• ই-পেপার

একটা সংগঠন করতাম, যেটা বলতে লজ্জা হয় : জামায়াত আমির

নতুন পথচলায় সবার সহযোগিতা চাই : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
নতুন পথচলায় সবার সহযোগিতা চাই : রাশেদ খান
সংগৃহীত ছবি

সচিব মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হওয়ার পর বিএনপি নেতা রাশেদ খান এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, নতুন পথচলায় সবার সহযোগিতা চাই।

সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে এ সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার রাজনৈতিক সহকারী পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিমূর্তি, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান স্যারকে।’

তিনি আরো লেখেন, ‘আমি যাতে আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এ জন্য সবার দোয়া ও ভালোবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

জামায়াতের উত্থান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি : নুর

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াতের উত্থান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি : নুর

জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যতের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, দেশের স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে জামায়াতের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। জামায়াতের কথিত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও আমাদের সজাগ থাকতে হবে।

গতকাল রবিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘রক্তস্নাত জুলাই : প্রেক্ষাপট, রক্তের ঋণ এবং কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজ তারা বাইরে সরকারবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে, কিন্তু ভেতরে ইতিবাচক আলোচনা করছে। বাইরে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মানুষকে উত্তেজিত করা হচ্ছে, যার ফলে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

নুরুল হক নুর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের ব্যবহার করে জামায়াতপন্থীদের পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জ্বালানি খাত ও বিসিএস ক্যাডারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে। 

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যেন জামায়াতই দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি। প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনমত প্রভাবিত করা হয়েছে। অনেক আসনে বাস্তবতার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারের কোনো মিল ছিল না।

প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া কিছু তরুণ রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার আগেই জামায়াতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, জামায়াতকে যারা সমর্থন করে, তারা জামায়াতেই আছে। কিন্তু নতুন করে যদি আরেকটি প্রক্সি রাজনৈতিক শক্তি তৈরি হয়, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিদেশি শক্তির প্রসঙ্গ টেনে নুরুল হক নুর বলেন, আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পক্ষ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। তার অভিযোগ, জামায়াতকে সামনে রেখে দেশে উগ্রবাদের উত্থানের একটি বয়ান তৈরি করে ভবিষ্যতে নতুন রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে।

তিনি বলেন, জামায়াতের উত্থান হলে আগামী দিনে বাংলাদেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তাই এখনই সবাইকে সচেতন হতে হবে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জামায়াতের প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই প্রতিরোধ শুরু হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই প্রতিরোধ শুরু হবে

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই প্রতিরোধ শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, যারা পালিয়ে যায় তারা আর ফেরত আসে না। সাহস থাকলে পালিয়ে না গিয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে পারতো।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা উত্তরের জনতার বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্মরণে রবিবার (১৯ জুলাই) উত্তরার মীর মুগ্ধ মঞ্চে 'রক্তাক্ত জুলাই' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় নাগরিক পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উত্তরার শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইয়ের আহত আন্দোলনকারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, উত্তরা গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান হটস্পট ছিল। প্রতিরোধের প্রধান দুর্গ ছিল এই উত্তরা। ছত্রিশ জুলাই উত্তরা থেকে গণভবনমুখী ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। একদিকে উত্তরা, একদিকে যাত্রাবাড়ী থেকে মার্চ ফর গণভবন শুরু হয়। যার মধ্য দিয়ে হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়। আমরা উত্তরাকে কখনো ভুলে যাব না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দুই বছর আগের এ দিনে আমাকে গুম করা হয়। বহু মানুষকে সেদিন গুম করে হাসিনার বাহিনী। দুই বছর পরে আমাদের একটাই চাওয়া- স্বৈরাচার এবং দোসরদের বিচার। স্বৈরাচারের বিচার না হলে আবারো স্বৈরাচার তৈরি হবে। যাতে স্বৈরাচার তৈরি না হয় এজন্য আমরা বিচার চাই।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বিএনপি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এ দেশের পরিবর্তনের পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। বিএনপি এখন একত্রিশ দফা ভুলে গেছে। তারা নোট অব ডিসেন্ট-এর জুলাই সনদের কথা বলছে। নোট অব ডিসেন্ট প্রতারণা বাদ দিয়ে গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন। সংবিধান সংশোধনের আগে বিএনপির সংশোধন হতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, প্রতিবেশী বদলানো যায় না। যে প্রতিবেশী আমার পরিবারের সদস্যদের খুন করে, সে প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা যায় না।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা এমপি রোকেয়া বেগম, জাতীয় যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল, জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইয়ের আহত যোদ্ধারা।

নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয় : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয় : রিজভী
সংগৃহীত ছবি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নির্দলীয় হবে। নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে নির্বাচন ভবনে পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না, তাই এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ চেয়েছে, এ ক্ষেত্রে বিএনপির অবস্থান কী—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন নির্দলীয়।

নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়। অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়।