• ই-পেপার

পাঠাওয়ে এলো সিএনজি সেবা

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

কর্মসংস্থান, বৈশ্বিক সংযোগ, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া এবং ভাষা শিক্ষায় উৎকর্ষ সাধনে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মঞ্জুর এলাহী’ অডিটরিয়ামে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেন্টার চালু করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি। রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশ্বের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ চালু সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে দীর্ঘ যে বন্ধন রয়েছে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে তা আরো দৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর প্রথম ভাষা হিসেবে জাপানি ভাষাকে বেছে নেওয়ায় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, তৃতীয় ভাষা শেখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানকে গুরুত্ব দিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে এখানকার শিক্ষার্থীরা সীমানা ছাড়িয়ে নিজেদের বৈশ্বিক গ্র্যাজুয়েট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপসচিব হেদায়তুল ইসলাম। তিনি এই ধরনের শিক্ষাগত অগ্রগতিমূলক কাজের সঙ্গে সরকারের একাত্মতার কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান বিশিষ্ট অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিতে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ছাড়াও জাপান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

আশা ইউনিভার্সিটিতে ২ দিনব্যাপী স্কিল ট্রেনিং অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
আশা ইউনিভার্সিটিতে ২ দিনব্যাপী স্কিল ট্রেনিং অনুষ্ঠিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম)-এর উদ্যোগে ৩ ও ৪ জুলাই আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে ২ দিনব্যাপী এসকিউসি (স্ট্যাটিস্টিক্যাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল) ফ্যাসিলিটেটর স্কিল ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রায় ৪০–৫০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. অলিউল্লাহ্, সাভারের এসেড স্কুলের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান তালুকদার এবং হারমাউন্ট হাই স্কুলের প্রিন্সিপাল রোখসানা মজুমদার। তাঁরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নেতৃত্বের বিকাশ, দলগত কর্মসম্পাদন, সমস্যা সমাধান কৌশল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসকিউসি পদ্ধতির কার্যকর প্রয়োগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গুণগত মান কখনোই আকস্মিকভাবে অর্জিত হয় না; এটি ধারাবাহিক উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার যুগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে টেকসই মানোন্নয়নের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সবসময়ই এ ধরনের পেশাগত উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে উৎসাহিত করে। সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করায় তিনি অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান এবং প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম)-কে ধন্যবাদ জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত) ডা: জেসমিন আক্তার প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। তারা আশা ব্যক্ত করেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা তাঁরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োগ করে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

স্কুলে পিরিয়ড নিয়ে আর নয় দুশ্চিন্তা, সোফি বাংলাদেশের ‘মনের কথা’য় থাকছে পরামর্শ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্কুলে পিরিয়ড নিয়ে আর নয় দুশ্চিন্তা, সোফি বাংলাদেশের ‘মনের কথা’য় থাকছে পরামর্শ
সংগৃহীত ছবি

নারীর মাসিক নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সংকোচ দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের একমাত্র ও প্রথম পিরিয়ড নিয়ে সোফি নিবেদিত টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘মনের কথা’ নিয়ে এসেছে দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্বের ইতিবাচক সাড়ার ধারাবাহিকতায় স্কুলপড়ুয়া কিশোরীদের জন্য এবারের আয়োজন।

স্কুলে হঠাৎ পিরিয়ড শুরু হলে কী করবেন, যদি লিক হয়ে যায় তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন, কীভাবে একটি ছোট্ট পিরিয়ড কিট প্রস্তুত রাখবেন কিংবা দৈনন্দিন জীবনে কোন সহজ অভ্যাসগুলো পিরিয়ডের সময় স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে, এসব বিষয় নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে এ পর্ব।

অনুষ্ঠানটিতে সহজ ভাষায় মাসিক চক্র সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরে, যাতে কিশোরী ও নারীরা নিজেদের শরীরকে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং ভুল ধারণা ও অপ্রয়োজনীয় ভয় কাটিয়ে উঠতে পারেন।

মনের কথা-এর অন্যতম আকর্ষণ হলো এর লাইভ কল-ইন পর্ব, যেখানে দর্শকরা সরাসরি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবেন। বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের কাছেও যেসব বিষয় বলতে সংকোচ বোধ করেন, সেসব মনের কথাও নির্দ্বিধায় শেয়ার করার আহ্বান জানানো হচ্ছে, কারণ খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই তৈরি হয় সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাস।

সোফি নিবেদিত মনের কথা প্রতি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় জিটিভিতে প্রচারিত হয়। পিরিয়ড নিয়ে নীরবতা ভেঙে সঠিক তথ্য, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দেশের নারী ও কিশোরীদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতেই অনুষ্ঠানটির এই ধারাবাহিক উদ্যোগ।

ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক
সংগৃহীত ছবি

দেশের ব্যাংকিং খাতে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে ব্যাংকটি। ৩০ জুন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ডিপোজিটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।

গত চার বছরে ব্যাংকটির রিটেইল ডিপোজিট প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। ২০২২ সালের জুনে ব্যাংকটির রিটেইল খাতে আমানত ছিল ১৭ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা, যা চার বছরের ব্যবধানে বেড়ে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত এক বছরে এটি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। দেশব্যাপী ব্র্যাক ব্যাংকের বিস্তৃত ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক এ সাফল্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে। এছাড়াও ব্যাংকটির রিটেইল সেলস ও এজেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলও আমানত বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের এমন লক্ষণীয় মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমাদের এ অর্জন ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং আরও বেশি মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। গ্রাহকদের আস্থা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত আমাদের সহকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি।” 

শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক, আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, উদ্ভাবনী প্রোডাক্ট ও সার্ভিস এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম শীর্ষ রিটেইল ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ব্যাংকটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ, গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পাঠাওয়ে এলো সিএনজি সেবা | কালের কণ্ঠ