• ই-পেপার

গাজা সিটির একটি কারখানায় ইসরায়েলি বিমান হামলা

টরন্টোয় বন্দুকধারীর হামলায় হতাহত ৭

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
টরন্টোয় বন্দুকধারীর হামলায় হতাহত ৭

কানাডার টরন্টোয় বন্দুকধারীর হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। গত শনিবার টরন্টো পুলিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে তারা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার করে। এর মধ্যে দুজনকে ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত অন্য ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থা ঠিক কেমন তা তাত্ক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কানাডীয় সংবাদমাধ্যম সিটিভি নিউজ জানিয়েছে, টরন্টোর মিডটাউন এলাকায় লাতিন আমেরিকানদের বার্ষিক উৎসব সালসা অন সেন্ট ক্লেয়ার চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশের অভিযান ও তদন্ত চলাকালীন সর্বসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার এবং কর্তৃপক্ষের সব নির্দেশনা মানার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স

চীনে সুপার টাইফুন বাভির আঘাত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
চীনে সুপার টাইফুন বাভির আঘাত

চীনে ঘণ্টায় ২৯০ কিলোমিটার গতির সুপার টাইফুন বাভি আঘাত হেনেছে। এর ফলে দেশটিতে এক সপ্তাহের মধ্যে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টাইফুন আঘাত হানল। রবিবার  ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা থেকে ২০ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। টাইফুনটি শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে উপকূলীয় শহর তাইঝৌতে আঘাত হানে। এরপর মধ্যরাতের দিকে ওয়েনঝৌতেও তীব্র তাণ্ডব চালায়। 

জাপানের কয়েকটি প্রত্যন্ত দ্বীপে প্রবল আঘাত হানার পর এটি তাইওয়ানের উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে অগ্রসর হয়। এর
ফলে সেসব এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঝড়ের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে ফিলিপাইনে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

 

যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক সিকেএম সিনড্রোমে ভুগছেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক সিকেএম সিনড্রোমে ভুগছেন

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনার সিকেএম সিনড্রোম ক্লিনিকে আসা বেশির ভাগ রোগীই জানেন না তাঁরা আসলে কী রোগে ভুগছেন। শুধু তা-ই নয়, একটি নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষই এই সিনড্রোমের শিকার, অথচ তাঁদের  বেশির ভাগই জীবনে এই রোগের নাম শোনেননি। ২০২৩ সালে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) প্রথম এই রোগটির নামকরণ করে, কার্ডিওভাসকুলার-কিডনি-মেটাবলিক বা সংক্ষেপে সিকেএম সিনড্রোম।

ব্রিঘাম অ্যান্ড উইমেনস হসপিটালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুথিয়াহ বাডুগানাথান জানান, সিকেএম মূলত কোনো একক রোগ নয়; এটি হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা এবং স্থূলতা বা ডায়াবেটিসের মতো মেটাবলিক বা বিপাকীয় জটিলতার একটি বিপজ্জনক সমন্বয়। অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তশর্করা, অস্বাভাবিক কোলেস্টেরল এবং কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া; এই সাধারণ লক্ষণগুলোই মূলত তিনটি রোগকে একসঙ্গে বাড়িয়ে তোলে। চিকিৎসকরা এই পুরো রোগচক্রের তীব্রতা অনুযায়ী একে চারটি ধাপে ভাগ কমরছেন।

প্রথম ধাপে অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ (যাদের বিএমআই ২৫ বা তার বেশি অথবা নারীদের কোমরের মাপ ৮৮ সেমি ও পুরুষদের ১০২ সেমি বা তার বেশি)।

দ্বিতীয় ধাপে রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড নামক চর্বির আধিক্য, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা ক্রনিক কিডনি ডিজিজ। এই ধাপে সাধারণত কোনো বাহ্যিক লক্ষণ প্রকাশ পায় না, রুটিন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এটি ধরা পড়ে।

তৃতীয় ধাপে লক্ষণহীন হৃদরোগ (যেমন অ্যাথেরোসক্লরোসিস বা হৃদযন্ত্র বিকল) বা আগামী ১০ বছরে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২০ শতাংশের বেশি থাকা।

চতুর্থ ধাপে স্ট্রোক, হৃদযন্ত্র বিকল বা করোনারি হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়া। এই ধাপটি কিডনি রোগসহ (ফোরবি) বা কিডনি রোগ ছাড়া (ফোরএ) হতে পারে, যা সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা। সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট

 

বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতিতে উদীয়মান শক্তি আফ্রিকা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতিতে উদীয়মান শক্তি আফ্রিকা

১৯৯৮ সালে রুয়ান্ডা গণহত্যার বিবরণীতে সাংবাদিক ফিলিপ গুরেভিচ আফ্রিকাকে এমন এক অঞ্চল হিসেবে চিত্রিত করেন, যা কেবল বিপর্যয়ই ডেকে আনে, কোনো অর্থবহ রাজনীতি তৈরি করতে পারে না। এমনকি তাত্ত্বিক আলোচনাতেও আফ্রিকাকে দীর্ঘকাল সুশাসনের অভাব, স্বৈরতন্ত্র চরম দারিদ্র্যে জর্জরিত একগুচ্ছব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। তবে সামপ্রতিক সময়ে মহাদেশটি এই নেতিবাচক ধারণা ভুল প্রমাণ করতে শুরু করেছে।

সশস্ত্র সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ এখনো আফ্রিকার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। সুদানের সংঘাত কিংবা ক্যামেরুনের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির উত্থান এর বড় উদাহরণ। এর পাশাপাশি সোমালিয়ার জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য, সাব-সাহারান অঞ্চলে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশুর শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকা এবং এইডস ও ইবোলার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি মহাদেশটির সংকটকে আরো ঘনীভূত করেছে। এই সমস্যাগুলো মোকাবেলায় আফ্রিকান ইউনিয়ন (এইউ), ইকোওয়াস (ইসিওডাব্লিউএএস), এসএডিসি এবং পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ের (ইএসি) মতো একাধিক আঞ্চলিক সংস্থা কাজ করছে। তবে সংস্থাগুলোর ভৌগোলিক পরিধি ও কার্যপরিধি প্রায় একই রকম হওয়ায় সমন্বয়ের কিছুটা অভাব পরিলক্ষিত হয়।

এত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে আফ্রিকার অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। বতসোয়ানার মতো দেশগুলোর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬-৭ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা আফ্রিকার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের উজ্জ্বল প্রতীক। পাশাপাশি শিল্পকলা, খেলাধুলা ও পপ সংস্কৃতির মাধ্যমে মহাদেশটি বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সফট পাওয়ার বা সাংস্কৃতিক প্রভাবের জানান দিচ্ছে। সূত্র : মডার্ন ডিপ্লোমেসি

 

 

 

গাজা সিটির একটি কারখানায় ইসরায়েলি বিমান হামলা | কালের কণ্ঠ