২০১৫ সালের ১ মার্চ যাত্রা শুরু করেছিল দেশীয় সার্চ ইঞ্জিন চরকি। ওয়েব, পণ্য, সংবাদ ও খাবার বিভাগে নির্দিষ্টভাবে তথ্য খোঁজার সুবিধা ছিল সার্চ ইঞ্জিনটিতে। শুরুতে এ কাজে যুক্ত ছিলেন পাঁচজন। পরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২৩ জনে। উদ্বোধনীতে উদ্যোক্তারা জানিয়েছিলেন—পিএইচপি, হ্যাডপ, সোলার ইত্যাদি প্রগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে বাংলাদেশের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে সার্চ ইঞ্জিনটি। শুরুতে বলা হয়েছিল, সার্চ ইঞ্জিন চরকির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখনো ততটা শক্তিশালী নয়। শক্তিশালী হলে অনুসন্ধানের ধরন বুঝে ফলাফল দেখানো সম্ভব। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে চরকি ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো খোঁজের ফলাফল দেখাতে পারবে বলে উদ্বোধনীতে জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান বাস্তবতা একেবারেই বিপরীত। উন্নয়ন তো দূরের কথা, বলা যায় বন্ধই হয়ে আছে সার্চ ইঞ্জিনটি। চরকির ফেইসবুকের পেইজে সর্বশেষ আপডেট গত বছরের ডিসেম্বর মাসের। গুগলের চরকি লিখে সার্চ দিলে ডান পাশেই কম্পানির তথ্যে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘চিরতরে বন্ধ’ হয়ে গেছে কম্পানিটি। বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় চরকির ফেইসবুক পেইজে। কিন্তু পেইজের কয়েকবার মেসেজ করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তারপর ফেইসবুকে থাকা প্রতিষ্ঠানটির দাপ্তরিক নম্বরে ফোন করে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে চরকির সহপ্রতিষ্ঠাতা রাশেদ মোসলেমের সঙ্গে ফেইসবুকের যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চরকি ছেড়ে একটি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। চরকি সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি!