• ই-পেপার

আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে যোগ দিতে জেনেভা যাচ্ছেন শ্রমমন্ত্রী

পাবনায় ২০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পনগরী হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

পাবনা ও ঈশ্বরদী প্রতিনিধি
পাবনায় ২০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পনগরী হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
পাবনায় বাংলাদেশ কৃষক সমিতি আয়োজিত ‘লিচু উৎসব ও কৃষি বাণিজ্য মেলা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পাবনায় আরো ২০০ একর জমিতে নতুন একটি বিসিক শিল্পনগরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদীর জয়নগর মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘বাংলাদেশ কৃষক সমিতি’ আয়োজিত ‘লিচু উৎসব ও কৃষি বাণিজ্য মেলা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পায়নের গুরুত্ব উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা দেন, পাবনার বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) বর্তমান স্থানে কোনো জায়গা খালি নেই, তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পাবনায় আরো ২০০ একর জমিতে নতুন একটি বিসিক শিল্পনগরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

লিচু সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান ও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রয়োজনে পাবনায় লিচুর জন্য হিমাগার স্থাপন করা হবে বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাবনার এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে কৃষির একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে যা অনন্য। এজন্য লিচু সংরক্ষণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনে হিমাগার স্থাপন করা হবে। তবে পেঁয়াজ সংরক্ষণের মতো লিচুর পচন রোধ এবং ফলন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় গবেষণার জন্য লিচুর ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী এবং কার্যকর ‘হোম গ্রোন সলিউশন’ বা ঘরোয়া সমাধান খুঁজে বের করার জন্য উদ্ভাবক ও কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে।’

দেশের খাদ্য উৎপাদনের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৪ কোটি টন চাল উৎপাদন করে এবং পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। এ ছাড়া বছরে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টন আলু উৎপাদিত হচ্ছে, তবে যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এর একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিকের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

পরিবেশ দিবসে একযোগে ৬৪ জেলায় বৃক্ষরোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবেশ দিবসে একযোগে ৬৪ জেলায় বৃক্ষরোপণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে বৃক্ষের চারা রোপণ, পরিবেশ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন এবং সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করেছে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শতাধিক পরিবেশবাদী সংগঠনের ৪ হাজার ভলান্টিয়ার।

পরিবেশবিষয়ক তরুণ নেতৃত্বধারী সংগঠন মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নেতৃত্বে “গাছ লাগাই, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৫ জুন দেশের বিভিন্ন জেলায় দিনভর এসব আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সিথ্রিইআর), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস), সোসাইটি ফর এশিয়ান সার্কুলার ইনোভেশন নেটওয়ার্ক, স্বপ্নপূরী কল্যাণ সংস্থা এবং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই)। কর্মসূচির ট্র্যাকিং ও মনিটরিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে সাসটেইনএবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড (এসআরসিএল) এবং জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের আরো প্রায় শতাধিক পরিবেশবান্ধব সংগঠন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার দিনভর দেশের প্রতিটি জেলায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে স্কুল, কলেজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়িতে এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচর্যার সুযোগ রয়েছে এমন স্থানে স্থায়ীভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া পরিবেশবান্ধব উপহার হিসেবে স্থানীয় দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে অন্তত ২টি করে ফলজ ও বনজ গাছ উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।

একইসঙ্গে সারা দেশের জেলা শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে পরিবেশ রক্ষার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় অতিথি ও পরিবেশকর্মীরা পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া, বাজার, দোকান ও জনসমাগমস্থলে সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর উপকারিতা, বায়ুদূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে পোস্টার, লিফলেট ও সরাসরি প্রচারণার মাধ্যমে।

ঢাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আয়োজনের সহ-আয়োজক ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী শরীফ জামিল বলেন, “বিশ্বকে জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচাতে হলে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই। তবে আমরা একদিকে বৃক্ষরোপন করলাম আরেকদিকে অবাধে কাটলাম এমন হলে পরিবেশ বাঁচবে না। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বৃক্ষ সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরিতেও আমাদের অগ্রণি ভূমিকা রাখতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “হাজারটি চারা বৃক্ষও একটা বড় বৃক্ষের সমান অবদান রাখতে পারে না। বড় বৃক্ষ ছায়া দেয়, ফল দেয়, জ্বালানি দেয়, অক্সিজেন দেয় এবং পাখিদের আশ্রয় দিয়ে প্রকৃতির জন্য সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাই নতুন করে গাছ লাগানোয় যতটা গুরুত্ব দিতে হবে তারচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বড় গাছ সংরক্ষণে।”

সিথ্রিইআর, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর রউফা খানম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বৈশ্বিক মঞ্চে পরিচিত। এই বাস্তবতায় কেবল প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা নয়, বরং মাঠপর্যায়ে কার্যকর এবং বাস্তবমুখী জলবায়ু পদক্ষেপ  সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ৬৪ জেলায় একযোগে বৃক্ষরোপণ এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির এই উদ্যোগ আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জলবায়ু সহনশীল করে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।”

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬৪ জেলায় একযোগে আয়োজিত এই কর্মসূচি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর পলিসি ও ক্যাম্পেইন কো-অর্ডিনেটর বারীশ হাসান চৌধুরী বলেন, “পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। এই কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন করে তুলবে।”

মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি বলেন, “এই কর্মসূচি কেবল গাছ লাগানোর উদ্যোগ নয়, বরং একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গাছ শুধু পরিবেশ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুরক্ষা দেয়। ৬৪ জেলার এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের মাঝে পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ববোধ ছড়িয়ে দিতে চাই।”

আয়োজকরা বলছেন, এই কর্মসূচি শুধুমাত্র একটি দিবসকেন্দ্রিক আয়োজন নয়-এটি একটি নাগরিক আন্দোলন। পরিবেশ দিবস থেকে শুরু হলে সারা বছরব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর আয়োজন করা হবে। পরিবেশ সুরক্ষা, বৃক্ষরোপণ এবং জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধিতে দেশের প্রতিটি মানুষকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শুধু গাছ লাগিয়ে শেষ না করে এই গাছগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়েও আমাদের সারাদেশের সহযোগী সংগঠনগুলোকে নিয়ে কাজ করে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক

বাসস
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক সরকার। কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে গিয়ে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এ কথা জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তুরস্ক সরকার বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই পাশে থেকে তাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান হবে এবং রোহিঙ্গারা তাদের সম্মান এবং নাগরিকত্বের মর্যাদা নিয়ে তাদের দেশ মায়ানমারে ফিরে যাবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের সহায়তায় স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের জীবনযাত্রা ও নানা সমস্যার বিষয়ে অবগত হন।

পরে তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তুরস্কের সহায়তায় পরিচালিত চিকিৎসা ও মানবিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ক্যাম্পগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নেন।

বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শুক্রবার (৫ জুন) উজবেকিস্তানের সমরখন্দ শহরে অনুষ্ঠিত জিইএফ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দূষণের উৎসসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীল কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন, ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে। পাশাপাশি প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান ও বাস্তুতন্ত্রভিত্তিক অভিযোজন কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জিইএফ-এর লক্ষ্য ও অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও অংশীদারি আরো জোরদার করা প্রয়োজন।

সমরখন্দে অনুষ্ঠিত এই জিইএফ সম্মেলনে বিশ্বের ১৮৬টি সদস্য দেশের প্রতিনিধি, পরিবেশবিদ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।