• ই-পেপার

জুলাইয়ের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার

বহরে আসছে ২১ নতুন উড়োজাহাজ : ২০ দেশের ৩০ গন্তব্যে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বহরে আসছে ২১ নতুন উড়োজাহাজ : ২০ দেশের ৩০ গন্তব্যে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা

বেশ বড় পরিসরে সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যতে ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট—দুই ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনাসহ নানা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে কক্সবাজারের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

সচরাচর প্রকাশ্যে আসেন না প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন। প্রায় ১২ বছর পর সংবাদ সম্মেলনে আসলেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইউএস-বাংলা ভবিষ্যতে ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট—দুই ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনা, বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

একইসঙ্গে দেশে কোনো কার্গো এয়ারলাইন্স নেই বলে আক্ষেপও প্রকাশ করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। বললেন, ‘বাংলাদেশে কোনো কার্গো এয়ারলাইন্স নেই—এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। এতে দেশের কানেক্টিভিটি সীমিত হয়ে যাচ্ছে।’

নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রা শুরু

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি এয়ারলাইন্স।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্বাধীনতার পর কোনো বেসরকারি এয়ারলাইন্স ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট দিয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর কোনো বেসরকারি এয়ারলাইন্স ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট দিয়ে ডমেস্টিক অপারেশন শুরু করেনি। আমরা শুরু থেকেই নতুন এয়ারক্রাফট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছি।’

বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের ৬টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি দেশের ৩০টি গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।

ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট

দুটি আলাদা ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা একটি ফুল-সার্ভিস ক্যারিয়ার এবং একটি লো-কস্ট ক্যারিয়ার পরিচালনা করতে চাই, যাতে যাত্রীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বেছে নিতে পারেন।’

তিনি জানান, আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি হোটেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।

বহরে যুক্ত হবে ২১টি নতুন উড়োজাহাজ

বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে আমাদের বহরে ২১টি ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে। আন্তর্জাতিক রুটেও আমরা নতুন এয়ারক্রাফট পরিচালনা করব।’

এসময় বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স মানেই পুরনো বিমান—এমন ধারণা সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন ইউএস-বাংলার এমডি। তিনি বলেন, ‘আমাদের বহরের গড় বয়স প্রায় ১০ বছর, যা আন্তর্জাতিক মানের। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স মানেই পুরনো বিমান—এটা সঠিক নয়।’

আধুনিক সেবা ও বিনামূল্যে ইন্টারনেট

নতুন উড়োজাহাজে আধুনিক সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে চার্জিং সুবিধা থাকবে। ৩০ হাজার ফিট উঁচুতেও আমরা যাত্রীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইউএস-বাংলা ও এয়ার অ্যাস্ট্রা মিলিয়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৯৪টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। আন্তর্জাতিকসহ মাসে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

নতুন রুট ও পাইলট প্রশিক্ষণ

চেন্নাই রুট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘চেন্নাই রুটটি মূলত চিকিৎসার জন্য চালু করা হয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি ব্লেসিং ফ্লাইট হয়ে উঠেছে।’

মালদ্বীপ রুট নিয়েও ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাড়া কমানোর ফলে প্রবাসীরা এখন সহজে দেশে ফিরতে পারছেন।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দাম্মাম ও মদিনায় ফ্লাইট চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন হলে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফ্লাইট শুরু করব।’

মানবসম্পদ উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে ইউএস-বাংলা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ৫০ জন তরুণকে বিদেশে পাইলট প্রশিক্ষণে পাঠিয়েছি, ভবিষ্যতে আরো ২০০ জনকে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’

এভিয়েশন খাতে নীতিগত সহায়তা পেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ আরো বাড়বে বলেও মনে করেন ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ফের বাড়ল ডলারের দাম, আজকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের হার কত?

অনলাইন ডেস্ক
ফের বাড়ল ডলারের দাম, আজকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের হার কত?
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এ মাসের শুরুতে দেশের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে ১৩ পয়সা ও সর্বোচ্চ হিসেবে ১৫ পয়সা বেড়েছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে ডলারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৫০ পয়সা। আন্তঃব্যাংকে দাম বাড়ার কারণে গ্রাহকদের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রেও ব্যাংকগুলো এর দাম বাড়িয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে আমদানি খাতে ডলার বিক্রি হয়েছে। আগে সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৯ জুলাই ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৫৩ পয়সা
ইউরো : ১৪১ টাকা ৩০ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ১৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ০৯ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ২৩ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২২ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৬০ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৯৩ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭২ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ১৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৬ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত কয়েকদিনে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও সেটি ১২৩ টাকা ৫৪ পয়সায় পৌঁছেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিদায়ক।

বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনের হুয়ারান টেক্স

বাসস
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনের হুয়ারান টেক্স
সংগৃহীত ছবি

চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপনে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।

সম্প্রতি ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিতে বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিন ওয়াং নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন| অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর কারখানাটি স্থাপন করা হবে| পূর্ণ উৎপাদনে গেলে কারখানাটি বছরে ২৪ হাজার টন সুতা এবং ২০ মিলিয়ন মিটার গ্রে ওভেন ফেব্রিক উৎপাদনে সক্ষম হবে| এছাড়া প্রকল্পটিতে ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ তথা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ায় হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।

 

তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে বেপজা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ| পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সফল ও নির্বিঘ্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গত ১৪ জুলাই সর্বশেষ ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয় সোনার দাম। ওই দিন ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এরপর আর সোনার দামে সমন্বয় হয়নি। ফলে আজ রবিবারও সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে। 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রুপার গয়না বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।