• ই-পেপার

পাঠক

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফাইনাল?

আজ রাতেই শুরু হবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। ৪৮ দলের লড়াইয়ে টিকে আছে মাত্র আটটি দল। কোন দুই দল যাবে ফাইনালে, কে হাসবে বিজয়ের হাসি? বেশির ভাগ শোবিজ তারকার পূর্বানুমান—ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফাইনাল। আটজনের বিশ্বকাপ পর্যবেক্ষণ শুনেছেন হৃদয় সাহা

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফাইনাল?

মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড-হ্যারি কেইনের মধ্যে যে সেরাটা দেবে তার দল জিতবে

গিয়াসউদ্দিন সেলিম নির্মাতা

ফুটবল যদিও দলগত খেলা, কিন্তু প্রায় প্রতিটি দলেই বিশেষ একজন খেলোয়াড় থাকে যে একাই খেলা ঘুরিয়ে নিতে পারে। সামনের ম্যাচগুলোতে আমি তাকিয়ে থাকব সেই রকম বিশেষ চারজনের দিকে—আর্জেন্টিনার মেসি, ফ্রান্সের এমবাপ্পে, নরওয়ের হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। এই চারজনের মধ্যে যে নিজের সেরাটা দিয়ে খেলা নিজের করতে পারবে তার দলই বিজয়ী হবে। কোন দুই দল ফাইনালে যাবে, কে বিজয়ী হবে এই মুহূর্তে তা বলা মুশকিল। তবে আমি আশা করছি, ফ্রান্স বনাম আর্জেন্টিনা ফাইনাল হবে।

 

আর্জেন্টিনার সামনে বড় বাধা হতে পারে নরওয়ে

রওনক হাসান অভিনয়শিল্পী

স্পেন-ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা-নরওয়ে—আশা করছি এই চার দল সেমিফাইনাল খেলবে। যারাই ভালো খেলবে দিনটি তাদেরই হবে। তাই এখনই দুটি দলের নাম আলাদা করে বলা যাচ্ছে না। চারটি দলই ব্যালান্সড টিম হিসেবে খেলে যাচ্ছে। আমি যদিও ব্রাজিল সমর্থক, তবু আশা রাখছি, আর্জেন্টিনাই ফাইনালে বিজয়ী হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে নরওয়ে, নরওয়ের সঙ্গে জিততে পারলেই সব বাধা দূর হয়ে যাবে। যদি দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে ফ্রান্স-নরওয়ে ফাইনাল হবে।

 

ফ্রান্সের কোনো দুর্বলতা এখনো চোখে পড়ছে না

শিহাব শাহীন নির্মাতা

আমার প্রিয় দল ব্রাজিল, তারা এরই মধ্যে বিশ্বকাপ ছেড়েছে। নইলে ব্রাজিলও অন্যতম ফাইনালিস্টের তালিকায় ছিল। এবারের দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ব্যালান্সড টিম ফ্রান্স। তাদের আক্রমণাত্মক মনোভাব, মাঠ দখলে নেওয়ার চেষ্টা, গোল দেওয়ার প্রবণতা—সব মিলিয়ে ফ্রান্স এখন সেরা ফর্মে। তাদের কোনো দুর্বলতা চোখে পড়ছে না। অন্যদিকে ফাইনালের সমীকরণ বদলে দিতে পারে লিওনেল মেসি। সে যদি জ্বলে ওঠে দিনটি তারই হবে, বিজয়ের হাসি হাসবে আর্জেন্টিনা।

 

স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা ফাইনাল হবে

তৌসিফ মাহবুব অভিনয়শিল্পী

ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। আর্জেন্টিনা সেরা, মেসি তার চেয়েও সেরা। মিসরের সঙ্গে রাউন্ড ১৬-তে তারা পিছিয়ে পড়েও যেভাবে কামব্যাক করেছে, এটা কামব্যাক অব দ্য সেঞ্চুরি! এ রকম কামব্যাক আর্জেন্টিনার মতো দল থেকেই আশা করা যায়। অন্যদিক থেকে যাবে স্পেন। ফুটবলকে শিল্প মনে করে তারা। অনেকে ফ্রান্সকে এগিয়ে রাখতে পারে, তবে সর্বশেষ ম্যাচে তাদের দুর্বল মনে হয়েছে আমার। বড় দলের বিপক্ষে তারা সেরাটা দিতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের জেতাটা কষ্টকর হবে। আমি এই দুই দলের মধ্যে স্পেনকেই এগিয়ে রাখব। ইউরো কাপ ২০২৪-এর সেমিফাইনালেও ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন। 

 

ফ্রান্স বনাম আর্জেন্টিনা ফাইনালের দুই দল

মৌসুমী মৌ অভিনয়শিল্পী, সঞ্চালক

আমি ব্রাজিল সমর্থক, তাদের হারে মন খারাপ হয়ে আছে। তবে যেহেতু খেলা নিয়ে অনুষ্ঠান করি এবং নিয়মিতভাবে খেলা দেখি, সেই বিবেচনায় ফাইনাল খেলবে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। ফ্রান্স খুবই ব্যালান্সড একটা দল, তবে লিওনেল মেসির দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো বিশ্ববাসী।

 

পৃথিবী আরেকবার দেখবে মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি

শ্রাবণ্য তৌহিদা সঞ্চালক

যোগ্যতম দল হিসেবে ফাইনালে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনাই উঠবে। ফ্রান্স যেমন নিজেদের শক্তিমত্তা, বুদ্ধিমত্তা নিয়ে মাঠ দখল করে নেয়, সেই হিসেবে ফ্রান্সই এগিয়ে থাকবে। তা ছাড়া এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় আছে। আর্জেন্টিনা ঠিক তাদের মতো করে এগিয়ে নেই, তবে তারা ভালো ছন্দে আছে। অন্য দলের চেয়ে আর্জেন্টিনাকে আলাদা করে দেয় লিওনেল মেসি। তার পায়ের জাদুতে অন্যরা পিছিয়ে যায়। সে সেরাটা দিতে পারলে শেষ হাসি হাসবে আর্জেন্টিনাই। পুরো পৃথিবী আরেকবার মেসির হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি দেখবে। শুধু তা-ই নয়, গোল্ডেন বুটও জয় করে নেবে মেসি।

 

ফ্রান্স বনাম ইংল্যান্ড দেখব ফাইনালে

ইয়াশ রোহান অভিনয়শিল্পী

ফাইনালের মঞ্চে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডকে দেখব, এটাই আশা করছি। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফ্রান্স নিজেদের খুব গুছিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আর ইংল্যান্ডকে ফাইনালে দেখতে চাই, কারণ আমি এই দলের সমর্থক। ইংল্যান্ডের সামনে যে দুই দল আছে, আশা করছি, তাদের পরাজিত করে ফাইনালে উঠবে তারা। প্রিয় দলের হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি উঠলে স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত হব।

 

ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফাইনালের সম্ভাবনাই বেশি

হিমেল আশরাফ নির্মাতা

আমি ব্রাজিল সমর্থক, ব্রাজিল ছিটকে গেল এবার সেরা ১৬ থেকে। যা খেলা দেখলাম, তার মধ্যে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাই বেশি। দুই দলেই ভারসাম্য আছে। ফাইনালে যে ভালো খেলবে পাশাপাশি যার ভাগ্য ভালো হবে, তারাই জিতবে কাপ।

শুভ জন্মদিন

শুভ জন্মদিন
রুকাইয়া জাহান চমক। ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহে যাঁদের জন্মদিন

[৯—১৫ জুলাই]

 

রুকাইয়া জাহান চমক, সাব্বির জামান, আনিসুল ইসলাম হিরু [৯ জুলাই]

জন কবির [১০ জুলাই]

ইলিয়াস কাঞ্চন, পূর্ণিমা, তানিশা, শাহনাজ রহমান স্বীকৃতি, এস এ হক অলিক [১১ জুলাই]

অনিমা রায় [১২ জুলাই]

রাশেদ মামুন অপু, প্রিয়ন্তী উর্বী, সাজিয়া পুতুল, সিজার [১৩ জুলাই]

 লিসা কামাল, তানিম রহমান অংশু

[১৪ জুলাই]

রাইসুল ইসলাম আসাদ, লাবিক কামাল [১৫ জুলাই]

স্টার অব দ্য উইক : আমির খান

স্টার অব দ্য উইক : আমির খান

৬১ বছর বয়সে তৃতীয়বারের মতো ‘কবুল’ বললেন ‘লগান’ অভিনেতা। পাত্রী গৌরী স্প্র্যাট। এ নিয়ে খবরের পর খবর। বড় চমকটা আমির দেখিয়েছেন বিয়ের দিন। রবিবার বিয়ের আসরে কবুল বলার সময় আমির তাঁর আগের দুই ঘরের তিন সন্তানকে রেখেছেন পাশে, রেখেছেন গৌরীর আগের ঘরের পুত্রসন্তানকেও। এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সপ্তাহজুড়েই আলোচনায় এই অভিনেতা।

 

শুটিংয়ে প্রথম দিন

ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম

মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, ওটিটি—সব মাধ্যমেরই পরীক্ষিত অভিনেতা ইন্তেখাব দিনার। একেবারে প্রথম যেদিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? জানিয়েছেন অভিনেতা নিজেই

ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম
‘গোর’ [১৯৯৮]নাটকের দৃশ্যে তরুণ ইন্তেখাব দিনার

ক্যামেরার সামনে প্রথম আসি ১৯৯৬ সালে। বিপাশা হায়াতের রচনায় মুনীর হোসেন চৌধুরী তারার পরিচালনায় ‘শুধুই তোমারে জানি’ নাটকে। মূল চরিত্রে আসাদুজ্জামান নূর, সারা যাকের ও আফসানা মিমি। গল্পে মঞ্চনাটকের একটা দৃশ্য ছিল, সেখানে আমি দর্শক সারির ভিড়ের মধ্যে দাঁড়াই। আমি তখন নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের সদস্য, দল থেকেই নির্দেশনা ছিল আমরা যেন ওখানে ভিড় জমাই। তবে আমি চেষ্টা করেছিলাম আমাকে যেন দেখা না যায়। কারণ পরে বন্ধুরা আমার সঙ্গে মজা করবে এই বলে, আমি ভিড়ের মধ্যে অভিনয় করি। সত্যিই আমার মুখ দেখা যায়নি। স্বাভাবিকভাবেই আমি কোনো সম্মানি পাইনি। ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়াই এই নাটকেই। তার বছর দুয়েক পরে গাজী রাকায়েত ভাইয়ের রচনায় ‘গোর’ নাটকে প্রথম অভিনয় করি। বিপাশা হায়াতের সঙ্গে, তিনিই আমার প্রথম নায়িকা। মঞ্চে কাজ করার সুবাদে রাকায়েত ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় ছিল, তিনিই আমাকে অফার দেন। নাটকটি পরিচালনা করেন সালাহউদ্দিন লাভলু। আমি ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা মানুষ, একদম গ্রাম্য পরিবেশে গ্রামের ছেলের হয়ে অভিনয় করার অভিজ্ঞতাটা অন্য রকম। যত দূর মনে পড়ে, এ নাটকে সম্মানি পেয়েছিলাম এক হাজার টাকা। তবে তার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি ছিল ‘গোর’ নাটকের তুমুল প্রশংসা। বছরের শ্রেষ্ঠ নাটকের পুরস্কার পেয়েছিল, আমিও পরিচিত পাই। এরপর একের পর এক অভিনয়ের অফার আসতে থাকে।