• ই-পেপার

বৃত্তি নিয়ে দেশের বাইরে পড়াশোনা, বছরে মিলবে ৪৫ লাখ টাকা

ঢাবি পরিবেশ সংসদের তিন উপদেষ্টাকে গুণীজন সম্মাননা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি পরিবেশ সংসদের তিন উপদেষ্টাকে গুণীজন সম্মাননা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের তিন উপদেষ্টাকে গুণীজন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত তিন উপদেষ্টা হলেন জাতীয় পরিবেশ পদক অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ সংসদের সভাপতি শেখ রাশেদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কামাল অনিক এবং সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম আবু রাফি।

ঢাবি উপ-উপাচার্য

জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে
ছবি: কালের কণ্ঠ

জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ এবং সেন্টার ফর বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার আয়োজিত জুলাই স্মৃতির স্মরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নানাভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের এই সাহস, ত্যাগ ও আত্মদানের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। 

ঢাবির এই উপ-উপাচার্য বলেন, এই অভ্যুত্থানের ইতিহাস শুধু স্মরণ করলেই হবে না, এর চেতনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ন্যায়বিচার, সমতা ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শান্টু বড়ুয়া। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং সেন্টার ফর বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ অ্যান্ড কালচারের পরিচালক অধ্যাপক ড. বেলু রানী বড়ুয়ার শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
 

ঢাবির দুই ছাত্রী হলে ডিএসসিসি প্রশাসকের ফগার মেশিন বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবির দুই ছাত্রী হলে ডিএসসিসি প্রশাসকের ফগার মেশিন বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীদের দুটি আবাসিক হলে মশক নিধনে (এডাল্টিসাইডিং) ব্যবহৃত ফগার মেশিন বিতরণ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল প্রশাসনের কাছে ফগার মেশিন দুটি হস্তান্তর করা হয়।

​উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বানে ডিএসসিসি প্রশাসক হল দুটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। সেসময় হলে বিদ্যমান জলাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মশক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের ফগার মেশিন বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

​মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমে এডিস মশা প্রতিরোধে আমরা সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি। আজ প্রদত্ত ফগার মেশিনের সঠিক ব্যবহারে হলের শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ও এডিস মশার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।’

পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাধারণ নাগরিকদের সচেতন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

​অনুষ্ঠানে হল দুটির প্রশাসন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাবি শাখার নেতৃবৃন্দ এবং ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৬ দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৬ দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার ৭৫ দিন পার হলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’। একই সঙ্গে সংগঠনটির উত্থাপিত ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নেতারা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এ সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরো কয়েকটি হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সুমা ডুমরী বলেন, ঘটনার পর নারী নিরাপত্তা মঞ্চ প্রশাসনের কাছে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করলেও এখন পর্যন্ত একটি দাবিও বাস্তবায়িত হয়নি। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিকবার এসব দাবির বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাযিহা বিনতে শামসুদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিরাপত্তা সংকট একটি কাঠামোগত সমস্যা। তার অভিযোগ, কার্যকর সংস্কারের পরিবর্তে প্রশাসন পুরো ক্যাম্পাসে অপরিকল্পিতভাবে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের মতো সীমিত পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, অতীতেও বিভিন্ন ঘটনার পর সিসিটিভি ক্যামেরাসহ নানা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও অপরাধ কমেনি।

বক্তারা জানান, নারী নিরাপত্তা মঞ্চের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কার এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা।

সমাবেশ থেকে দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।