স্পেন-বেলজিয়াম (রাত ১টা)
হামে শিশুমৃত্যু সাড়ে ৭শ ছুঁই ছুঁই
- ২৪ ঘণ্টায় আরো দুই শিশুর মৃত্যু
- ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত চট্টগ্রাম বিভাগে
আজকের খেলা

২০৩১ সালের মধ্যে পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির ইতিহাসে পাটের অবস্থান অনন্য। একসময় বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হওয়ায় পাটকে বলা হতো ‘সোনালি আঁশ’। দীর্ঘ সময়ের ঐতিহ্য বহনকারী এই ফসল এখনো দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে। তবে পাট চাষে দীর্ঘদিনের বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্মত বীজের সংকট ও আমদানিনির্ভরতা।
বর্তমানে দেশে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিবছর পাঁচ থেকে ছয় হাজার টন পাটবীজের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বছরে মাত্র দুই হাজার টন উৎপাদন ও সরবরাহ করতে পারে। বাকি চার হাজার টন বীজ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়।
সূত্র জানায়, এই বীজ আমদানি করতে প্রতিবছর সরকারের ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। পাশাপাশি আমদানি করা বীজের গুণগত মান নিয়েও কৃষকের মধ্যে রয়েছে নানা অভিযোগ। ফলে মানসম্মত দেশীয় পাটবীজ উৎপাদন বাড়াতে জোর দিচ্ছে সরকার।
পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনার পর উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে বিএডিসি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সংস্থাটি সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী কয়েক বছরে ধাপে ধাপে পাটবীজের উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের চাহিদার পুরোটা মেটাতে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ উৎপাদনবর্ষে ১০ কোটি টাকার নতুন একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এই সময়ে পাটবীজ উৎপাদন দুই হাজার ২১০ টনে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে উৎপাদন পাঁচ হাজার টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের আশা করছে সরকার।
বিএডিসির পাটবীজ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক দেবদাস সাহা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বর্তমানে দেশে বিএডিসির ছয়টি চুক্তিভিত্তিক পাটবীজ উৎপাদন জোন রয়েছে। নতুন কর্মসূচির আওতায় আগামী দুই বছরে আরো ১২টি নতুন চুক্তিভিত্তিক চাষি জোন স্থাপন করা হবে। এতে মোট জোনের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৮টিতে। পাশাপাশি দুটি খামারে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বছরে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাটবীজ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬-২৭ সালে দুই হাজার ২১০ টন, ২০২৭-২৮ সালে তিন হাজার ১৫০ টন, ২০২৮-২৯ সালে চার হাজার ৪০০ টন এবং ২০২৯-৩০ সাল থেকে পাঁচ হাজার টন পাটবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশীয়ভাবে পাটবীজের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে একদিকে যেমন আমদানি ব্যয় কমবে, অন্যদিকে কৃষকরাও কম দামে উন্নতমানের বীজ পাবেন। এতে পাটের উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়বে।
তাঁদের মতে, পাটবীজ উৎপাদনে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো গেলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সহজ হবে। এর মধ্যে ‘নাবি পাটবীজ উৎপাদন’ পদ্ধতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আধুনিক এই পদ্ধতির মাধ্যমে কম সময়ে এবং তুলনামূলক ভালো মানের বীজ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট পাটের জিনোম উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সেই গবেষণার সুফল এখনো মাঠ পর্যায়ে পৌঁছেনি।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. এ এস এম কামরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন উন্নতমানের পাটবীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। অতীতে সেই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়নি। পাটবীজের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে এরই মধ্যে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের নানা পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সাল থেকে দেশে পাটবীজের আমদানিনির্ভরতা শুরু হয়ে ক্রমে তা আরো বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে চোরাপথে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নিম্নমানের পাটবীজ দেশে প্রবেশ করতে থাকে, যা দেশীয় পাট উৎপাদনের মান ও ফলনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদিত হয়। এই খাতের গবেষণা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ৫৭টি পাটের জাত, ২২৩টি কৃষি-প্রযুক্তি এবং ৬৯টি শিল্প ও কারিগরি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
সূত্র মতে, পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা শুধু আমদানি ব্যয় কমাবে না, দেশের কৃষি খাতে একটি বড় অর্জন হিসেবেও বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে দেশের সোনালি আঁশ পাটের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের পথ আরো সুগম হবে।
সাড়া ফেলেছে বিমানবন্দরের বিনা ভাড়ার শাটল বাস

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে গত বুধবার চালু হয়েছে বিনা ভাড়ার শাটল বাস সার্ভিস। এই বাস চালুর পরদিন থেকে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি এলাকায় যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব অর্থায়নে চালু হওয়া এই ফ্রি সার্ভিসের আওতায় ৩৮ সিটের দুটি এসি বাস প্রতি ৩০ মিনিট পর পর ২৪ ঘণ্টা নির্ধারিত রুটে চলাচল করছে। বাসগুলো বিমানবন্দর, বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, জসিমউদ্দিন মোড়, বিমানবন্দর রেলস্টেশন ও কাওলা হয়ে ফের বিমানবন্দর রুটে পরিচালিত হচ্ছে। পুরো গন্তব্য ঘুরে আসতে সময় লাগছে প্রায় এক ঘণ্টা। আর যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই বাস যাত্রীপূর্ণ হয়ে যায়, তবে সেটি সঙ্গে সঙ্গে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, চালুর প্রথম দিনেই যাত্রীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, নারী, শিশু, শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত যাত্রী এবং ভারী লাগেজ বহনকারী যাত্রীদের জন্য এই সেবা অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।
দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে বেবিচকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রীরা। বিমানবন্দর এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সৌদি আরব থেকে আগত যাত্রী সাজিদ হোসেন জানান, ‘আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে গাড়ি পেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন বিনামূল্যে বাসে চড়ে সরাসরি বাসস্ট্যান্ড বা বা রেলস্টেশন পর্যন্ত যেতে পারছি, এটা সত্যিই দারুণ উদ্যোগ।’
গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ বলেন, ‘একজন যাত্রীর বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে শুরু করে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তিনি কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা পাচ্ছেন, সেটিই একটি বিমানবন্দরের প্রকৃত মানদণ্ড।’ তিনি জানান, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সেবার মান উন্নয়নে ও আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এই ফ্রি শাটল বাস সার্ভিস যাত্রীদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত যাতায়াত নিশ্চিত করছে।
জানতে চাইলে বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এই সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং এখানে কোনো প্রকার অর্থ বা বকশিশ দাবি করা যাবে না। কেউ এমনটি করলে বা যাত্রীরা কোনো হয়রানির শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে হটলাইন নম্বরে বা সরাসরি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।’
জানা গেছে, এর আগেও বিমানবন্দরে শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এক পর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘অতীতে সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ এবং যাত্রীদের অনাগ্রহের বিষয়গুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আগের ত্রুটিগুলো কাটিয়ে উঠে এবার যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
বেবিচক জানিয়েছে, ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় যানজট হ্রাস, পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সামগ্রিক যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে বেবিচকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা।
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না : অর্থমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প খাতকে শক্তিশালী করতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা অব্যাহত থাকবে। শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বিটিএমএর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয় বৈঠকেই সমাধান হয়েছে। আর যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলো সরকার বিবেচনা করবে। আমরা চাই আমাদের শিল্পগুলো ভালো করুক। অর্থনীতি দাঁড়াতে হলে শিল্প খাত ভালো করতে হবে।’
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী দিনের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান অনেকটাই শিল্পের ওপর নির্ভর করছে। তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করতে হবে এবং সমাধানের চেষ্টা চলবে।
তিনি বলেন, ব্যবসা সহজ করতে সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এর পরও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা চলছে এবং পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে। এতে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে। তাই বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজে দেখা হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হবে।
নতুন বাজেট কেমন হলো—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তা আপনারাই বলবেন, আমি কিভাবে বলব।’ রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। রেভিনিউ আদায় ইনশাআল্লাহ ভালো হবে। এনবিআরের সবাই প্রস্তুত। আমরা যে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছি, ইনশাআল্লাহ তা পূরণ হবে।’ তবে রাজস্ব আদায়ে গঠিত টাস্কফোর্স সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।
