• ই-পেপার

জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

কলারোয়া

বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি বৃদ্ধা, পরিত্যক্ত ভবনে মিলল মরদেহ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি বৃদ্ধা, পরিত্যক্ত ভবনে মিলল মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

কলারোয়া উপজেলার লোহাকুড়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর সাতক্ষীরার খেজুরডাঙ্গা এলাকা থেকে আমিরন নেছা (৭০) নামের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়ক থেকে ১০০ গজ দূরে খেজুরডাঙ্গা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত একতলা ভবনের মধ্য থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে সদর থানার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, গত ১৩ জুলাই বৃদ্ধা আমিরন নেছা কলারোয়ার লোহাকুড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে যাননি। পরিবারের সদস্যরা তাকে সম্ভাব্য সব স্থানে খুঁজে না পেয়ে কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বুধবার রাতে সাতক্ষীরা শহর বাইপাস সড়ক থেকে ১০০ গজ দূরে খেজুরডাঙ্গা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত একতলা ভবনের ভেতরে এক বৃদ্ধার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় মরদেহের পাশে চিকিৎসাসংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি দুই দিন আগে নিখোঁজ হাওয়া বৃদ্ধা আমিরন নেছার বলে শনাক্ত করেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মুহা. মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাজ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বাগেরহাট

ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেক এক চিরকুট পাওয়া গেছে। এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে অভাব-অনটন ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর স্বজন ও প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে মরদেহের পাশে শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘আমি কবির এবং আমার স্ত্রী হালিমা মানসিক চাপ সইতে না পেরে চলে যাচ্ছি। এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ‘হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া চিরকুটটি নিহতের লেখা কি না, তা নিশ্চিত হতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

রামুতে বন্যাদুর্গত ১ হাজার পরিবার পেল ত্রাণসামগ্রী

রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
রামুতে বন্যাদুর্গত ১ হাজার পরিবার পেল ত্রাণসামগ্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের রামুতে বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি ১০০০ অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মানবিক সংগঠন ‘মৈত্রী-০২’। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি, রাজারকুল, চাকমারকুল, ফতেখাঁরকুল ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের বন্যাদুর্গতদের মাঝে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি মহৎ ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি মানবিক সংগঠনগুলোও তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।

অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড

চাঁদপুর প্রতিনিধি
অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

অভিযানের তথ্য দিয়ে মাদক কারবারিকে পালাতে সহায়তা করায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরেরই সোর্স শাওন কাজীকে (২৫) দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে চাঁদপুর শহরে তারা ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার সোর্স শাওন কাজীর বাড়ি শরীয়তপুরের চন্দ্রপুর ইউনিয়নের রণখোলা শিবপুর গ্রামে। তিনি চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোডের ভূঁইয়া বাড়ি এলাকার ভাড়া বাসায় থাকেন। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এসব নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান জানান, গতকাল রাতে ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক সেবনের নানা সরঞ্জাম পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ।

তিনি আরো জানান, তার নেতৃত্বে অধিদপ্তরের একটি দল চাঁদপুর শহরের চিহ্নিত এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু অভিযানের আগেই ওই ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ায় তথ্য ফাঁসের সন্দেহ তৈরি হয়। তদন্তে নজর যায় তাদের সোর্স শাওনের দিকে।

শাওনের মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে সন্দেহের বিষয়টি নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা। এরপর গতকাল শাওনের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এই সাজা দেওয়া হয়।

মিজানুর বলেন, ‘শাওনের মোবাইল ফোন থেকে আরো কয়েকজন মাদক কারবারির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে এমন অভিযোগও উঠে এসেছে যে, তিনি বিভিন্ন কারবারির কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করতেন। এ ধরনের তথ্য প্রদানকারীর কারণে আমাদের অভিযান ব্যাহত হয় ও দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।’