• ই-পেপার

কুষ্টিয়ার লালন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন মিনি স্টেডিয়াম!

এইচএসসির স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়া হবে কবে? জানা গেল সম্ভাব্য সময়

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসির স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়া হবে কবে? জানা গেল সম্ভাব্য সময়
সংগৃহীত ছবি

বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ না হলেও, সব নির্ধারিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলো হলো চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। তবে দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার পর বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষর করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার ৮ জুলাইয়ের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলা ব্যতীত দেশের অন্যান্য সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা যথারীতি চলবে।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (প্রেষণ) অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানান, সদ্যই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এখনো নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। সাধারণত সব পরীক্ষা শেষ হলে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আগামী শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠেয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আবশ্যিক) পরীক্ষার বিষয়ে তিনি জানান, আমরা আবহাওয়া অফিসে কথা বলেছি। বৃহস্পতিবারের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, মন্ত্রণালয়সহ সবার সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন

দীর্ঘ পাচঁ বছরেরও অধিক সময় পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২  শিক্ষাবর্ষের মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের আনোয়ার পারভেজ এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রাফিজ আহমেদ। 

বুধবার (৮ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে উল্লেখ করে আগামী ত্রিশ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

৩৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. সাব্বির হোসাইন, আবু সাঈদ রনি, রাকিব হাসান স্বাক্ষর, তৌহিদুল ইসলাম, তাপস অধিকারী, তানভীর সিদ্দিকী, মো. আল আমিন, রিফাত হোসাইন, আরিফুর ইসলাম জনি, মো. আসাদ তৌফিক, নয়ন হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ও সানভীর অনিক। 

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন কে. এম আবিদুজ্জামান, সাহরিয়ার রশিদ নিলয়, রিয়াজ উদ্দিন, মো. মেহমুদ হাসান উৎস, মো. আশিক ইকবাল, সজিব হোসাইন, রেজাউল ইসলাম, জিন্নাত মালিয়াত সীমা, ইসমাম হোসেন তন্দ্রা, মোহাম্মদ আমির, মাহফুজা খাতুন, জয়নব ফেরদৌস জিনিয়া, নকিবুল ইসলাম অংকন, মো. আজহারুল ইসলাম, এনামুল হক পুলক, মো. সাইফুল্লাহ, আলীনুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহিনুর রহমান শুভ, রবিন মিয়া এবং রুবায়েত আহমেদ লিমন।

এ বিষয়ে নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে আমাদের কমিটি হয়েছে এজন্য প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং আইনমন্ত্রীসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

দেশের সব মাদরাসায় পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব মাদরাসায় পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

দেশের সব মাদরাসায় দৈনিক সমাবেশ (পিটি) ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. আবুল কালাম তালুকদার সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া চর্চার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে শারীরিকভাবে সুস্থ, মানসিকভাবে দৃঢ় এবং শৃঙ্খলাবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দৈনিক সমাবেশ (পিটি) এবং খেলাধুলার আয়োজন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, অধিদপ্তরের আওতাধীন সব মাদরাসা শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন সমাবেশ (পিটি) পরিচালনা এবং খেলাধুলার আয়োজন করবেন।

যেসব মাদরাসায় সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদ শূন্য রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে খেলাধুলায় দক্ষ ও উপযুক্ত একজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে এ দায়িত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি শূন্যপদ দ্রুত পূরণের জন্য বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক চাপ কমানো, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলাবোধ এবং দলগত কাজের মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের স্বার্থে এ কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ নির্দেশনার অনুলিপি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, সব জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আর্জেন্টিনা-মিসরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনা-মিসরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচ দেখা কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী প্রক্টরসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রথম একাডেমিক ভবনের জানালার কাচ ও সামনের ফুলের টব ভাঙচুর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টার দিকে খেলা শুরুর আগে বসার স্থান নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স (এফটিএনএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ বাধে।

এসময় তৃতীয় একাডেমিক ভবনের পাশে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে এবং এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা জননেতা আব্দুল মান্নান হলের সামনে অবস্থান নেন। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগে ফিরে গেলেও রাত আনুমানিক ১টার দিকে প্রথম একাডেমিক ভবনে আইসিটি, এফটিএনএস, পরিসংখ্যান ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে ভবনের জানালার কাচ ও সামনের ফুলের টব ভাঙচুর করা হয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত আহত সাত শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গুরুতর আহত একজনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আবদুল কুদ্দুস আহত হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মনির মোর্শেদ বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও শিক্ষকরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় এবং এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’