• ই-পেপার

সাইবার নিরাপত্তা সবার অধিকার

  • বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সাইবার অপরাধ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কাজে লাগিয়ে নিত্যনতুন ধরনের সাইবার হামলা উদ্ভাবনে তৎপর হ্যাকাররা। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে ২৭-২৯ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’। এতে অংশ নেন পোলিশ সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘শ্যাডোসার্ভার ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান পিওতর কিওফস্কি। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আশিক উল বারাত

ডেটা প্যাক ছাড়াও ব্যবহার করা যাবে ইনস্টাগ্রাম

টেকবিশ্ব ডেস্ক
ডেটা প্যাক ছাড়াও ব্যবহার করা যাবে ইনস্টাগ্রাম

ফেসবুকের পর এখন থেকে ইনস্টাগ্রামেরও বেসিক মোড চালু করেছে মেটা। এ সেবার জন্য বাংলাদেশি পার্টনার টেলিনর লিংকস তথা গ্রামীণফোন। এর মাধ্যমে কোনো ডেটা প্যাক ছাড়াই ছবি, রিলস, স্টোরি দেখা যাবে, মেসেজিং করা যাবে। তবে অন্য ফিচার ব্যবহারের জন্য কিনতে হবে ডেটা প্যাক। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইনস্টাগ্রামের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, ছবি বা ভিডিও পোস্টের পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতেও ইনস্টাগ্রাম মেসেজিং ব্যবহার করছে তারা। ডেটা প্যাক ফুরিয়ে গেলেও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে এ সেবা চালু করা হয়েছে। তবে হাই রেজল্যুশনের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করা বা অন্য সেবার জন্য ডেটা প্যাক কিনতে হবে, চাইলে ইনস্টাগ্রাম অ্যাপের মধ্য থেকেই সেটি কেনা যাবে।

একনজরে

চীনা র‌্যামের পারফরম্যান্স পরীক্ষা করছে অ্যাপল

টেকবিশ্ব ডেস্ক
চীনা র‌্যামের পারফরম্যান্স পরীক্ষা করছে অ্যাপল

ফিন্যানশিয়াল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইফোন ও ম্যাক তৈরিতে সিএক্সএমটি-এর তৈরি র‌্যাম চিপ কতটা কাজের তা খতিয়ে দেখছে অ্যাপল। চলমান র‌্যাম সংকট মোকাবেলায় এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তারা। বর্তমানে এসকে হাইনিকস, স্যামসাং ও মাইক্রনের র‌্যাম ব্যবহার করে অ্যাপল। আন্তর্জাতিক বাজারে সিএক্সএমটি বা চিয়ানশিন মেমোরি টেকনোলজিসের তেমন খ্যাতি নেই। এআই ডেটাসেন্টারের চাহিদা মেটাতে র‌্যাম সরবরাহ সংকট শুরুর পর থেকে চীনের বাইরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি পায়। চীনা প্রযুক্তি নির্মাতাদের পাশাপাশি আরো অনেক প্রতিষ্ঠান এখন সিএক্সএমটির মেমোরি চিপ ব্যবহার করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী অ্যাপল সিএক্সএমটির র‌্যামযুক্ত কোনো ডিভাইস পশ্চিমা বাজারে বিক্রি করতে পারবে না। তবে অ্যাপলের লবিস্টরা এ নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে অনুরোধ করে যাচ্ছে। অ্যাপল যদি সিএক্সএমটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়, তাহলে আগামী বছর সিএক্সএমটি হয়ে উঠবে চার হাজার ৮০০ কোটি ডলার মূল্যের প্রতিষ্ঠান।

বন্ধ হচ্ছে প্লে স্টেশন গেম ডিস্ক

শাহরিয়ার মোস্তফা
বন্ধ হচ্ছে প্লে স্টেশন গেম ডিস্ক
বন্ধ হয়ে যাবে গেম বিক্রির ব্যবসা। ছবি : সংগৃহীত

২০২৮ সাল থেকে প্লে স্টেশনের জন্য গেম ডিস্ক তৈরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সনি। এর পর থেকে কেনা যাবে শুধু ডিজিটাল সংস্করণ, অর্থাৎ গেমের লাইসেন্স। এ বিষয়ে মাইক্রোসফট এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি, তবে গুঞ্জন উঠেছে এক্সবক্সও হাঁটবে একই পথে। নিনটেন্ডো আপাতত কার্ট্রিজে গেম বিক্রি অব্যাহত রাখবে, তবে সম্ভাবনা আছে সেটাও কিছুদিন পর বন্ধ করে দেওয়া হবে।

 

লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি

ফিজিক্যাল কপি কিনলেও গেম খেলার আগে সেটা আপডেট করতে হয়। তাই গেমারদের মধ্যে ডিস্ক কেনার প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে। মোট কনসোল গেম বিক্রির ৬০ থেকে ৮০ শতাংশই ডিজিটাল। গেমের ডিস্ক বা কার্ট্রিজ থেকে গেম কপি করে পাইরেসি করাও বেশ সহজ। অনেক সময় আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরুর আগেই অসাধু ব্যবসায়ীরা ডিস্ক থেকে গেম কপি করে পাইরেসি সাইটে আপলোড করে। ২০২৩ সালে এ ধরনের পাইরেসির শিকার হয় দ্য লেজেন্ড অব জেলডা : টিয়ারস অব দ্য কিংডম। আনুষ্ঠানিক প্রকাশিত হওয়ার আগেই অন্তত ১০ লাখেরও বেশিবার গেমটির পাইরেটেড কপি ডাউনলোড করা হয়। অর্থাৎ ফিজিক্যাল ডিস্ক বিক্রি করা সব দিক থেকেই কনসোল নির্মাতাদের জন্য লোকসানের কারণ।

 

গেম সংরক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন

ডিস্ক বা কার্ট্রিজের গেম কয়েক দশক পরেও খেলা যায়। এসব গেম বৈধভাবে কেনাবেচাও করা যায়, বন্ধুরা চাইলে গেম ধার করে খেলতেও পারে। গেম ডিস্ক ভাড়ার সেবাও রয়েছে। ডিজিটাল গেমে এ ধরনের সুবিধা নেই। ডিজিটাল লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য নয়, তাই গেম ধার করা বা ভাড়া করা একপ্রকার অসম্ভব। এমনকি মৃত্যুর পর ওয়ারিশরাও গেমের ডিজিটাল লাইসেন্স ব্যবহার করতে পারবে না। ডিজিটাল গেমগুলো এক-দেড় দশক পর গেম বিক্রেতার সার্ভারে না-ও থাকতে পারে। প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক সময় নানাবিধ কারণে আপডেটের মাধ্যমে গেমের বিভিন্ন অংশ বদলানো হয়। ডিস্কের ডেটা আপডেট করা যায় না, তাই গেমের সব ফিচার থাকে অটুট। তাই গেম সংরক্ষণের জন্য ফিজিক্যাল সংস্করণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে অনেক গেমার।

 

ক্রেতাস্বার্থ রক্ষায় আইন করা জরুরি

প্লে স্টেশনের নতুন শর্তাবলী অনুযায়ী, কোনো গেমার টানা ৩৬ মাস লগইন না করলে প্লে স্টেশন অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টের সব গেমও চিরতরে মুছে যাবে। জীবনের নানাবিধ চাপে কয়েক বছর গেমিং থেকে দূরে থাকা অস্বাভাবিক নয়, সে ক্ষেত্রে এভাবে গেমের লাইসেন্স বাতিল করা কতটা সমীচীন, সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

গেমের লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য নয়, এটাও সমস্যাজনক। বই, গান বা সিনেমার ক্যাসেট ও ডিস্কের মতো গেম সংগ্রহের মালিকানাও সন্তানরা কেন পাবে না, সেটি নিয়ে কথা বলার সময় এসেছে। অন্য শিল্পকর্মের মতো ভিডিও গেমের মালিকানা ও কেনাবেচা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এখন সময়ের দাবি।

 

এই বিশ্বকাপ প্রযুক্তির বিশ্বকাপ

এবারের ফিফা বিশ্বকাপে খেলোয়াড়ের গতিবিধি, বলের গতি, পাসের নির্ভুলতা, এমনকি খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতার তথ্য বিভিন্ন ধরনের সেন্সরের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্যকে করা হচ্ছে বিশ্লেষণ। ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে লিখেছেন ড. এম মেসবাহউদ্দিন সরকার

এই বিশ্বকাপ প্রযুক্তির বিশ্বকাপ

খেলার এ বছরের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরকে বলা যায় পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিরও প্রদর্শনী। খেলোয়াড়, রেফারি, কোচ থেকে শুরু করে দর্শকদেরও খেলা দেখার অভিজ্ঞতায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। দর্শক, আয়োজক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ব্যবহৃত হচ্ছে সর্বাধুনিক সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তি।

 

স্মার্ট বল ও ভিএআর

বিশ্বকাপে এবার ব্যবহৃত বলের ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক ইনর্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (IMU) সেন্সর। প্রতি সেকেন্ডে শত-শতবার বলের অবস্থান ও স্পর্শের তথ্য সংগ্রহ করে এটি। সেন্সরটি বলের সাইড প্যানেলে বসানো। বলটি তৈরি করেছে অ্যাডিডাস, এর মডেল ট্রায়োন্ডা প্রো। দাম প্রায় ১৭০ ডলার। এর পাশাপাশি স্টেডিয়ামে স্থাপিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা খেলোয়াড়দের শরীরের বিভিন্ন পয়েন্ট ট্র্যাক করে। এই তথ্যগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা বিশ্লেষণ করে মুহূর্তের মধ্যে অফসাইড নির্ধারণ করা সম্ভব হয়। পুরো প্রযুক্তিকে বলা হয় ভিডিও অ্যাসিস্টেড রেফারি (ভিএআর)। এর পাশাপাশি গোললাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত করা হয় বল পুরোপুরি গোললাইন অতিক্রম করেছে কিনা। কোনো গোল হলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই রেফারির বিশেষ ঘড়িতে সংকেত পৌঁছে যায়। এর ফলে গোল নিয়ে বিতর্কের অবকাশ প্রায় থাকে না।

 

পারফরম্যান্স যাচাইয়ে প্রযুক্তি

খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণেও ব্যবহৃত হচ্ছে প্রযুক্তি। মাঠজুড়ে স্থাপিত অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম প্রতিটি খেলোয়াড়ের অবস্থান, দৌড়ের গতি, বল দখলের সময়, পাসের দূরত্ব, শটের শক্তি এবং মাঠে চলাচলের ধরন রেকর্ড করে। সংগৃহীত এই বিপুল পরিমাণ তথ্য বিগ ডেটা প্ল্যাটফর্মে বিশ্লেষণ করা হয় এবং কোচিং স্টাফদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়। ফলে কোচরা খেলার মধ্যেই কৌশল পরিবর্তন, খেলোয়াড় বদল বা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ জার্সি বা ওয়্যারেবল ডিভাইসে বিশেষ জিপিএস ও বায়োমেট্রিক সেন্সর ব্যবহৃত হয়, যা হৃদস্পন্দন, ক্লান্তির মাত্রা ও শারীরিক চাপ পরিমাপ করে। এতে খেলোয়াড়দের ইনজুরি ঝুঁকি কমানো এবং সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা সম্ভব সহজ হচ্ছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ সফটওয়্যার অতীতের ম্যাচের তথ্য পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য কৌশল ও ম্যাচ পরিস্থিতি সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিতে পারে।

 

দর্শকরাও বাদ যায়নি

দর্শক অভিজ্ঞতা উন্নত করার ক্ষেত্রেও বিশ্বকাপে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অভূতপূর্ব। স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান, রিপ্লে, খেলোয়াড়দের তথ্য এবং বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলের ভিডিও দেখতে পারে। টেলিভিশন সম্প্রচারে অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR), ভার্চুয়াল গ্রাফিকস এবং থ্রিডি ভিজ্যুয়ালাইজেশন ব্যবহার করে অফসাইড লাইন, বলের গতিপথ, খেলোয়াড়দের অবস্থান ও ম্যাচের বিশ্লেষণ অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়। আবার ক্লাউড কম্পিউটিং প্রযুক্তি সংযুক্ত থাকায় বিপুল পরিমাণ ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ এবং বিশ্বব্যাপী সম্প্রচার সহজ ও নিশ্চিত হচ্ছে।

 

সাইবার নিরাপত্তায় জোর

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মাঠজুড়ে স্থাপিত সেন্সর, ক্যামেরা, ভিএআর (VAR), সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি এবং বলের ভেতরে থাকা স্মার্ট চিপ থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সার্ভারে এনক্রিপ্টেড পদ্ধতিতে পাঠানো হয়, যাতে হ্যাকাররা তথ্য পরিবর্তন বা চুরি করতে না পারে। উন্নত ফায়ারওয়াল, অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (Intrusion Detection System) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করে সার্বক্ষণিক নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ করে। ফলে সন্দেহজনক কার্যক্রম দ্রুত শনাক্ত করে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। টিকেটিং সিস্টেম, দর্শকদের তথ্যভাণ্ডার, সম্প্রচার নেটওয়ার্ক এবং ম্যাচসংক্রান্ত ডেটা বেইসকে সাইবার হামলা থেকে রক্ষার জন্য মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও ক্লাউড নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্লেষণের মাধ্যমে অস্বাভাবিক ডেটা প্রবাহ বা সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণের পূর্বাভাসও পাওয়া যায়। ফলে বিশ্বকাপে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি শুধু ম্যাচ পরিচালনা, সম্প্রচার, ডেটা ব্যবস্থাপনা, খেলার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি করছে না, বরং বিশ্বকাপের বিশাল ডিজিটাল অবকাঠামোকে যেমন নিরাপদ রেখে তথ্যের গোপনীয়তা ও নির্ভরযোগ্যতাও বজায় রাখছে, তেমনি কোনো ধরনের হ্যাকিং বা প্রযুক্তিগত বিঘ্ন না ঘটে, সেটাও নিশ্চিত হচ্ছে। ফলে এবারের বিশ্বকাপ শুধু ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির সক্ষমতা ও উদ্ভাবনেরও এক অনন্য উদাহরণ।

লেখক : অধ্যাপক ও আইটি গবেষক

আইআইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়