• ই-পেপার

বন্যাদুর্গতদের জন্য বিপিসির ত্রাণ

আত্মগোপনে থাকা অধ্যক্ষের নিয়মিত বেতন উত্তোলন

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
আত্মগোপনে থাকা অধ্যক্ষের নিয়মিত বেতন উত্তোলন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চণ্ডীপুর সিকেবি আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসায় না এসেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ আওয়ামী সরকারের সময়ে মাদরাসায় কর্মচারী নিয়োগের জন্য কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের কারণে তিনি এসব নিয়োগ সম্পন্ন করতে পারেননি। ফলে ৫ আগস্টের পর থেকে চাকরিপ্রার্থীরা টাকা ফেরত চান। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ আত্মগোপনে চলে যান। এর পর থেকে ওই অধ্যক্ষ মাসের শেষে মাদরাসায় এসে গোপনে হাজিরা খাতা ও বেতন বিলে স্বাক্ষর করে যান। পরে মাদরাসার অফিস সহকারী বেতন বিলে সভাপতির স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে ব্যাংকে জমা করেন। মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাজাহারুল ইসলাম বলেন, অধ্যক্ষ স্যার মাঝেমধ্যে মাদরাসায় আসেন। তবে বেতন-ভাতা উত্তোলনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই প্রায়ই ঢাকায় থাকতে হয়।

র‌্যাবের ওপর হামলার হোতা শফিক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
র‌্যাবের ওপর হামলার হোতা শফিক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র‌্যাবের গোয়েন্দা সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনার হোতা ডাকাত দলের নেতা মো. শফিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত রবিবার রাতে ঢাকার কামরাঙ্গীর চর থানার ঝাউলাহাটি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৯-এর কম্পানি কমান্ডার মো. নুরনবী জানান, গত ১১ মে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে র‌্যাবের চার গোয়েন্দা সদস্য নবীনগরের খাগাতুয়া গ্রামে গেলে শফিক ডাকাত ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের ওপর সশস্ত্র হামলা ও আটকে রেখে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও শফিক দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। শফিকের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চুরি, চাঁদাবাজি, দখল, মাদক, ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফিসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।

 

নেত্রকোনায় রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতাল ভাঙচুর

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতাল ভাঙচুর

নেত্রকোনা ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসকদের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মৃত সজীব মিয়া (৩৫) শহরের মালনী আমগাছতলা এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। স্বজনদের দাবি, গ্যাসজনিত সমস্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে সন্ধ্যায় সজীবকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাতে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা যথাযথ চিকিৎসা দেননি। এক পর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মাজহারুল আমিন জানান, হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ নিয়ে সজীব হাসপাতালে এলে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

স্থলবন্দরের ব্যাবসায়িক কার্যালয়ে পানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
স্থলবন্দরের ব্যাবসায়িক কার্যালয়ে পানি

টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অফিস, খাবার হোটেল ও আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। ভারতীয় পাহাড়ি ঢল আসতে শুরু করলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। তবে ঢল না এলে খুব দ্রুতই পানি নেমে যাবে বলেও ধারণা স্থানীয়দের। সূত্র জানায়, স্থলবন্দর এলাকার উল্টোদিকে ব্যাবসায়িক অফিস ও খাবারের হোটেলগুলোতে পানি উঠে গেছে। আখাউড়া ইউএনও তাপসী রাবেয়া জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রস্তুতি রয়েছে। পানি বাড়লে যখন যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন সেটা নেওয়া হবে।