• ই-পেপার

পূবালী ব্যাংকের অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের জন্য ৩০% লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন, যার ১৫% নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫% স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার যোগ দেন। 

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এজিএম-এ আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ– সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।   

সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানান। কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস এজিএম পরিচালনা করেন। 
    
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,২৫১ কোটি টাকায়। ২০২৫ সালে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১,২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০% বেশি।  

সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২.৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪.১৪ টাকা।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তার বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। 

তার তুলে ধরা উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল, ২০২৫ সালে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির গ্রাহক আমানতে ২৯% এবং ঋণে ১৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন। তিনি শেয়ারহোল্ডার, রেগুলেটর, এবং স্টেকহোল্ডারদের তাদের সমর্থন এবং অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ষষ্ঠ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ষষ্ঠ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের ষষ্ঠ সভা সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব কাজি শায়রুল হাসান।

সভায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ ব্যাংকেরর ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া পর্ষদের আহ্বানে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে মার্জার প্রক্রিয়ার আওতাধীন পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

ভারত-বাংলাদেশ পর্যটন সহযোগিতা জোরদারে মৌলভীবাজারে মতবিনিময়সভা

দুই দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
ভারত-বাংলাদেশ পর্যটন সহযোগিতা জোরদারে মৌলভীবাজারে মতবিনিময়সভা
সংগৃহীত ছবি

ভারত ও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি নিয়ে মৌলভীবাজারে এক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থলবন্দর দিয়ে সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে এসে এ মতবিনিময়ে অংশ নেন ভারতের তামিলনাড়ুর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোজ জৈন ও ত্রিপুরাভিত্তিক ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান হলিডে প্ল্যানার্সের স্বত্বাধিকারী মনিষ চক্রবর্তী।

সফরকালে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দৈনিক কালের কণ্ঠের মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম এবং দৈনিক নয়া দিগন্তের শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ও স্মার্ট ট্যুরিজমের স্বত্বাধিকারী এম এ রকিব।

পরে তারা শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) পরিদর্শন করেন। সেখানে চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক তাদের স্বাগত জানান। এ সময় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর যুগ্ম সচিব সালেহা বিনতে সিরাজ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অতিথিরা মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন।

মতবিনিময়সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে উভয় দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করা, নতুন পর্যটন প্যাকেজ চালু করা এবং যৌথ উদ্যোগে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার হলে পর্যটন খাত আরো সমৃদ্ধ হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, ভারতের তামিলনাড়ুর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোজ জৈন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ঊনকোটি জেলার জেলা প্রশাসক মেঘা জৈনের পিতা।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’

অনলাইন ডেস্ক
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’
সংগৃহীত ছবি

ঐতিহ্য ও দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘মৌসুমি ফল উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ফল উৎসব বৃহস্পতিবার শুরু হয়ে চলবে আগামীকাল পর্যন্ত।

এ ফল উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আম, জাম, লিচু, কাউ, কাঁঠাল, লটকনসহ বিভিন্ন দেশীয় রসালো ফলের সমারোহ ও সুবাসে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল কবির, রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান নাঈম, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক মিসেস আফরোজা হেলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহেদুর রহমান, প্রক্টর মো. আনিছুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধানগণ, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড মুশফিকুর রহমান ধ্রুব, এবং  পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড জাহিদ হাসান।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মকে দেশের ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।