদদীন, অ্যাড. হাসান আল বান্নাহ, অ্যাড. শান্তনু চৌধুরী ও অন্যান্য আইনজীবী মানবাধিকার কর্মীরা।

সংস্থাটি বন্যাদুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং নিষ্ঠার প্রশংসা করেছে।

বাঁশখালী, বাহারছড়া ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ২০২৬ সালের বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণ অনুধাবন করতে একটি সরেজমিন সমীক্ষা পরিচালনা করে। এই সমীক্ষার ভিত্তিতে সংস্থাটি বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রধান কারণগুলো তুলে ধরে একটি সরেজমিন মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে।

মানবাধিকার কর্মী অ্যাড. কে এম শান্তনু চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন সৈকত মোহাম্মদ রিফাত এবং বাহারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের দ্বারা প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি স্বাভাবিক পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটা এ বন্যার জন্য একটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। প্রতিবেদনে খাল দখল, স্লুইস গেটের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ, উজানের পাহাড় থেকে পলি জমা, সংযোগকারী খালের ধারণক্ষমতা হ্রাস এবং অপরিকল্পিত বসতির মতো বিষয়গুলোকেও এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে প্রভাবিতকারী প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য নদীখাত ভরাট এবং বাঁধ নির্মাণের কারণেও এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, বিএইচআরএফ খাল পুনরুদ্ধার ও পরিষ্কার করা, বিদ্যমান স্লুইস গেট ব্যবস্থার উন্নতি সাধন, পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানির যথাযথ নিষ্কাশন নিশ্চিত করা, খালের অবৈধ দখল অপসারণ এবং বন্যাপ্রবণ এলাকায় অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ প্রতিরোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

বিএইচআরএফ জোর দিয়ে বলেছে যে, স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যা ব্যবস্থাপনার উন্নতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সারা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের এমডি আনোয়ার হোসেন মিন্টু আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
সারা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের এমডি আনোয়ার হোসেন মিন্টু আর নেই

সারা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ার হোসেন মিন্টু মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (২৭ জুলাই) তিনি আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।

আনোয়ার হোসেন মিন্টুর পরিবার তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সব আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছে।

ইবিএলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আনিস আহমেদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইবিএলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আনিস আহমেদ
সংগৃহীত ছবি

ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল)-এর পরিচালনা পর্ষদ আনিস আহমেদকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছে। তার নিয়োগ ২৭ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি পরিচালনা পর্ষদের এক্সিকিউটিভ কমিটির (ইসি) সদস্য এবং এর আগে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির (আরএমসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আনিস আহমেদ সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও গ্রুপ সিইও। ২৬টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসার পরিধিতে রয়েছে শীর্ষস্থানীয় ফাস্ট ফ্যাশন, ই-কমার্স, অটোমোটিভ ও ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের সাপ্লাই চেইন সল্যুশন, প্রাইভেট কনটেইনার টার্মিনাল, ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি যৌথ উদ্যোগে এয়ারলাইন, গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের ডিস্ট্রিবিউটরশিপ, লজিস্টিকস, খাদ্য ও পানীয়ের রিটেইল ব্যবসা এবং আর্থিক সেবাখাত।

তিনি বুটস্ট্র্যাপড স্টার্টআপ ‘ওভাই’ (রাইড-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম), ‘ওয়াদাআ.ইনসিউর’ (ইনসুরটেক) এবং আবাসন অ্যাগ্রিগেশন প্ল্যাটফর্ম ‘যাত্রা’র প্রতিষ্ঠাতা। গত এক দশক ধরে তিনি বাংলাদেশে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা উদ্যোগকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করে আসছেন।

চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আনিস আহমেদ বলেন, ‘আজ ইবিএল ব্যাংকিংয়ের এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে পরিচালনা পর্ষদ নারীনেতৃত্বাধীন জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের বিকাশ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।’

সামাজিক উদ্যোগেও ভূমিকা রাখছেন আনিস আহমেদ। তার উদ্যোগে জুলাই বিপ্লবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে সুহানা এবং আনিস আহমেদ ফাউন্ডেশন (সাআফ)-এর মাধ্যমে ২৬৮ জন জুলাই মুক্তিযোদ্ধাকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে সাআফের সিগনেচার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের ৩১ শয্যার শিশু হেমাটোলজি ওয়ার্ড শিশুদের মৃত্যুহার কমানো এবং সম্পূর্ণ রোগমুক্তির হার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইবিএলের প্রত্যাশা, আনিস আহমেদের বিস্তৃত আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত নেতৃত্ব ব্যাংকটিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুদৃঢ় করতে এবং গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।