বড় মেয়ে প্রার্থনার বয়স তিন বছর, ছোট মেয়ে প্রত্যাশার ৪ মাস। দুজনকে সামলাতে হিমশিম খান। এর মধ্যে আবার নিজের ফিটনেস ফিরিয়ে আনার লড়াই। ভর্তি হয়েছেন উত্তরার একটি ফিটনেস সেন্টারে। বাসা বনশ্রী। সেখান থেকে উত্তরা যাওয়া-আসা করতে বেশ ধকল। তাহলে? ‘বোধ হয় জীবনের সবচেয়ে বেশি কষ্ট করছি এখন। বাচ্চাদের সামলে জিম মেইনটেন করা, তার ওপর নাচের ক্লাস। বলতে পারেন যান্ত্রিক জীবন। কিভাবে দিন পার করছি নিজেই জানি না’, বললেন রেসি। মাঝখানে জাকির হোসেন রাজুর ‘নিয়তি’ বাদ দিলে পাঁচ বছর ধরে চলচ্চিত্রের বাইরেই ছিলেন। ‘শূন্য’ দিয়ে ফিরছেন। কেমন হবে ছবিটা? রেসি বলেন, “আপাতত ‘শূন্য’ দিয়েই শুরু। যদিও ছবিটির পুরো শুটিং করতে পারিনি। ৭৫ শতাংশ শুটিংয়ের পর দ্বিতীয় বেবি কনসিভ করেছিলাম। তবু পরিচালক চেষ্টা করেছেন ভালো ছবি উপহার দেওয়ার জন্য। আমি আশাবাদী।” নতুন আরেকটি ছবি হাতে নিয়েছেন। আল ইমরানের এই ছবির গল্প রেসিকে ঘিরেই। ছবির নাম এখনো ঠিক না হলেও শুটিং এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহেই। এ ছাড়া ডিপজলের সঙ্গেও দুটি ছবি চূড়ান্ত হয়ে আছে। সেগুলোর শুটিংও এপ্রিল থেকে হওয়ার কথা। ‘জানুয়ারি থেকেই ব্যস্ত হতে পারতাম। কিন্তু আমার দ্বিতীয় বেবিটা সিজারের। ডাক্তার বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই ঘরে বসে থাকতে হয়েছে। ডিপজল ভাইও এর মধ্যে অন্তত ১০ দিন ফোন দিয়েছেন। আমার জন্য শিডিউল পেছাতে চেয়েছেন। কিন্তু আমি ইউনিট বসিয়ে রাখতে না করেছি। গত সপ্তাহে আবার তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত দাঁড়িয়েছে এপ্রিল থেকে তাঁর সঙ্গে নতুন ছবির কাজ করব। কোরবানির ঈদে দর্শক আমাদের জুটিকে পর্দায় পাবে।’ আগের মতো আবার সরব হতে চান রেসি। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে শিল্পী সমিতির সভাপতি প্রার্থী ওমর সানীকে দাওয়াত দিয়েছিলেন বাসায়। নিয়মিত যোগাযোগ আছে আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগরের সঙ্গেও। পরিচালক, প্রযোজক সমিতির নেতাদের সঙ্গেও কথা হয় নিয়ম করে। এসবের পেছনে একটাই কারণ, ফিরতে চান শক্তভাবে।