স্পেন-বেলজিয়াম (রাত ১টা)
২০৩১ সালের মধ্যে পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চায় বাংলাদেশ
আজকের খেলা

সাড়া ফেলেছে বিমানবন্দরের বিনা ভাড়ার শাটল বাস

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে গত বুধবার চালু হয়েছে বিনা ভাড়ার শাটল বাস সার্ভিস। এই বাস চালুর পরদিন থেকে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি এলাকায় যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব অর্থায়নে চালু হওয়া এই ফ্রি সার্ভিসের আওতায় ৩৮ সিটের দুটি এসি বাস প্রতি ৩০ মিনিট পর পর ২৪ ঘণ্টা নির্ধারিত রুটে চলাচল করছে। বাসগুলো বিমানবন্দর, বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, জসিমউদ্দিন মোড়, বিমানবন্দর রেলস্টেশন ও কাওলা হয়ে ফের বিমানবন্দর রুটে পরিচালিত হচ্ছে। পুরো গন্তব্য ঘুরে আসতে সময় লাগছে প্রায় এক ঘণ্টা। আর যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই বাস যাত্রীপূর্ণ হয়ে যায়, তবে সেটি সঙ্গে সঙ্গে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, চালুর প্রথম দিনেই যাত্রীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, নারী, শিশু, শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত যাত্রী এবং ভারী লাগেজ বহনকারী যাত্রীদের জন্য এই সেবা অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।
দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে বেবিচকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রীরা। বিমানবন্দর এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সৌদি আরব থেকে আগত যাত্রী সাজিদ হোসেন জানান, ‘আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে গাড়ি পেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন বিনামূল্যে বাসে চড়ে সরাসরি বাসস্ট্যান্ড বা বা রেলস্টেশন পর্যন্ত যেতে পারছি, এটা সত্যিই দারুণ উদ্যোগ।’
গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ বলেন, ‘একজন যাত্রীর বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে শুরু করে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তিনি কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা পাচ্ছেন, সেটিই একটি বিমানবন্দরের প্রকৃত মানদণ্ড।’ তিনি জানান, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সেবার মান উন্নয়নে ও আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এই ফ্রি শাটল বাস সার্ভিস যাত্রীদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত যাতায়াত নিশ্চিত করছে।
জানতে চাইলে বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এই সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং এখানে কোনো প্রকার অর্থ বা বকশিশ দাবি করা যাবে না। কেউ এমনটি করলে বা যাত্রীরা কোনো হয়রানির শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে হটলাইন নম্বরে বা সরাসরি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।’
জানা গেছে, এর আগেও বিমানবন্দরে শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এক পর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘অতীতে সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ এবং যাত্রীদের অনাগ্রহের বিষয়গুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আগের ত্রুটিগুলো কাটিয়ে উঠে এবার যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
বেবিচক জানিয়েছে, ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় যানজট হ্রাস, পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সামগ্রিক যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে বেবিচকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা।
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না : অর্থমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প খাতকে শক্তিশালী করতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা অব্যাহত থাকবে। শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বিটিএমএর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয় বৈঠকেই সমাধান হয়েছে। আর যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলো সরকার বিবেচনা করবে। আমরা চাই আমাদের শিল্পগুলো ভালো করুক। অর্থনীতি দাঁড়াতে হলে শিল্প খাত ভালো করতে হবে।’
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী দিনের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান অনেকটাই শিল্পের ওপর নির্ভর করছে। তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করতে হবে এবং সমাধানের চেষ্টা চলবে।
তিনি বলেন, ব্যবসা সহজ করতে সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এর পরও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা চলছে এবং পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে। এতে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে। তাই বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজে দেখা হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হবে।
নতুন বাজেট কেমন হলো—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তা আপনারাই বলবেন, আমি কিভাবে বলব।’ রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। রেভিনিউ আদায় ইনশাআল্লাহ ভালো হবে। এনবিআরের সবাই প্রস্তুত। আমরা যে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছি, ইনশাআল্লাহ তা পূরণ হবে।’ তবে রাজস্ব আদায়ে গঠিত টাস্কফোর্স সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।
বন্ধ কারখানায় ১,০৫০ কোটি বিনিয়োগ

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অলস শিল্পসম্পদকে উৎপাদনমুখী ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে বন্ধ শিল্প-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করছে। এ কথা বলেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ জুট মিলস লিমিটেডের (বিজেএমসি) নরসিংদী ইউনিটের অতিরিক্ত ১৪.৮০ একর জমি জুট অ্যালায়েন্স লিমিটেডের কাছে লিজ প্রদানসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। এরপর আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পাটমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অলস পড়ে থাকা রাষ্ট্রীয় সম্পদ অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বন্ধ মিলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি জানান, নতুন এই প্রকল্পে প্রায় এক হাজার ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে, যার মাধ্যমে বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার উৎপাদন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নতুন করে প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সয়াবিনবীজ প্রক্রিয়াজাত করে ভোজ্যতেল উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, সরকার সরাসরি ব্যবসা পরিচালনার পরিবর্তে দক্ষ বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছে। দীর্ঘমেয়াদি লিজ, রাজস্ব ভাগাভাগি এবং যৌথ মালিকানাভিত্তিক বিভিন্ন পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে বেশির ভাগ বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে।
রপ্তানি আয় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, ইউরোপীয় বাজারে চাহিদা হ্রাস এবং বিভিন্ন দেশের নতুন শুল্কনীতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোক্তা ব্যয় কমেছে। তবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ধীরে ধীরে উচ্চমূল্যের ম্যানমেড ফাইবার ও ভ্যালু-অ্যাডেড পণ্য উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই রূপান্তর সম্পন্ন হলে একই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করেও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, নরসিংদীর বাংলাদেশ জুট মিলস লিমিটেডের মোট ৭৭.০২ একর জমির মধ্যে আগেই ৩৪.৫০ একর জমি জুট অ্যালায়েন্স লিমিটেডকে লিজ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৪০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে এবং প্রায় তিন হাজার ২০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। নতুন জমি যুক্ত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও বিনিয়োগ সক্ষমতা আরো বাড়বে।
তিনি আরো জানান, উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি পাটকলের মধ্যে ২০টি লিজ প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং ৯টি মিলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এসব মিলে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দৈনিক প্রায় ১৬০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্ধ শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। পর্যায়ক্রমে বিজেএমসি, বিটিএমসি এবং অন্যান্য বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানেও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
জুট অ্যালায়েন্স লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি বলেন, সরকারের উদ্যোগে বন্ধ পাটকল পুনরায় চালুর কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত দুই বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে। কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ টন থেকে ৫০ টনে উন্নীত করা হয়েছে এবং উৎপাদিত পণ্য শতভাগ রপ্তানি করা হচ্ছে।
তিনি জানান, পরবর্তী ধাপে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে দৈনিক তিন হাজার টন সক্ষমতার একটি সিড ক্রাশিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থা আইএফসির সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্প থেকে সয়াবিন তেল ও সয়া মিল উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আরো প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
