• ই-পেপার

এইচএসসির তৃতীয় দিনে অনুপস্থিত ১৬ হাজার, বহিস্কার ৫৯

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে চলা ফেসবুক পেজ-গ্রুপ নিয়ে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে চলা ফেসবুক পেজ-গ্রুপ নিয়ে সতর্কতা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম-লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে পরিচালিত একাধিক পেজ ও গ্রুপ নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে এসব পেজ ও গ্রুপের প্রকাশিত তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম, লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক পেজ ও গ্রুপ পরিচালিত হচ্ছে। যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। তবে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ, গ্রুপ বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট নেই।

এতে আরো বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে পরিচালিত সব ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ সম্পূর্ণ অননুমোদিত। এসবের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। তাই এ ধরনের পেজ বা গ্রুপে প্রকাশিত কোনো তথ্যের বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির যেকোনো অফিসিয়াল তথ্য জানতে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট অনুসরণ করার আহ্বান করেছে কর্তৃপক্ষ।
 

এইচএসসি

প্রশ্নপত্রে ভুল থাকলে পুরো নম্বর : শিক্ষা বোর্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রশ্নপত্রে ভুল থাকলে পুরো নম্বর : শিক্ষা বোর্ড

চলমান এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কোনো ভুল থাকলে পুরো নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। 

সোমবার আন্ত শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, চলমান এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ওঠা অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পর্যালোচনায় যদি সংশ্লিষ্ট কোনো প্রশ্নে ত্রুটি বা অসংগতি প্রমাণিত হয়, তবে প্রচলিত মূল্যায়ন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে কোনো পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বরও প্রদান করা হবে।

এ ছাড়া, বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করতে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা

উপাচার্যকে ফোন-বার্তার স্ক্রিনশট প্রকাশ, জকসু সদস্য জাহিদকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
উপাচার্যকে ফোন-বার্তার স্ক্রিনশট প্রকাশ, জকসু সদস্য জাহিদকে শোকজ

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, টানা বৃষ্টি ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত হবে কিনা, সে বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ফোন-বার্তার স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রক্টর অফিসের বরাত দিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১৩ জুলাই) ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জারি করা নোটিশে জাহিদ হাসানকে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নোটিশে তার ফেসবুক পোস্টকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যের বিরুদ্ধে ‘মানহানিকর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাহিদ হাসান ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে জকসুর পক্ষ থেকে ক্লাস-পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া বা সাময়িক স্থগিতের বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সিদ্ধান্ত জানতে উপাচার্যকে একাধিকবার ফোন ও বার্তা পাঠানো হলেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন। পরে তিনি একাধিক কল ও বার্তার স্ক্রিনশট পোস্টে সংযুক্ত করেন।

পোস্টে তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরাই জকসুর দায়িত্ব। তবে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত বা চালু রাখার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের হওয়ায় এ বিষয়ে জকসুকে দায়ী করা সমীচীন নয়।

শোকজের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জাহিদ হাসান বলেন, ‘দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোনও কার্যকর সাড়া পাইনি। শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তথ্য-প্রমাণসহ বিষয়টি তুলে ধরার কারণেই আমাকে শোকজ করা হয়েছে বলে মনে করি। এর আগেও টিএসসি সংস্কার, ক্যাফেটেরিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের ধীরগতি ও দায়িত্বহীনতা দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কথা বলাকে শাস্তিযোগ্য বিষয় হিসেবে দেখাটা দুঃখজনক।’

সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় ঢাবির জলাবদ্ধ মাঠে মাছ ছাড়লেন ডাকসু নেতারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় ঢাবির জলাবদ্ধ মাঠে মাছ ছাড়লেন ডাকসু নেতারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা এবং সংস্কার কাজে প্রশাসনের অবহেলার প্রতিবাদে জলাবদ্ধ মাঠে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) এই প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে ২ কোটি টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রিতা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অসহযোগিতার কারণে এখনো সেই সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে পানি জমে থাকে এবং তা নিষ্কাশন না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে মাঠটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থীর খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন নিয়মিতভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কর্মসূচিতে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের পর আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদ্যোগ ছিল কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার এবং মেয়েদের জন্য একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম স্থাপন। উভয় প্রকল্পের জন্যই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা ও অসহযোগিতার কারণে কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। বিসিবি থেকে মাঠ সংস্কারের জন্য দুই কোটি টাকা আনার পরও সেই অর্থ ব্যবহার করে কাজ শুরু করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অবিলম্বে সংস্কার কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’

এসময় অবিলম্বে মাঠের সংস্কারকাজ শুরু, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে প্রশাসনিক অসহযোগিতা বন্ধের দাবি জানান ছাত্রপ্রতিনিধিরা। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

প্রতীকী এই কর্মসূচিতে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসীম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, বিজ্ঞান সম্পাদক ইকবাল হায়দার, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ফজলুল হক হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসান, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল সংসদের জিএস তাওকির হাসান, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন হল সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।