• ই-পেপার

সৌদি আরবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর
প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়ে পর্যটকবাহী হাউজবোট ‘ভ্রমণশৈলী’র ইঞ্জিনে পড়ে সৌমাতা সরকার নিঝুম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর ৩টার দিকে টাঙ্গুয়ার হাওর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত নিঝুম (৮) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) স্বপন চন্দ্র সরকারের মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি জেলার ধর্মপাশা উপজেলার কামলাবাজ গ্রামে।  

নিহত শিশুর স্বজন ও হাউসবোট সূত্রে জানা যায়, নবনির্মিত ওই হাউসবোটের উদ্বোধনী ভ্রমণে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যান বোট কর্তৃপক্ষ। হাওরে গোসল ও ভ্রমণ শেষে নিলাদ্রী লেকের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় হাউসবোটের পেছনের অংশ থেকে সামনের দিকে আসছিল নিঝুম। এ সময় অসাবধানতাবশত সে বোটটির চলন্ত মেশিনের মধ্যে পড়ে যায়।

হাউসবোটের মালিক পংকজ রায় জানান, এটি ছিল তাদের হাউসবোটের প্রথম ট্রিপ। এটি পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে ভ্রমণ ছিল। দুর্ঘটনার সময় নিঝুম তার মা ও বোনের সঙ্গে ছিল। মেশিনে পড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়, তবুও  তাকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। মেশিনের আঘাতে শরীর গুরুতরভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়ে সাথে সাথেই প্রাণ হারায়।

নিহতের বাবা এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার বলেন, আমি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত। আমার স্ত্রী ও দুই মেয়ে আত্মীয়ের হাউসবোটে করে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে গিয়েছিলাম।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণকালে দুর্ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের মেয়ে সৌমাতা সরকার নিঝুমের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরকৃষ্ণপুর গ্রামের শ্মশানঘাট সংলগ্ন নদ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে শ্মশানঘাটের পেছনের নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

লাশটি পচে-গলে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তা পুরুষ না নারী তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন শাহ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লাশটি ৬-৭ দিন আগে নদীতে ফেলা হয়েছে বা ভেসে এসেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরো বলেন, ‘লাশের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’

টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে শতাধিক সমর্থকের অংশগ্রহণে এ আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

দুপুর ২টায় টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে কর্মসূচির সূচনা হয়। আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি ও নানা সাজসজ্জায় সজ্জিত মোটরসাইকেল নিয়ে সমর্থকরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

শোভাযাত্রাটি টেকনাফ স্থলবন্দর এলাকা থেকে শুরু হয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পুরো পথজুড়ে স্লোগান, করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা।

পরে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের জনপ্রিয় শিল্পী ইফতি ও তার সংগীত দল গান পরিবেশন করেন। এতে উপস্থিত দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীরা আনন্দঘন সময় কাটান।

আয়োজক প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন বলেন, তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক বিনোদন চর্চাকে উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে এমন উদ্যোগ সামাজিক বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান।

স্থানীয়দের মতে, ফুটবলকে ঘিরে এমন আয়োজন টেকনাফে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

বগুড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলভারসহ আটক ৪

বগুড়া অফিস
বগুড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলভারসহ আটক ৪
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আন্ত জেলা ডাকাতচক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার তিশিগাড়ি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া মুখপাত্র আতোয়ার রহমান।

আটকরা হলেন বগুড়ার কাহালু উপজেলার পুগইল গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন (৩০), দুপচাঁচিয়া উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের নবাব আলীর ছেলে সোহেল (২৮), কাহালু উপজেলার চানপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রাব্বী হাসান (২১) এবং একই উপজেলার পাঁচপীর নলঘরিয়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মো. হালিম (২০)।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপচাঁচিয়া উপজেলার তিশিগাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮-১০ জনের একটি ডাকাত চক্র দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে চক্রটির চার সদস্যকে আটক করা হয়। তবে বাকিরা পালিয়ে গেছে।

আটকদের হেফাজত থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি কাটার, দুইটি বার্মিজ চাকু, একটি স্লাই রেঞ্জ ও দুইটি গামছা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটও জব্দ করেছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, আটকরা সবাই আন্ত জেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে তাঁরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।

পুলিশ আরো জানায়, পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় দুপচাঁচিয়া থানায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।