• ই-পেপার

দেশের সব মাদরাসায় পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন

দীর্ঘ পাচঁ বছরেরও অধিক সময় পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২  শিক্ষাবর্ষের মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের আনোয়ার পারভেজ এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রাফিজ আহমেদ। 

বুধবার (৮ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে উল্লেখ করে আগামী ত্রিশ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

৩৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. সাব্বির হোসাইন, আবু সাঈদ রনি, রাকিব হাসান স্বাক্ষর, তৌহিদুল ইসলাম, তাপস অধিকারী, তানভীর সিদ্দিকী, মো. আল আমিন, রিফাত হোসাইন, আরিফুর ইসলাম জনি, মো. আসাদ তৌফিক, নয়ন হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ও সানভীর অনিক। 

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন কে. এম আবিদুজ্জামান, সাহরিয়ার রশিদ নিলয়, রিয়াজ উদ্দিন, মো. মেহমুদ হাসান উৎস, মো. আশিক ইকবাল, সজিব হোসাইন, রেজাউল ইসলাম, জিন্নাত মালিয়াত সীমা, ইসমাম হোসেন তন্দ্রা, মোহাম্মদ আমির, মাহফুজা খাতুন, জয়নব ফেরদৌস জিনিয়া, নকিবুল ইসলাম অংকন, মো. আজহারুল ইসলাম, এনামুল হক পুলক, মো. সাইফুল্লাহ, আলীনুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহিনুর রহমান শুভ, রবিন মিয়া এবং রুবায়েত আহমেদ লিমন।

এ বিষয়ে নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে আমাদের কমিটি হয়েছে এজন্য প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং আইনমন্ত্রীসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আর্জেন্টিনা-মিসরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনা-মিসরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচ দেখা কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী প্রক্টরসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রথম একাডেমিক ভবনের জানালার কাচ ও সামনের ফুলের টব ভাঙচুর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টার দিকে খেলা শুরুর আগে বসার স্থান নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স (এফটিএনএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ বাধে।

এসময় তৃতীয় একাডেমিক ভবনের পাশে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে এবং এফটিএনএস ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা জননেতা আব্দুল মান্নান হলের সামনে অবস্থান নেন। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগে ফিরে গেলেও রাত আনুমানিক ১টার দিকে প্রথম একাডেমিক ভবনে আইসিটি, এফটিএনএস, পরিসংখ্যান ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে ভবনের জানালার কাচ ও সামনের ফুলের টব ভাঙচুর করা হয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত আহত সাত শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গুরুতর আহত একজনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আবদুল কুদ্দুস আহত হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মনির মোর্শেদ বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও শিক্ষকরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় এবং এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

মাদরাসায় দৈনিক সমাবেশ ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা

বাসস
মাদরাসায় দৈনিক সমাবেশ ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিতে দেশের সব মাদরাসায় দৈনিক সমাবেশ (পিটি) ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও শারীরিক শিক্ষা শাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. আবুল কালাম তালুকদার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া চর্চার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

তরুণ প্রজন্মকে শারীরিকভাবে সুস্থ, মানসিকভাবে দৃঢ় এবং শৃঙ্খলাবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দৈনিক সমাবেশ (পিটি) এবং খেলাধুলার আয়োজন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব মাদরাসার শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন সমাবেশ (পিটি) পরিচালনা এবং খেলাধুলার আয়োজন করবেন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।

যেসব মাদরাসায় সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদ শূন্য রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে খেলাধুলায় দক্ষ ও উপযুক্ত একজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে এ দায়িত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি শূন্যপদ দ্রুত পূরণের জন্য বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক চাপ কমানো, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলাবোধ এবং দলগত কাজের মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের স্বার্থে এ কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ নির্দেশনার অনুলিপি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, সব জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শরীরচর্চা, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং সুস্থ জীবনধারা গড়ে ওঠার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ আরো শক্তিশালী হবে।

বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাবির উপ-কমিটি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাবির উপ-কমিটি
ছবি: কালের কণ্ঠ

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে দেশের চার বিভাগীয় শহরের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক চারটি উপ-কমিটি গঠন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে গ্রহণের বিষয়ে গঠিত বাস্তবায়ন কমিটির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পদ্ধতি, ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য পৃথক চারটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গঠিত উপ-কমিটিতে রয়েছেন জাবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা), আইবিএ-জেইউর পরিচালক এবং আইআইটির পরিচালক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-কমিটিতে রয়েছেন প্রো-ভিসি (প্রশাসন), জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন, আইসিএলসির পরিচালক এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

‎এদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গঠিত উপ-কমিটিতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ডিন এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন। অন্যদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গঠিত উপ-কমিটিতে রয়েছেন কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং আইন অনুষদের ডিন।

অফিস আদেশে আরো বলা হয়, তথ্য সংগ্রহের সুবিধার্থে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা-সংক্রান্ত জরুরি জিজ্ঞাসা সম্বলিত একটি নমুনা প্রশ্নমালা উপ-কমিটিগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

গত বছর ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষ (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জাবির ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এবার তথ্য সংগ্রহে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।