• ই-পেপার

জনকল্যাণ ও সম্পদের বণ্টনে ইসলামী অর্থনীতি

ওআইসির কার্যক্রম গতিশীল করতে আরব-ইরাক বৈঠক

ইসলামী জীবন ডেস্ক
ওআইসির কার্যক্রম গতিশীল করতে আরব-ইরাক বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করতে সৌদি আরব ও ইরাকের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সংস্থার আওতায় যৌথ ইসলামী কার্যক্রমের উন্নয়ন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ওআইসির ভূমিকা আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ওআইসিতে সৌদি আরবের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. সালেহ বিন হামাদ আল-সুহাইবানি জেদ্দায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে ওআইসিতে ইরাকের নবনিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি ও জেদ্দায় নিযুক্ত কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত মাওলুদ আহমেদ আল-মাশহাদানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সম্প্রতি রাষ্ট্রদূত আল-মাশহাদানি ওআইসিতে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ ওআইসির কাঠামোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও পরামর্শ প্রক্রিয়া আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং সংস্থার বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে আলোচকরা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় মুসলিম উম্মাহর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ওআইসির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্ব্বিত উদ্যোগ ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করা সময়ের দাবি। তারা যৌথ ইসলামী কার্যক্রমের বিকাশ, সংস্থার সেবার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ওআইসির নেতৃত্বপূর্ণ অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যময় করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের ৫২তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছে ইরাক। এ প্রেক্ষাপটে জেদ্দায় অনুষ্ঠিত সৌদি আরব-ইরাকের এই বৈঠককে সংস্থার কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইসলামে দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালনের গুরুত্ব

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
ইসলামে দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালনের গুরুত্ব
সংগৃহীত ছবি

একজন সৎ মানুষের জীবনের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ হলো দায়িত্ববোধ। সভ্যতার অগ্রগতি, রাষ্ট্র/প্রতিষ্ঠানের সাফল্য এবং পারস্পরিক আস্থার মূলেও এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

ইসলাম প্রত্যেক মানুষকেই দায়িত্বশীল আচরণের উৎসাহ দেয়। একজন মুমিনের জন্য তার ঈমানের মৌলিক দায়িত্ব পালন করা যেমন জরুরি, তেমনি তার পারিবারিক দায়িত্ব, পেশাদারি দায়িত্ব ও (নাগরিক/নেতা বা কর্মকর্তা হিসেবে) রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করাও জরুরি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সমাজে এমন একটি প্রবণতা ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে যে কেউ কেউ সুযোগ পেলেই দায়িত্বে অবহেলা করে, কর্তব্য পালনে শৈথিল্য দেখায়; আবার বিভিন্ন কৌশল, অজুহাত বা চাতুর্যের মাধ্যমে নিজেদের প্রাপ্য কিংবা অপ্রাপ্য সুবিধাও ভোগ করে নেয়। বাহ্যিকভাবে তারা সফল মনে হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এটি নৈতিক অবক্ষয় এবং আমানতের খিয়ানতের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলাম দায়িত্বকে শুধু প্রশাসনিক বা সামাজিক বিষয় হিসেবে দেখে না; বরং এটিকে একটি আমানত হিসেবে বিবেচনা করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তাদের হকদারের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৫৮)

প্রতিটি দায়িত্বই একেকটি আমানত। সেই আমানতের যথাযথ হক আদায় না করে শুধু সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা ইসলামী নৈতিকতার পরিপন্থী। পবিত্র কোরআনে মুমিনদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বলা হয়েছে, ‘আর যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকারের ব্যাপারে যত্নশীল।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৮)

বর্তমান সমাজে এমন অনেক মানুষকে দেখা যায়, যারা দায়িত্ব পালনে উদাসীন; কিন্তু মূল্যায়ন, সুযোগ-সুবিধা, পদোন্নতি কিংবা সম্মান অর্জনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সক্রিয়। ইসলামের দৃষ্টিতে এই মানসিকতা ন্যায়বিচার ও তাকওয়ার পরিপন্থী।

এ ব্যাপারে সতর্ক করতে গিয়ে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যারা তাদের কৃতকর্মের প্রতি খুশি হয় এবং যা তারা করেনি তা নিয়ে প্রশংসিত হতে পছন্দ করে, তুমি তাদেরকে শাস্তি থেকে মুক্ত মনে কোরো না। আর তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৮৮)

আলোচ্য আয়াতে এমন লোকদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা ঘোষিত হয়েছে, যারা শুধু তাদের বাস্তব কৃতিত্ব নিয়েই খুশি নয়, বরং তারা চায় যে তাদের খাতায় এমন কৃতিত্বও লেখা হোক বা প্রকাশ করা হোক, যা তারা করেনি। এই রোগ যেরূপ রাসুল (সা.)-এর যুগে ছিল এবং যার কারণে আয়াত নাজিল হয়, অনুরূপ বর্তমানেও পদাভিলাষী ও যশান্বেষী  প্রকৃতির মানুষের মধ্যে এবং প্রোপাগান্ডা ও আরো বিভিন্ন চালাকি ও চাতুর্যের মাধ্যমে নেতৃত্ব লাভকারী বা বসের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা গ্রহণকারীদের মধ্যেও ব্যাপক হারে এ রোগ পাওয়া যায়।

তবে যারা প্রকৃতপক্ষে দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ আছে, তারাই কৃতিত্বের আসল হকদার। মহান আল্লাহ যাদের কর্তৃত্ব দিয়েছেন, তাদের উচিত প্রকৃত দায়িত্ববোধসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে তাদের হক বুঝিয়ে দেওয়া। কারণ কিয়ামতের দিন যার যার পরিধি অনুযায়ী প্রত্যেক দায়িত্বশীলকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জবাব দিতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন,  ‘তোমরা সবাই দায়িত্বশীল এবং সবাইকে তোমাদের ওপর দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৮৯৩)

এই হাদিস স্পষ্ট করে যে দায়িত্ব পালন কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়; বরং আল্লাহর কাছে জবাবদিহির বিষয়। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র বা বিশ্ব, সব পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা তাদের দায়িত্বের পরিধি অনুযায়ী নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ফলে নিজে যেমন দায়িত্ববোধ এড়িয়ে চলার সুযোগ নেই, তেমনি কোনো দায়িত্বহীন ব্যক্তিকেও অন্যায়ভাবে সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।

তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে সব ভুল, বিলম্ব বা দুর্বলতাকে দায়িত্বে অবহেলা বলা যায় না। মানুষ সীমাবদ্ধ, তার সামর্থ্য ও পরিস্থিতিরও সীমা আছে। কখনো অসুস্থতা, অপ্রত্যাশিত সংকট, দক্ষতার ঘাটতি বা বাস্তব প্রতিবন্ধকতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্বে ত্রুটি হতে পারে। ইসলাম ইচ্ছাকৃত গাফিলতি ও অনিচ্ছাকৃত অক্ষমতার মধ্যে পার্থক্য রেখেছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্ব প্রদান করেন না।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৮৬)

কিন্তু যখন কেউ সচেতনভাবে চালাকি করে দায়িত্ব এড়িয়ে যায়, অথচ সুবিধা গ্রহণে কৌশলী হয়ে ওঠে, তখন তা নৈতিক সংকটে রূপ নেয়। এমন ব্যক্তি হয়তো সাময়িকভাবে লাভবান হয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আস্থা হারায়। সমাজে মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো বিশ্বাসযোগ্যতা। একবার সেই বিশ্বাস নষ্ট হলে বাহ্যিক সাফল্যও অর্থহীন হয়ে পড়ে।

কারো পক্ষেই শতভাগ নিখুঁত হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আন্তরিকতা, জবাবদিহি, আত্মসমালোচনা এবং দায়িত্ব পালনের চেষ্টা একজন মানুষকে আল্লাহর কাছে সম্মানিত করে। পক্ষান্তরে দায়িত্বে গাফিলতি করে চাতুর্যের মাধ্যমে সুবিধাভোগ করা সাময়িক লাভ দিলেও তা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্য ক্ষতিকর। মহান আল্লাহ সবাইকে তাকওয়া ও ন্যায়পরায়ণতা দান করুন। আমিন।
 

ইসলামে শাস্তি আইন

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামে শাস্তি আইন

অপরাধী অপরাধ করলে শাস্তি পাবে এটাই সাধারণ কথা। কিন্তু যদি এমন সমাজ গড়া যায় যেখানে অপরাধই প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, তখন কেমন হবে? আসলে শাস্তি কোনো ক্ষতির প্রতিস্থাপন হতে পারে না। মনে করুন, কেউ আপনার কলিজার টুকরো সন্তানকে খুন করেছে।

বিনিময়ে অপরাধীকে আপনি যত বড় শাস্তিই দিন না কেন, আপনার আদরের সন্তানকে তো আর ফিরে পাবেন না। তার মানে এই নয় যে খুনির শাস্তি হবে না। খুনিকে শাস্তি দিতে হবে দুই কারণে। প্রথম কারণ হলো, নিহতের পরিবারের মানসিক শান্তি নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় সমাজে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। খুনিকে শাস্তি না দিলে দুইটা ঘটনা ঘটবে। নিহতের পরিবার সব সময় একধরনের অশান্তির মধ্য দিয়ে যাবে। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তারাও নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য হতে পারে। আর এভাবে যখন একের পর এক ভিকটিম পরিবার আইন হাতে তুলে নেবে, তখন রাষ্ট্রের পক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে উঠবে।

এ ছাড়া আরো একটি কারণ আছে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করার পেছনে। যদি অপরাধী অপরাধ করে পার পেয়ে যায়, তাহলে আরো দশজন অপরাধ করতে উদ্বুদ্ধ হবে। তার মানে, অপরাধীর প্রতি সামান্যতম মায়া দেখানোর অর্থ ভিকটিম পরিবারের প্রতি জুলুম করা। আর জুলুমের ওপর কোনো দেশ ও ধমের্র বিচারব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে না। তাই ইসলামি বিচারব্যবস্থায় অপরাধীকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি কেউ যেন অপরাধী না হয়, সে পথও এখানে বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদীঅন্য বিচারব্যবস্থার সঙ্গে ইসলামি বিচারব্যবস্থার তুলনা করতে গেলে দেখা যায়, অন্যান্য বিচারব্যবস্থা অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিতের ব্যাপারে কঠোর। আর ইসলাম অপরাধী যেন আর তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে কঠোর। আইন বিষয়টা আরেকটু সহজ করে বললে অন্য বিচারব্যবস্থায় অপরাধ হয়ে গেলে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে মরিয়া। আর ইসলামি সমাজব্যবস্থা অপরাধ কমানোর ব্যাপারে তৎপর। বিষয়টা উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যাক।

ব্যভিচারের শাস্তি সম্পর্কে কোরআন বলছে, ‘ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী; তাদের প্রত্যেককে তোমরা ১০০ করে বেত্রাঘাত করবে। আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদের প্রভাবিত করতে না পারে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (সুরা নূর, আয়াত ২।) এ আয়াতেও একই কথা বলা হয়েছে, শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে যেন অপরাধীর প্রতি কোনো মায়া না জন্মে। কিন্তু কোরআনের এ আইন কি কেবল জিনাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ? অবশ্যই না।

কোরআন জিনাকারীর শাস্তির আয়াত নাজিলের আগে নাজিল করেছে পর্দার আয়াত। তারও আগে নাজিল করেছে তাওহিদ, রেসালাত, আখেরাত, জান্নাত জাহান্নামের আয়াত। এভাবে একজন ব্যক্তির মন মননে আল্লাহ ও আল্লাহর রসুলের প্রতি ভালোবাসা, পরকালীন জীবনের সুখশান্তি ও ভয়ভীতি জাগ্রত করার মাধ্যমে তাকে একজন চরিত্রবান মানুষ হিসেবে, খাঁটি মুমিন সিহেবে গড়ে তোলার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়।

ইসলাম বলেছে, সামর্থ্য ও প্রত্যেকের প্রতি সুবিচারের সক্ষমতা থাকলে তোমার পছন্দমতো একাধিক নারীকে তুমি বিয়ে করো। নারীকে বলেছে, তোমার মনঃপূত পুরুষকে বিয়ে করো। দুজনকেই বলেছে, তোমাদের বনিবনা না হলে সেখান থেকে চলে এসে আবার নতুন করে মনের মানুষ খুঁজে নাও। একদিকে আখেরাতের ভয় ও ভালোবাসা দিয়ে তাকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভালো মুমিন হিসেবে গড়ে তুলেছে।

আবার তার যৌনতার প্রয়োজনকেও স্বীকৃতি দিয়ে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দিয়েছে। এরপরও যারা আল্লাহর স্বাধীনতার সীমা লঙ্ঘন করবে, কেবল তাদের ক্ষেত্রেই বর্ণিত শাস্তি জারি করা হবে। আর সে শাস্তি হলো সংশোধনের জন্য, বিদ্বেষ বা ক্ষোভ থেকে নয়। 

লেখক : প্রিন্সিপাল, সেইফ এডুকেশন ইনস্টিটিউট

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ জুন ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ জুন ২০২৬

আজ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ২৬ জিলহজ ১৪৪৭।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ০২ মিনিটে।

আসরের সময় শুরু ৪টা ৩৮ মিনিটে।

মাগরিব ৬টা ৫০ মিনিটে।

এশার সময় শুরু ৮টা ১৭ মিনিটে।

আগামীকাল ফজর শুরু ৩টা ৪৬ মিনিটে 

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১১ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।