• ই-পেপার

খুবি

উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষক, সমালোচনা

সব স্কুল ও কলেজের জন্য জরুরি নির্দেশনা মাউশির

অনলাইন ডেস্ক
সব স্কুল ও কলেজের জন্য জরুরি নির্দেশনা মাউশির
সংগৃহীত ছবি

দেশের সব স্কুল ও কলেজে শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশি অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসন শাখার এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে স্ব-স্ব অঞ্চল ও দপ্তরের অধীনস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই তদারকি নিশ্চিত করতে মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক, দেশের সকল অঞ্চলের পরিচালক ও উপ-পরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের মাঠপর্যায়ে এই মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।
 

ক্যাডার বঞ্চিতের অভিযোগ, টানা ১২ দিনের আন্দোলনে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

শেকৃবি প্রতিনিধি
ক্যাডার বঞ্চিতের অভিযোগ, টানা ১২ দিনের আন্দোলনে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

ডিগ্রি জটিলতা ও ক্যাডার বঞ্চিতের অভিযোগ তুলে ত্দন্তের দাবিতে টানা ১২ দিনের মতো আন্দোলন করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এনিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের শিক্ষার্থীরা। ৪৭তম বিসিএসের টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফল প্রকাশের পর ডিগ্রি জটিলতার কারণে ক্যাডার বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৫ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। 

বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা মাথায় লাল ফিতা বেঁধে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ, হিউম্যান নেমিং, গ্রাফিতি অঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করছেন। টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফলাফলে সম্ভাব্য কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট তদন্ত এবং বৈষম্য নিরসনের উদ্যোগ না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, টেকনিক্যাল ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এএসভিএম অনুষদের প্রায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হননি। তাঁদের অভিযোগ, আবেদন কোড বা অন্য কোনো কারিগরি জটিলতার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।


শেকৃবির এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভেটেরিনারি মেডিসিন ও এনিম্যাল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিবৃতির মাধ্যমে তারা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান।

১৮ জন ভাইভা দেওয়ার পরেও কেউ সুপারিশপ্রাপ্ত না হওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৪৭তম বিসিএসে শেকৃবি থেকে প্রায় ৪০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে এএসভিএম অনুষদের প্রায় ১৮ জন শিক্ষার্থী প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে টেকনিক্যাল ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রকাশিত ফলাফলে ৭১টি টেকনিক্যাল ক্যাডার পদের একটিতেও তাদের নাম আসেনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এতসংখ্যক পরীক্ষার্থী চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পরও একজনও সুপারিশপ্রাপ্ত না হওয়ায় বিষয়টি স্বাভাবিক নয় এবং এটি তদন্তের দাবি রাখে।

আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন সংযোজিত কোড নিয়ে মূলত সমস্যা হয়ে থাকতে পারে এমন অভিযোগ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ৪৭তম বিসিএসে প্রথমবারের মতো কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের জন্য পৃথক আবেদন কোড (৬৪৭) সংযোজন করা হয়। এর আগে ৪৬তম বিসিএস এবং ৪৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তিতে এ ধরনের কোনো কোড ছিল না। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কোড চালুর ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই পরিবর্তনের সঙ্গে টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফলাফলের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তবে শুধু বিসিএস নয়, কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারী শিক্ষাথীদের নিয়োগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে  বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। এ বিষয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, সমস্যা শুধু ৪৭তম বিসিএসে সীমাবদ্ধ নয়। কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর প্রায় দেড় দশক পরও পশুপালন ও ভেটেরিনারি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি চাকরি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাননি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে এএসভিএম ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ হয়নি। এমনকি বহু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সুযোগ থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন।

কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারী রাকিব নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছি। আমাদের ডিগ্রির সঙ্গে সম্পর্কিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশে দীর্ঘদিন একজনকেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এখন সেই বৈষম্যের তালিকায় পিএসসিও যুক্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও স্থায়ী সমাধান চাই।’

আন্দোলন কর্মসূচির ৪ দফা দাবি সম্পর্কে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন, সম্ভাব্য কারিগরি ত্রুটি তদন্ত এবং কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ-সংক্রান্ত বৈষম্য স্থায়ীভাবে দূর করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে 'লং মার্চ টু পিএসসি' ও 'লং মার্চ টু বিএলআরআই'-সহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক করেছে। উপাচার্যের তত্ত্বাবধানে গঠিত একটি কমিটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন,‘বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। ইতোমধ্যে পিএসসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুসন্ধান এবং ডিগ্রির কোড-সংক্রান্ত সম্ভাব্য সমস্যা পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হলেও আমরা ইতিবাচক সমাধানের প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষের  কাছেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।’
 

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য : ইউজিসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য : ইউজিসি চেয়ারম্যান

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বা ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ও দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বিদ্যমান ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমের প্রথম ধাপে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ক্লাসরুম, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা অবকাঠামো এবং স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের যেকোনো অঞ্চলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা এবং ডিজিটাল জ্ঞানভাণ্ডার ব্যবহারের সমান সুযোগ পাবেন। বিদেশি গবেষণা জার্নাল, ই-বুক, গবেষণা নিবন্ধ এবং অন্যান্য ডিজিটাল রিসোর্সে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চার সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়বে।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, দেশকে ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে নেওয়া এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা বিশ্বের যেকোনো দেশের কর্মবাজারে দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারেন। এ জন্য শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত, ভাষাগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের অধীনে ২৫টি বিভাগে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আউটকাম-বেইজড কারিকুলামের ভিত্তিতে পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণা প্রকাশের পরিধিও ক্রমে বাড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে উপাচার্য বেসিক সায়েন্স বিষয়ে নতুন বিভাগ চালু, প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

মাভাবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রুমিং ও কাউন্সেলিং সেশন

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মাভাবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রুমিং ও কাউন্সেলিং সেশন
ছবি : কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ইঞ্জিনিয়ারিং, অনার্স ও বিফার্ম প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পৃথকভাবে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের ওরিয়েন্টেশনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ। বিভাগের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে তাদের বরণ করে নেওয়া হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এ আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির অনুপ্রেরণায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. ফজলুল করিম, প্রক্টর প্রফেসর ড. মনির মোর্শেদ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরো জানান, প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহযোগিতায় আগামী ১৮ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত চার দিনব্যাপী নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রুমিং ও কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজন করা হয়েছে। এ কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত, একাডেমিক ও পেশাগত বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি বিভাগে স্নাতক (ইঞ্জিনিয়ারিং/অনার্স/বিফার্ম) প্রথম বর্ষে মোট ৯০৯ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন।