দেশের বাজারে টানা তিন দফা কমেছে সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার (তেজাবি স্বর্ণ) সরবরাহ বাড়ায় এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে টানা তিন দফায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ১০ দফা দাম সমন্বয়ে সাত বারই কমেছে সোনার দাম। এরমধ্যে সবশেষ টানা তিন দফায় ভরিতে মোট ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা কমানো হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টানা তৃতীয় দফা সোনার দাম কমিয়েছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতিভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, সবশেষ গত ১৬ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৩৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৩১ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২১ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে বাকি ১৮ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।







