ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালকে ‘গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড’ ও সাকিফ শামীমকে ‘গ্রেটেস্ট লিডার’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত মর্যাদাপূর্ণ জেডব্লিউ ম্যারিয়ট হোটেলে জমকালো আয়োজনে ‘২৭তম এশিয়াওয়ান আশিয়ান সামিট’-এ এই সম্মাননা ঘোষণা করা হয়। এই বৈশ্বিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা ছাড়াও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা এবং করপোরেট প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ইউনাইটেড রিসার্চ সার্ভিসেস’ (URS) এবং এশিয়াওয়ান ম্যাগাজিনের যৌথ উদ্যোগে ভোক্তা ও খাত-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিবিড় জরিপ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এশিয়া, আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের মধ্য থেকে এই শ্রেষ্ঠত্ব নির্বাচন করা হয়। আন্তর্জাতিক এই শীর্ষ সম্মেলনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ ও বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে উদযাপিত হয়, যেখানে বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার বাংলাদেশে বিশ্বমানের সমন্বিত ক্যান্সার চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণে শুরু থেকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ ও ডেডিকেটেড মেডিকেল টিম এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবার মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে, সাকিফ শামীম তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে নিরলস উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাখাতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এই দ্বৈত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।
এই গৌরবময় অর্জন সম্পর্কে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম বলেন, ‘যেকোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কাজের দায়বদ্ধতাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জন ল্যাবএইড পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম, সেবাগ্রহীতাদের আস্থা এবং বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট, দেশের মাটিতেই বিশ্বমানের ক্যান্সার চিকিৎসা নিশ্চিত করা, যেন কোনো রোগীকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে না হয়। আমরা আগামীতেও প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং সেবার মান ধরে রেখে মানুষের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’
প্রসঙ্গত, এশিয়াওয়ান একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিজনেস ম্যাগাজিন, যা এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ও সফল নেতৃত্বের অবদানকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে।




