বিশ্বকাপ শুরুর আর কয়েক ঘন্টা বাকি। বৈশ্বিক এই আসরের উন্মাদন এখনো পৌঁছায়নি আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। পর্যটকদের যে সমাগমের আশা করা হয়েছিলো বাস্তবে তা শূন্য।
চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত এই আসর নিয়ে বেশ আশায় ছিলো মার্কিনীরা। তাদের পর্যটন শিল্পে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। বাস্তবে তার উল্টো দেখা যাচ্ছে পরিস্থিতি। বিভিন্ন সংস্থাগুলো একে ভয়ের পরিবেশ হিসেবেও বর্ণনা করছে।
আকাশছোঁয়া টিকিট মূল্য হওয়ায় বিদেশি দর্শক টানতে ব্যর্থ হচ্ছে আয়োজক দেশ। এতে কমে গেছে ফ্লাইট বুকিং। উল্লেখসংখ্যক ভ্রমনকারী না হওয়া হোটেলে ভাড়া কমাতে বাধ্য হচ্ছে হোটেল মালিকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতের বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় এবারের উত্তেজনা অনেকটাই কম দেখা যাচ্ছে।
তিন দেশে ম্যাচ আয়োজনে ভক্তদের পছন্দের দলের খেলা দেখতে দীর্ঘ ভ্রমন আর্থিক ব্যয়ের ইচ্ছা তো আছে। তাছাড়া ১৬ শহরে ম্যাচ দেখার খরচ, ভিসার বাধা এবং আনুষঙ্গিক বিষয় বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আর বিশ্বকাপ ফুটবল এমন একটি দেশে হচ্ছে যেখানে ইউরোপের চেয়ে কম জনপ্রিয় ফুটবল খেলা। এই শূণ্যস্থান মার্কিনীরাও পূরণ করতে পারছে না।
হোটেল অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ ইয়র্ক সিটির সিইও বিজয় দণ্ডপাণি বলেছেন, সবমিলিয়ে এটি একটি হতাশাজনক ঘটনা। এর চেয়ে ভালো কোনো শব্দ আমার বলার নেই। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে হোটেল ব্যবসায় আয়ের যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিলো। এমন পরিস্থিতিতে ৬০ শতাংশ কমিয়ে ৬ কোটি ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে।
বিমান চলাচল সংক্রান্ত তথ্য ও বিশ্লেষণকারী সংস্থার(সিরিয়াম) তথ্য অনুযায়ী, গেল বছর ইউরোপীয়রা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। চলতি বছরের জুন-জুলাইতেই এই হার আরো কমে ৩.৮ শতাংশে নেমেছে।
১৯শে জুলাই নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচেও ইউরোপ থেকে বুকিং কমেছে ১৫.৮ শতাংশ।




