• ই-পেপার

ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ

ক্লার্কের বদলী অধিনায়ক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাথায় ঘাম

বিশ্বকাপে গরম থেকে বাঁচতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে গরম থেকে বাঁচতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ ইংল্যান্ড
সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে জুড বেলিংহাম। ছবি : এক্স থেকে

বিশ্বকাপে শুধু মাঠের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেই নয়, খেলোয়াড়দের লড়তে হবে প্রকৃতির সঙ্গেও। কেননা এবারের বিশ্বকাপ হবে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। গরমের বিষয়টা মাথায় রেখেই ম্যাচের দুই অর্ধে কুলিংয়ের ব্যবস্থা রেখেছে ফিফা।

তবে তাতেও যেন ভরসা পাচ্ছে না ইংল্যান্ড। তাই বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রযুক্তির দ্বারস্থ হয়েছে ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ীরা। গরম আবহাওয়া মোকাবেলায় উচ্চপ্রযুক্তির পাম-কুলিং ডিভাইস সঙ্গে রেখেছে। পাম-কুলিং হচ্ছে হাতের তালু ঠাণ্ডা করার যন্ত্র।

ধারণা করা হচ্ছে, পুরো বিশ্বকাপে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার মুখোমুখি পড়বেন ফুটবলাররা। বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া গেছে, বিশ্বকাপের এক-তৃতীয়াংশ ম্যাচ ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় হবে। জলবায়ু গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (WWA) এবং বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ ভেন্যুতে গড় তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। কোনো কোনো দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ইংল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে। তাই বিশ্বকাপ শুরুর আগে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সব চেষ্টা করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার নিজেদের প্রথম অনুশীলন তারা সেরেছে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে। সেদিন তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। গরম থেকে বাঁচতেই তাই পাম-কুলিং ডিভাইসের দ্বারস্থ হয়েছে তারা। 

এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসনের কাছে। তিনি জানান, প্রথম সপ্তাহটি তারা এই পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন। সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচে সাহায্য করবে বলে জানান তিনি। ব্রেন্টফোর্ডের মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যরা কুলডাউন ও রিকভারি নিয়ে গবেষণা করেছেন। আশা করি টুর্নামেন্টে শুরুর সময় আমাদের কিছুটা বাড়তি সুবিধা দেবে।’

ধীরে ধীরে পাম-কুলিং ক্রীড়াঙ্গনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর আগে এই প্রযুক্তির দ্বারস্থ হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গবেষণায় পাওয়া গেছে, হাতের তালু ঠাণ্ডা করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়। এতে করে ম্যাচ চলাকালীন দ্রুত রিকভারি সম্ভব এবং খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নত হতে পারে।

আগামী ১৭ জুন বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইংল্যান্ড। টেক্সাসে তাদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। ২৩ জুন ম্যাসাচুসেটসে তাদের প্রতিপক্ষ ঘানা। আর ‘এল’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পানামা। নিউইয়র্ক/নিউ জার্সিতে ম্যাচটি হবে ২৭ জুন।

‘সাফল্যের তীব্র ক্ষুধাই মেসির চালিকাশক্তি’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘সাফল্যের তীব্র ক্ষুধাই মেসির চালিকাশক্তি’
জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থ রদ্রিগেজের সঙ্গে মেসি। ছবি : এক্স থেকে

নামের পাশে সবই ছিল। ছিল না শুধু বিশ্বকাপ। তবে কাতার বিশ্বকাপে সেই স্বপ্নও পূরণ হয়েছে লিওনেল মেসির। সঙ্গে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষা ফুরিয়েছে কিংবদন্তির নেতৃত্বেই। 

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো বিশ্বকাপে নামবেন শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। ২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালীন ২৪ জুন ৩৯ বসন্ত উদযাপন করবেন মেসি। সব পাওয়া আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিক শক্তি কোথায় পাচ্ছেন তা-ই জানতে চাওয়া হয়েছিল ম্যাক্সি রদ্রিগেজের কাছে।

মেসির সাবেক সতীর্থ রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, সাফল্যের ক্ষুধাই মেসির চালিকা শক্তি। আর্জেন্টিনার সাবেক উইঙ্গার বলেছেন, ‘সাফল্যের তীব্র ক্ষুধা আর আবার ইতিহাস গড়ার ইচ্ছেই মেসির চালিকা শক্তি। সে শুধু এগিয়েই যায়, কোনো কিছুই থামাতে পারে না তাকে। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার গর্বের জন্যই সে খেলে। এ ছাড়া আর কিছুই মনে আসে না তার। এমনকি রেকর্ড ভাঙা-গড়ার ব্যাপারটিও।’

চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতাই মেসিকে সবকিছু জিততে সহায়তা করেছে বলে জানান রদ্রিগেজ। মেসির সঙ্গে নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে হাতেখড়ি হওয়া লিভারপুলের সাবেক ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে চায় সে। সবকিছু নিয়ে বাজি ধরতে চায়। কারণ সে আজ যা কিছু, তা সেই (সাফল্যের) ক্ষুধার এর একটা অংশ। এমন মানসিকতা ও প্রবল ইচ্ছে ছাড়া এতকিছু সে জিততে পারত না। এজন্যই আর্জেন্টিনার আইকনিক ১০ নম্বর জার্সিতে তার আরেকটি বিশ্বকাপ উপভোগ করতে যাচ্ছি আমরা।’

আগামী ১৬ জুন বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন মেসিরা। প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। ‘জে’ গ্রুপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বাকি প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।

বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ ভুভুজেলা, আচরণবিধিতে কড়াকড়ি ফিফার

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ ভুভুজেলা, আচরণবিধিতে কড়াকড়ি ফিফার
বিশ্বকাপে ভুভুজেলাকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। ছবি : রয়টার্স

ভুভুজেলার কথা মনে আছে আপনার। কিংবা শৈশবে মেলায় গিয়ে বাবা-চাচার কাছে বায়না ধরে কেনা বাঁশির কথা। লম্বা প্লাস্টিকের সেই বাঁশি পাওয়ার পর ফুঁ দিয়ে দিয়ে সারা রাস্তা ধরে বাড়ি ফেরা। 

ফুঁ দিয়ে নিজে আনন্দ পেলেও যার শব্দে আশেপাশের লোকজনের কান ঝালাপালা হতো। বিরক্তি প্রকাশ করে অনেকে তো ঝাড়ি দিয়ে বলত, ‘বন্ধ কর এসব’। একসঙ্গে কয়েকটা বাজানো হলে তার ডেসিবল কেমন হতো সেটা বোঝা গেছে ২০১০ বিশ্বকাপে। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে এই বাঁশিতে ডুবে ছিল দর্শক-সমর্থকরা।

বিপরীতে বাঁশির শব্দে মনোযোগ বিঘ্নিত হচ্ছিল খেলোয়াড়-কোচসহ রেফারিদের। এমনও হয়েছে ভুভুজেলার শব্দের কারণে খেলোয়াড়রা রেফারির ফাউলের বাঁশি শুনতে পারেননি। খেলা চালিয়ে গেছেন কয়েক সেকেন্ড। তা নিয়ে পরে ব্যাপক সমালোচনা হয়। 

সেই ভুভুজেলাকে এবার যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। অবশ্য শুধু ভুভুজেলা নয়, ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী শব্দদূষণ হয় এমন সব যন্ত্রই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সঙ্গে লেজার রশ্মির মতো যন্ত্রও স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ। 

পোশাকের বিষয়েও কড়াকড়ি নির্দেশনা রয়েছে। শরীরে রং করা বা ট্যাটু আঁকাকে পোশাক হিসেবে গণ্য করা হবে না। মাঠে নগ্ন হয়ে দৌড়ানো, শরীর প্রদর্শন বা পোশাক খুলে শরীরের সংবেদনশীল অংশ দেখানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অন্যদিকে পানির বোতল নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা আরও কয়েকদিন আগে দিয়েছে ফিফা। অন্যথা, স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হবে না এবং ফাঁক ফোঁকরে কোনোভাবে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করলেও ধরতে পারলে বের করে দেওয়া হবে। 

নিজের চোট নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব

ক্রীড়া ডেস্ক
নিজের চোট নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব
ছবি : তানজিম সাকিবের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে পিঠের চোট পাওয়ার পর থেকে জাতীয় দলের বাইরে আছেন টাইগার পেসার তানজিম সাকিব। অস্ট্রেলিয়ার সিরিজের স্কোয়াডেও জায়গা পাননি তিনি। তবে এবার নিজের ইনজুরি নিয়ে মুখ খুলেছেন সাকিব।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ইনজুরি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি।

কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো

আসসালামুওয়ালাইকুম 

বিভিন্ন জায়গায় কিছু বিভ্রান্তিমূলক নিউজ আমি দেখতে পেয়েছি, তাই আমার ইনজুরির বিষয়টা আপনাদের জানানোর প্রয়োজন মনে করছি।

বেশ কিছু দিন আগে আমার কোমরের হাড়ের ফ্র্যাকচার ধরা পড়েছে। আমাদের বিসিবির মেডিক্যাল টিম নিউজিল্যান্ড এর সার্জন ও তাদের ক্রিকেট টিমের ফিজিওর সাথে আলাপ করে ন্যাচারাল হিলিং এ যাবার সাথে একমত হয়েছেন।নরমালি ৬-৭ সপ্তাহ লাগে আরেকবার এমআরআই করাতে গেলে হাড় জোরা লেগেছি কি না এইটা দেখার জন্য।

আমি বর্তমানে রেস্টিং পিরিয়ডে আছি।হাড় জোরা লাগলে আমার রিহাব ও ধীরে ধীরে বোলিং শুরু হবে । এইটা কিছুটা সময় সাপেক্ষ বিষয়। 

আপনারা আমার সুস্থতার জন্য দুআ করবেন ইনশাআল্লাহ ।

ক্লার্কের বদলী অধিনায়ক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাথায় ঘাম | কালের কণ্ঠ